Tuesday, 01.22.2019, 09:20am (GMT+6)
  Home
  FAQ
  RSS
  Links
  Site Map
  Contact
 
আবদুুল হাই মাশরেকী ছিলেন মূলসংস্কৃতির শিকড়ের আধুনিক কবি ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিল্পকলায় দুদিনব্যা ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭ তম জন্মজয়ন্তী আগামী ১ এপ্রিল ২০১৬ ; আল মুজাহিদী ; ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন
::| Keyword:       [Advance Search]
 
All News  
  গুণীজন সংবাদ
  বিপ্লবী
  ভাষা সৈনিক
  মুক্তিযোদ্ধা
  রাজনীতিবিদ
  কবি
  নাট্যকার
  লেখক
  ব্যাংকার
  ডাক্তার
  সংসদ সদস্য
  শিক্ষাবিদ
  আইনজীবি
  অর্থনীতিবিদ
  খেলোয়াড়
  গবেষক
  গণমাধ্যম
  সংগঠক
  অভিনেতা
  সঙ্গীত
  চিত্রশিল্পি
  কার্টুনিস্ট
  সাহিত্যকুঞ্জ
  ফটো গ্যাল্যারি
  কবিয়াল
  গুণীজন বচন
  তথ্য কর্ণার
  গুণীজন ফিড
  ফিউচার লিডার্স
  ::| Newsletter
Your Name:
Your Email:
 
 
 
সংসদ সদস্য
 
বানিজ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান



লে: কর্ণেল (অব:) মুহাম্মদ ফারুক খান, ১৯৫১ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলাধীন বেজড়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত খান পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা-মরহুম সিরাজুল করিম খান (নান্না খান) এবং মাতা-মরহুমা খালেদা করিম খান। সাত ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার বড়।

শিক্ষা জীবন
আরমানিটোলা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয হতে মাধ্যমিক এবং ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর সেনাবাহিনীতে অফিসার হিসেবে যোগদান করে ১৯৭১ সালের ১৮ ই এপ্রিল কমিশন লাভ করেন। পাকিস্তান সামরিক একাডেমী থেকে গ্রাজুয়েশন এবং পরর্বতীতে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিফেন্স স্টাডিজ এ মাষ্টারস অর্জন করেন।

চাকুরী জীবন
দীর্ঘ ২৬ বছর সেনাবাহিনীতে চাকুরী করার পর ১৯৯৫ সালে লে: কর্ণেল পদে কর্মরত থাকাকালে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন। সেনাবাহীনীতে চাকুরীকালীন তিনি ১ম ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট (সিনিয়র টাইগার) এবং ২৫ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট (মৃতু্যঞ্জয়ী পঁচিশ) এর অধিনায়কের দায়িত্ব পালনসহ বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমী, এসআইএন্ডটি, ষ্টাফ কলেজ এবং সেনা সদরে গুরুত্বপূর্ণ পদে চাকুরী করেছেন। সেনাবাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ থেকে এবং ১৯৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কৃতিত্বের সাথে কমান্ড এবং জেনারেল ষ্টাফ কোর্স সম্পন্ন করেন। তিনি ছিলেন সেনাবাহিনীতে একজন দ প্যারাট্রপার। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ডিসেম্বর মাসে কর্ণেল ফারুক খান পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্মরত থাকাকালে পালিয়ে এসে মুজিবনগর সরকারে যোগ দেন।

রাজনৈতিক জীবন
ঢাকা কলেজে অধ্যায়ন করার সময় ছাত্রলীগের হয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তার পদার্পণ। ১৯৯৫ সালে সামরিক বাহিনী থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করে আওয়ামী লীগে যোগদানের মাধ্যমে জাতীয় রাজনীতিতে তার অভিষেক হয়। ১৯৯৬ সালে ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১,১৯,৫৩৬ ভোট পেয়ে ১,১৪,৬১৭ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং ২০০১ সালের ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ১,৪৫,৩৮০ ভোট পেয়ে ১,২৫,২৪৭ ভোটের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ৯ম জাতীয় সংসদে ১,৮৪,২৫৪ ভোট পেয়ে ১,৭৪,২৬৮ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন এবং তৃতীয় বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ০৬ জানুয়ারী ২০০৯ এ সরকারের একজন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন এবং ৭ জানুয়ারী বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। জনাব ফারুক খান বর্তমানে গোপালগঞ্জ জেলা এবং মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক। সপ্তম জাতীয় সংসদে তিনি সংসদের গুরুত্বপূর্ণ সরকারী প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিরা কমিটির সদস্যের দায়িত্ব পালন করেন এবং ৮ম সংসদেও সরকারী প্রতিষ্ঠান কমিটি ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

জাতীয় ও আন্তজার্তিক অঙ্গনে
জনাব ফারুক খান মুকসুদপুর এবং কাশিয়ানী উপজেলার বিভিন্ন কলেজের গভর্নিং বডির এবং জসিমুন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিসহ বিভিন্ন শিা, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া এবং গবেষণাধমর্ী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত। তিনি বাংলাদেশ পার্লামেন্ট মেম্বার সার্পোট গ্রুপ অন এইচআইভি, এইডস এন্ড ট্রাফিকিং এর সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ কমনওয়েলথ সোসাইটির প্রেসিডিয়াম সদস্য, বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশীপ এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা, বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা, বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের সহ-সভাপতিসহ বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, রাওয়া কাব ও কুর্মিটোলা গল্ফ কাবের আজীবন সদস্য। জনাব ফারুক খান দীর্ঘ সময় বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি এবং স্কোয়াশ রেকেট ফেডারেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। জনাব খান যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ড, দণি আফ্রিকা, দণি কোরিয়া, সৌদি আরব, ইন্দোনেশিয়া, মিশর, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, নেপাল, মালয়েশিয়া, ভারতসহ বিশ্বের বহু দেশ ভ্রমণ করেছেন।
দি ইউকে পার্লামেন্ট'
তিনি ২০০০ সালের মার্চ মাসে 'দি ইউকে পার্লামেন্ট', দি সিনেট এন্ড দি কংগ্রেস অফ ইউএসএ', 'দি সুইজ ফেডারেল এ্যাসেম্বলী', 'দি ইউনাইটেড ন্যাশন হেড কোয়াটার্স এবং দি নিউ ইয়র্ক সিটি হল' পর্যবেণের জন্য বাংলাদেশ সংসদীয় দলের নেতা ছিলেন।
ডেমোক্রেসি ইন একশন
২০০৩ সালের এপ্রিল মাসে ভারতের দিলি্লতে অনুষ্ঠিত "ডেমোক্রেসি ইন একশন" শীর্ষক সেমিনারে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে সেমিনারে যোগদান করেন।
সিরিজ ফর এশিয়ান পার্লামেন্টারিয়ান
শ্রীলংকার কলম্বোতে অনুষ্ঠিত "ই-অ্যাওয়ারনেস সেমিনার সিরিজ ফর এশিয়ান পার্লামেন্টারিয়ান" এ অংশগ্রহণ করেন ২০০৩ সালের জুলাই মাসে।
অষ্ট্রেলিয়ান পার্লামেন্ট
২০০৩ সালের আগষ্ট মাসে অষ্ট্রেলিয়া সরকারের আমন্ত্রণে জনাব ফারুক খান অষ্ট্রেলিয়ান পার্লামেন্ট পর্যবেণ করেন।
টু প্রমোট ইন্টিগ্রীট ইন নেপাল এন্ড বাংলাদেশ
ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) এর ব্যবস্থাপনায় নেপালের কাঠমুন্ডুতে অনুষ্ঠিত "পলিটিকেল পার্টি ইনিশিয়েটিভ টু প্রমোট ইন্টিগ্রীট ইন নেপাল এন্ড বাংলাদেশ" শীর্ষক সেমিনারে অংশগ্রহণ করেণ ২০০৪ সালের জুন মাসে।
ইন্টারন্যাশনাল এইডস কনফারেন্স
জুলাই ২০০৪ সালে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত "ইন্টারন্যাশনাল এইডস কনফারেন্স" এ "নেসন ফ্রোম দি আফ্রিকান আইচআইভি/ এইডস ইঙ্পিরিয়েন্স ফর ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অফ এশিয়ান কমু্যনিটি গ্রুপ" শীর্ষক সেমিনারে তিনি মডারেটর হিসেবে যোগদান করেন।
কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারী এসোসিয়েশন
৫০ তম কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারী এসোসিয়েশন কনফারেন্সে তিনি বাংলাদেশ পালামেন্টারী ডেলিগেশনের একজন সম্মানিত সদস্য হিসেবে ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কানাডা সফর করেন।
সাব-রিজিওনাল পার্লামেন্টারী সেমিনার
বাংলাদেশ ডেলিগেশনের একজন সম্মানিত সদস্য হিসেবে তিনি জানুয়ারী ২০০৫ সালে 'পার্লামেন্টারিয়ান ফর গ্লোবাল একশন' (পিজিএ) এর ব্যবস্থাপনায় পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত "সাব-রিজিওনাল পার্লামেন্টারী সেমিনার অন এইচআইভি/এইডস ইন সাউথ এশিয়া" শীর্ষক সম্মেলনে যোগদান করেন।
ডায়লগ ওয়ার্কশপ
শ্রীলংকার কলম্বোতে সেন্টার ফর পলিসি অলটারনেটিভ (সিপিএ) এর ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত "ডায়লগ ওয়ার্কশপ অন পলিটিক্যাল পার্টিস ইন সাউথ এশিয়া" শীর্ষক সেমিনারে বাংলাদেশের সদস্য হিসেবে যোগদান করেন ২০০৫ সালের এপ্রিল মাসে।
ডেমোক্রাটাইজেশন ইন এশিয়া ফোরাম
মে ২০০৫ সালে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ফোরাম অন ডেমোক্রাটাইজেশন ইন এশিয়া (ডবি্লউটিএফডিএ) এর তত্বাবধানে" এশিয়ায় গণতন্ত্র "শীর্ষক সেমিনারে জনাব ফারুক খান" বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বর্তমান অবস্থা এবং করণীয় বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।
সাউথ এশিয়ান পার্লামেন্টারিয়ান ফোরাম
২০০৫ সালের আগষ্ট মাসে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত "সাউথ এশিয়ান পার্লামেন্টারিয়ান ফোরাম অন ডবি্লউটিও হংকং মিনিষ্ট্রিয়াল" শীর্ষক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের একজন সদস্য ছিলেন।
কানাডিয়ান পার্লামেন্ট ষ্টাডি ট্যুর
ইউএনডিপি এর ব্যবস্থাপনায় ২০০৫ সালের অক্টোবর মাসে "কানাডিয়ান পার্লামেন্ট ষ্টাডি টু্যরে" বাংলাদেশ সংসদীয় প্রতিনিধিদলের একজন সম্মানিত সদস্য হিসেবে যোগদান করেন।
কনফারেন্স অন এইচআইভি/এইডস ইন আফ্রিকা
জনাব ফারুক খানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি ডেলিগেশন ২০০৫ সালের ডিসেম্বরে নাইজেরিয়ার আবুজায় "ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন এইচআইভি/এইডস ইন আফ্রিকা" সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

বিবাহ ও পরিবার
জনাব খান ১৯৭৪ সালে ঢাকার বিক্রমপুরের সম্ভ্রান্ত খান পরিবারের মরহুম দবির উদ্দিন খান সাহেবের মেয়ে নিলুফার খানের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি দুই কণ্যা কানতারা খান এবং কারিনা খানের পিতা।

Comments (0)        Print        Tell friend        Top


Other Articles:
ড.ফজলে রাব্বী চৌধুরী :গাইবান্ধা-৩



 
  ::| Events
January 2019  
Su Mo Tu We Th Fr Sa
    1 2 3 4 5
6 7 8 9 10 11 12
13 14 15 16 17 18 19
20 21 22 23 24 25 26
27 28 29 30 31    
 
::| Hot News
Sheikh Hasina
বেগম খালেদা জিয়া

Online News Powered by: WebSoft
[Top Page]