Tuesday, 08.22.2017, 01:17pm (GMT+6)
  Home
  FAQ
  RSS
  Links
  Site Map
  Contact
 
আবদুুল হাই মাশরেকী ছিলেন মূলসংস্কৃতির শিকড়ের আধুনিক কবি ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিল্পকলায় দুদিনব্যা ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭ তম জন্মজয়ন্তী আগামী ১ এপ্রিল ২০১৬ ; আল মুজাহিদী ; ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন
::| Keyword:       [Advance Search]
 
All News  
  গুণীজন সংবাদ
  বিপ্লবী
  ভাষা সৈনিক
  মুক্তিযোদ্ধা
  রাজনীতিবিদ
  কবি
  নাট্যকার
  লেখক
  ব্যাংকার
  ডাক্তার
  সংসদ সদস্য
  শিক্ষাবিদ
  আইনজীবি
  অর্থনীতিবিদ
  খেলোয়াড়
  গবেষক
  গণমাধ্যম
  সংগঠক
  অভিনেতা
  সঙ্গীত
  চিত্রশিল্পি
  কার্টুনিস্ট
  সাহিত্যকুঞ্জ
  ফটো গ্যাল্যারি
  কবিয়াল
  গুণীজন বচন
  তথ্য কর্ণার
  গুণীজন ফিড
  ফিউচার লিডার্স
  ::| Newsletter
Your Name:
Your Email:
 
 
 
সংসদ সদস্য
 
ওবায়দুল কাদের


 
জনাব ওবায়দুল কাদের একটি সুদীর্ঘ ও সমৃদ্ধ রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী। একজন সংস্কৃতিমনষ্ক, উদার, প্রজ্ঞাবান, বাগ্মী, স্পষ্টবাদী, ত্যাগী ও নিষ্ঠাবান স্বাপিক রাজনৈতিক নেতা হিসাবে তাঁর পরিচিতি।

তখনও ভাষা আন্দোলন তীব্রতা পায়নি, যদিও পাকিস্তানের জনক জিন্নাহ্ রাষ্ট্রভাষা উর্দুর ওকালতির জন্য শুনে গেলেন প্রতিবাদি ‘নো’ স্বর। দেশবিভাগের ট্রাজিক টানাপোড়নে টালমাটাল নোয়াখালী। সেরকম সময়ে; ১৯৫২-এর ১লা জানুয়ারি, নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার বড় রাজাপুর গ্রামে জন্মনেন ওবায়দুল কাদের। বাবা মোশারফ হোসেন সরকারি চাকুরি ছেড়ে দিয়ে জনশিক্ষা স্বার্থে উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক। কলকাতা ফেরত, ইসলামিয়া কলেজের ছাত্র ও বেকার হোস্টেল-এ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহপাঠি। মা ফজিলাতুন্নেছা সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের আশরফ-আতরপের ঘেরাটোপে এম.এল.এ-এর সন্তান; স্বশিক্ষিত, মমতাময়ী।

এই সব সুবিধা, পরিবেশে ওবায়দুল কাদের বসুরহাট সরকারি এ.এইচ.সি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে এস.এস.সি ও নোয়াখালী কলেজ থেকে মেধা তালিকায় স্থান সমেত এইচ.এস.সি পাশ করেন। অতঃপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্সসহ স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন।

তিনি কলেজ জীবন থেকে ছাত্র রাজনীতি শুরু করেন। ১৯৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালে গণ আন্দোলন ও ছাত্রদের ১১ দফা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন এবং কোম্পানীগঞ্জ থানা মুজিব বাহিনীর (বি.এল.এফ) অধিনায়ক ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার কারাবরণ করেন। ১৯৭৫ এর পর এক নাগাড়ে দীর্ঘ আড়াই বছর কারাগারে ছিলেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন এবং পরপর দুইবার ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন।

জনাব ওবায়দুল কাদের ১৪০০ সাল উদ্যাপন পরিষদের সদস্য সচিব ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার রজত জয়ন্তী উদ্যাপন পরিষদের সদস্য সচিব এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ছিলেন।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা ও লেখালেখির সাথে সম্পৃক্ত। দৈনিক বাংলার বাণী পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসাবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। রচনা করেছেন আটটি গ্রন্থ। গ্রন্থগুলি হলোঃ (১) Bangladesh: A Revolution Betrayed, (যা ১৯৭৬ সালে কলকাতা মনীষা পাবিলশার্স প্রকাশ করেছে) (২) বাংলাদেশের হৃদয় হতে (৩) পাকিস্তানের কারাগারে বঙ্গবন্ধু ,(৪) এই বিজয়ের মুকুট কোথায় (৫) তিন সমুদ্রের দেশে (৬) মেঘে মেঘে অনেক বেলা (৭) রচনা সমগ্র (৮) কারাগারে লেখা অনুস্মৃতি: যে কথা বলা হয়নি।

তাঁর লেখালেখি সর্ম্পকে জাতীয় অধ্যাপক কবির চৌধুরী বলেছেন- ‘যখনি সংকট, যখনই এক অপয়া অন্ধকার ওৎঁ পেতে আসে, যখনই সমাজ ধুসরতায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। যখনই মিথ্যা ও ইতিহাস বিকৃতির গোলকধাঁধাঁয় নয়া প্রজন্মকে দিগভ্রান্ত করার অপচেষ্টা, যখনই রাজনীতির গৌরব কলুষতায় ঢেকে দেয়ার অপপ্রয়াস-তখনই ওবায়দুল কাদের এর এই জীবন ঘনিষ্ঠ, সত্য ও সুন্দরের আরাধনাময় সাহসী রচনা সমাজকে আলোর ইতিহাস শোনাতে পারে’।

জনাব ওবায়দুল কাদের বিগত ১২ জুন ’৯৬-এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নোয়াখালী-৫ আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২৩ জুন ’৯৬ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং একই দিনে যুব ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত হন। তিনি ২০০১ সালের ১৫ জুলাই পর্যন্ত প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব সৎ ও নিষ্ঠার সাথে পালন করেন। ২০০২ সালের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন থেকে ২০০৯-এর সম্মেলন পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব প্রাপ্ত ছিলেন। ১/১১ পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে তিনি জরুরী বিধিতে ৯/৩/০৭ ইং তারিখে গ্রেফতার হয়ে ১৭ মাস ২৬ দিন কারাবরণ করেন। ৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮ তারিখে তিনি জামিনে মুক্ত হন। কারাগারে থাকাকালে কারাজীবনের বর্ণনা দিয়ে ‘‘অনুস্মৃতিঃ যে কথা বলা হয়নি’’ লেখেন। তিনি ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ সালে পুনরায় দ্বিতীয় বারের মত নোয়াখালী-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে তিনি দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য নির্বাচিত হন।

জনাব ওবায়দুল কাদের ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় কাজে শ্রীলংকা, ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে, চীন, জার্মান, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, ইটালী, বেলজিয়াম, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ সফর করেছেন। তাঁর স্ত্রী ইশরাতুন্নেছা একজন আইনজীবী।
যুব, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী জনাব ওবায়দুল কাদের (১৯৯৬-২০০১):

তাঁর দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আই.সি.সি ট্রফি অর্জন, বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন এবং টেস্ট খেলার মর্যাদা লাভ করে। ফুটবলে অর্জন করে সাফ সোনা এবং তিনি শ্রেষ্ঠ ক্রীড়া সংগঠক হিসাবে সণ্ব র্প দক লাভ করেন। দায়িতপবালন কালে তিনি দেশের ৬৪টি জেলায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করেন। ১৬ লক্ষ যুবক-যুবতীকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন। ৪৫টি জেলায় স্থাপন করেন যুব প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্স। সাভারে স্থাপন করেন আন্তর্জাতিক মানদন্ডের শেখ হাসিনা জাতীয় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বেকার যুবক-যুবতীদের ঋণ প্রদানের মাধ্যমে সাবলম্বিতা অর্জনের চিন্তা থেকে প্রতিষ্ঠিত হয় কর্মসংস্থান ব্যাংক। ব্যাপক উন্নয়ন-সংস্কার সংঘটনের মাধ্যমে ক্রিকেট, ফুটবল, শ্যুটিংসহ গুরত্বপূর্ণ খেলার ব্রিডিং গ্রাউন্ড বি.কে.এস.পি-কে এশিয়ার আধুনিকতম ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে তোলেন।

তিনি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন কালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শ এবং সহযোগিতায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, রমনা পার্ক, বাংলা একাডেমী, শিল্পকলা একাডেমিকে নিয়ে গঠন করেন ‘সোনার বাংলা সাংস্কৃতিক বলয়’ প্রকল্প। তাঁর সময়ই শিল্পকলা একাডেমির নাট্যশালা, চিত্রশালা, পরীক্ষণ থিয়েটার হল, স্টুডিও থিয়েটার হল, প্রশাসনিক ভবনের কাজ সমাপ্ত হয়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মুক্তমঞ্চ, আন্ডারগ্রাউন্ড চিত্রশালা, শিখা চিরন্তনের কাজ তাঁর সময়কালে সমাপ্ত হয়।

একজন সংস্কৃতিমনষ্ক রাজনীতিক হিসাবে তাঁর কাজ ছড়িয়ে আছে দেশের সর্বত্র। কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় লালন স্মৃতি কমপেলক্স, রংপুরের পায়রাবন্দে রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্র, ত্রিশালে নজরুল স্মৃতিকেন্দ্র (বিশ্ববিদ্যালয়), শিলাইদহে রবীন্দ্রস্মৃতি বিজড়িত কুঠিবাড়ীর সংস্কার, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধ, কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র তাঁর সময়ের কাজ। এছাড়া সাগরদাঁড়িতে মধুপল্লী, সোনারগাঁওয়ে রূপসী বাংলা (মিনিয়েচার বাংলাদেশ) ও মেহেরপুরের মুজিব নগরে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিকেন্দ্রের কাজ তাঁর দায়িত্বপালন কালেই আরম্ভ হয়।

জনাব ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকতা জীবনে সম্পাদকীয়-উপসম্পাদকীয়, রাজনৈতিক কলাম লিখেছন অসংখ্য। কবি নির্মলেন্দু গুণ তাঁর সম্পর্কে বলেছেন- বাংলার বাণী পত্রিকায় সম্পাদকীয় বিভাগে আমার সহকর্মী ছিলেন, কলাম লেখক হিসাবেও জনপ্রিয় হয়েছিলেন।...আমি তাঁর অলংকৃত কাব্যিক ভাষায় বক্তৃতার একজন ভক্তশ্রোতা। সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের তাঁর সর্ম্পকে মূল্যায়নঃ ওবায়দুর কাদের শুধু রাজনীতিক নন, তিনি সাংবাদিক, তিনি বাগ্মী, তিনি লেখক। বক্তৃতায় বাংলা শব্দ উচ্চারণ, ছন্দের ব্যবহারে চারণকবি তিনি। নিবন্ধ লেখক হিসেবে যুক্তি ও বিশ্লেষণে তীরতীব্র লক্ষ্যভেদী তিনি।


Comments (0)        Print        Tell friend        Top


Other Articles:
এডভোকেট প্রমোদ মানকিন
মেজর জেনারেল (অবঃ) মোঃ সুবিদ আলী ভূঁইয়া
রাশেদ খান মেনন
বানিজ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান
ড.ফজলে রাব্বী চৌধুরী :গাইবান্ধা-৩



 
  ::| Events
August 2017  
Su Mo Tu We Th Fr Sa
    1 2 3 4 5
6 7 8 9 10 11 12
13 14 15 16 17 18 19
20 21 22 23 24 25 26
27 28 29 30 31    
 
::| Hot News
Sheikh Hasina
বেগম খালেদা জিয়া

Online News Powered by: WebSoft
[Top Page]