Tuesday, 08.22.2017, 01:23pm (GMT+6)
  Home
  FAQ
  RSS
  Links
  Site Map
  Contact
 
আবদুুল হাই মাশরেকী ছিলেন মূলসংস্কৃতির শিকড়ের আধুনিক কবি ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিল্পকলায় দুদিনব্যা ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭ তম জন্মজয়ন্তী আগামী ১ এপ্রিল ২০১৬ ; আল মুজাহিদী ; ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন
::| Keyword:       [Advance Search]
 
All News  
  গুণীজন সংবাদ
  বিপ্লবী
  ভাষা সৈনিক
  মুক্তিযোদ্ধা
  রাজনীতিবিদ
  কবি
  নাট্যকার
  লেখক
  ব্যাংকার
  ডাক্তার
  সংসদ সদস্য
  শিক্ষাবিদ
  আইনজীবি
  অর্থনীতিবিদ
  খেলোয়াড়
  গবেষক
  গণমাধ্যম
  সংগঠক
  অভিনেতা
  সঙ্গীত
  চিত্রশিল্পি
  কার্টুনিস্ট
  সাহিত্যকুঞ্জ
  ফটো গ্যাল্যারি
  কবিয়াল
  গুণীজন বচন
  তথ্য কর্ণার
  গুণীজন ফিড
  ফিউচার লিডার্স
  ::| Newsletter
Your Name:
Your Email:
 
 
 
সংসদ সদস্য
 
বেগম খালেদা জিয়া





বেগম খালেদা জিয়া রাজনীতিতে যুক্ত হন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বরণের পর। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে কতিপয় বিপথগামী সেনা অফিসারের হাতে আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার জিয়াউর রহমান নিহত হন। এর দশ মাসেরও কম সময়ের মধ্যে সামরিক শাসন জারির পটভূমিতে গণতন্ত্র ব্যাহত হয়। জনগণের মৌলিক অধিকারসমূহ হরণ করা হয়। এ অবস্থায়বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে অতি অল্প সময়ের মধ্যেই বেগম জিয়া ব্যাপক প্রভাব রাখতে সম হন।
 
রাজনীতিতে বেগম জিয়া নিজের ইচ্ছায়আসেননি। দেশ যখন স্বৈরাচারের কবলে পড়ে, তখন জনগণের দাবির মুখে এবং এ অবস্থায়দলের নেতৃত্ব গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতা-কর্মীদের অব্যাহত অনুরোধের প্রোপটে তিনি রাজনীতিতে যোগদান করেন। জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত জাতীয়তাবাদী দলের নেতা হিসেবে তার নতুন ভূমিকা স্বাভাবিকভাবেই সে সময় বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যেপরিচালিত গণআন্দোলনের পুরো ভাগে তাকে প্রতিষ্ঠিত করে। নয় বছরের সে আন্দোলন যাতে অনেক রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে, তা সফল হয় ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে জেনারেল এইচএম এরশাদের স্বৈরাচারী শাসনের পতন এবং বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মধ্য দিয়ে।
 
জিয়াউর রহমান যখন দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তখন বেগম জিয়া ছিলেন একজন বিনম্র ফার্স্টলেডি যদিও এ উপাধি তিনি কখনো ব্যবহার করেননি। কিন্তু যখন তিনি রাজনীতিতে এলেন, তখন জনগণ ভিন্ন এক খালেদা জিয়াকে দেখলো। তারা দেখলো দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, গণতন্ত্রের জন্য আপোষহীন এক নেত্রীকে এবং তার এ বৈশিষ্টের জন্য লক্ষলক্ষমানুষ তার সমর্থনে এগিয়ে এলো। দেশের মানুষ ভালবেসে তার উপাধি দিয়েছে দেশনেত্রী‌‌। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বিকশিত এ নেত্রী একজন ‘ক্যারিশম্যাটিক’ লিডার হিসেবে আবির্ভূত হন। ১৯৮৬ সালে স্বৈরশাসকের অধীনে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করার মধ্য দিয়ে তিনি তার আপোষহীনতার বৈশিষ্ট্য প্রমাণ করেছেন। তার এ ভূমিকার জন্য স্বৈরশাসন কখনো বৈধতা পায়নি। ১৯৯১ সালের অবাধ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষনির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বে পঞ্চম জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে। তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রজাতন্ত্রের সংবিধানও সংশোধন করা হয়। ফলে ১৬ বছর পর বাংলাদেশে পূনরায় সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থাচালু হয়।
 
বেগম জিয়ার প্রথম শাসনামলে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেসম্পূর্ণ উদারনীতি এবং মুক্তবাজার প্রথা গ্রহণ করা হয়। অন্য বড় দলগুলো কেবলমাত্র বিএনপি’র এ নীতি অনুসরণ করে।
 
প্রথমবার যখন তিনি ক্ষমতায় এলেন তখন অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং দেশের সাধারণ মানুষের জন্য দু’বেলা দু’মুঠো অন্নের ব্যবস্থানিশ্চিত করতে তিনি ‘ডালভাত’ কর্মসূচী চালু করেন। তাঁর এ কর্মসূচী ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পায় কেবল বাংলাদেশেই নয়, সমগ্র দক্ষিণএশিয়ায় এবং তৃতীয় বিশ্বের অন্য অনেক দেশেও। তাঁর সমসাময়িক অনেক নেতা-নেত্রীর মাঝে যা নেই, তাঁর রয়েছে সেই ঈর্ষণীয় গুণ-সহনশীলতা। তিনি বলার চাইতে শুনতে বেশি আগ্রহী, যা তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করেছে।
 
বেগম জিয়া তাঁর প্রথম শাসনামলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নারীদের ক্ষমতায়নে সাহসী উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শিক্ষাক্ষেত্রেব্যাপক পরিবর্তনএনেছেন তিনি। সকলের জন্য প্রাথমিক শিক্ষারসুযোগকে করেছেন অবারিত। উচ্চমাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত ছাত্রীদের জন্য বিনাবেতনে লেখাপড়া, ছাত্রীদের লেখা-পড়া অব্যাহত রাখার জন্য ছাত্রী বৃত্তি চালু করা এবং স্কুলে ভর্তি হওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য খাবার সরবরাহ করার ব্যবস্থাচালু করেছেন তিনি। দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যেসাহসী সংস্কারমূলক কার্যক্রম চালু করেন তিনি, যার উদ্দেশ্য হচ্ছেঅর্থনীতির সকল ক্ষেত্রেউঁৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা। সম্ভাব্য স্বল্পতম সময়ে খাদ্যে স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষেদেশের অর্থনীতির মূল স্তম্ভ কৃষি খাতের ওপর সর্বাধিক জোর দেয়া হয় তাঁর শাসনামলে। সরকারের সক্রিয় সহায়তায় দুধ ও মাংস উৎপাদনের জন্য জনগণ পশু পালন কার্যক্রম শুরু করে। এর ফল হচ্ছেস্বল্পতম সময়ে বাংলাদেশ গুঁড়ো দুধ আমদানি বাবদ ৩শ’ কোটিরও বেশি টাকা বাঁচাতে পেরেছে। এটি বেগম জিয়ার সরকার গৃহীত ইতিবাচক এবং উৎপাদন ও প্রবৃদ্ধিমুখী কর্মসূচীর একটি মাত্র উদাহরণ।
 
বেগম জিয়া ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ৬ষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। তাঁর নেতৃত্বধীন ৬ষ্ঠ জাতীয় সংসদ- জাতীয় নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক প্রশাসনের বিধান প্রজাতন্ত্রের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ৭ম জাতীয় সংসদে বেগম জিয়া সংসদের বিরোধীদলের নেতা ছিলেন। ৩০০ আসনের সংসদে ১১৬ টি আসন নিয়ে তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎবিরোধীদলের নেতৃত্ব দেন। মতায় কিংবা বিরোধীদলে থাকা অবস্থায়ও বেগম জিয়া জননেত্রী হিসেবে দেশের জনগণের কাছে দারুন প্রিয় এক ব্যক্তিত্ব। ১৯৯১ থেকে প্রতিটি সাধারণ নির্বাচনে তিনি পাঁচটি করে সংসদীয় আসনে নির্বাচিত হয়েছেন।
 
২০০১ সালের অক্টোবরে একটি নির্দলীয়, নিরপেক্ষতত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে এবং সারা বিশ্ব থেকে আসা নির্বাচন পর্যবেকদের পর্যবেক্ষনেঅবাধ ও নিরপেক্ষনির্বাচনের মাধ্যমে বেগম জিয়া তৃতীয়বারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। সংসদ নির্বাচনে তিনি চারদলীয় জোটের নেতৃত্ব দেন, যে জোট সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং বিভিন্ন ইস্যুতে জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টির লক্ষ্যেমধ্যপন্থা, ভিন্নমত মেনে নেওয়া, সহনশীলতা এবং উদারপন্থাররাজনীতি চালু করেছিলেন। বেগম জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপিও এ নীতিগুলোর প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ। একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণের নীতির প্রতিও দলটি অঙ্গীকারাবদ্ধ। বেগম জিয়া ও তাঁর সরকার বাংলাদেশের উদারপন্থী, সহনশীল ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজের ঐতিহ্য তুলে ধরতে কঠোর পরিশ্রম করেছেন।
 
বেগম জিয়ার সরকার একটি গতিশীল ও ইতিবাচক পররাষ্ট্রনীতি, অনুসরণ করেছে যার মূল বিষয়গুলো হচ্ছে- সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ককে উৎসাহ দেয়া, দক্ষিণএশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা, জাতিসংঘ সনদের প্রতি দৃঢ় সমর্থনের পক্ষেঅবস্থান নেয়া, বিশ্বে শান্তি ও সম্প্রীতি জোরদার করা এবং সকল আন্তর্জাতিক সম্পর্কের েেত্র শক্তি প্রয়োগের নীতি পরিহার করা। বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলেই জাতিসংঘের ব্লু হেলমেট কর্মসূচীর অধীনে আন্তর্জাতিক শান্তিরা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পায়।
 
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রমে অভ্যন্তরীন সম্পদের অংশ বেগম খালেদা জিয়ার প্রথম শাসনামলেই বৃদ্ধি পায় অথচ এর আগে স্বৈরশাসনের সময় এমনকি সরকারি কর্মচারীদের বেতন দেয়ার জন্য বিদেশ থেকে টাকা ধার করতে হতো। বেগম জিয়ার প্রথম শাসনামলেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে ওঠে। যে কারণে জাপান ও গ্রেট ব্রিটেনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ বিনিয়োগ টিম এখানে পাঠানো হয়। এর আগে এমনকি পরেও এমন উদাহরণ নেই। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, মূলত রাজপথের নেতিবাচক রাজনীতির কারণে এসব বিনিয়োগ টিমের সফর প্রত্যাশিত ফল বয়ে আনতে পারেনি। এরপরও বেগম জিয়ার প্রথম শাসনামলে শিল্পখাতে দেশী বিদেশী বিনিয়োগ ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছিলো। তার প্রথম শাসনামলেই যমুনা নদীর ওপর বাংলাদেশে এ যাবৎকালের সর্ববৃহৎনির্মাণ প্রকল্প যমুনা ব্রিজের নির্মাণ কাজ শুরু করা সম্ভব হয়েছিলো। পূর্ববর্তী শাসনামলে বন্ধ হয়ে যাওয়া বিদেশিসাহায্য পুনরায় চালু হওয়ার পর এ প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়।
 
বেগম খালেদা জিয়া ২০০৭ সালে ১/১-র জরুরি অবস্থায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কর্তৃক গ্রেফতার হন। এবং পরে মুক্তি লাভ করেন। ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি ফেনীসহ একাধিক আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তার দল ক্ষমতায় না আসায় তিনি নবম জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।
 
বেগম জিয়া ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন।পৈত্রিক নিবাস ফেনী জেলার ফুলগাজীতে।তাঁর পিতামাতার পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনি তৃতীয়। তিনি দিনাজপুর সরকারিউচ্চবালিকা বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেন। ১৯৬০ সালের আগস্টে তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানের সঙ্গে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
 
বেগম জিয়া দুই পুত্রের জননী। তাঁর তিনজন নাতনী আছে। বই পড়া, গান শোনা আর বাগান পরিচর্যা তাঁর অন্যতম শখ।






Khaleda Zia (born 15 August 1945) was the Prime Minister of Bangladesh from 1991 to 1996, the first woman in the country's history to hold that position, and then again from 2001 to 2006. She is the widow of assassinated President of Bangladesh Ziaur Rahman, and leads his old party, the Bangladesh Nationalist Party. After 35 years of independence of Bangladesh she has ruled the country for about 10 years (longest period). She has been elected to five separate parliamentary constituencies in the general elections of 1991, 1996, and 2001, a feat unachieved by any other politician in Bangladeshi history. In 2006, Forbes ranked Khaleda Zia #33 in its list of the 100 Most Powerful Women in the world.

Comments (0)        Print        Tell friend        Top


Other Articles:
ওবায়দুল কাদের
এডভোকেট প্রমোদ মানকিন
মেজর জেনারেল (অবঃ) মোঃ সুবিদ আলী ভূঁইয়া
রাশেদ খান মেনন
বানিজ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান
ড.ফজলে রাব্বী চৌধুরী :গাইবান্ধা-৩



 
  ::| Events
August 2017  
Su Mo Tu We Th Fr Sa
    1 2 3 4 5
6 7 8 9 10 11 12
13 14 15 16 17 18 19
20 21 22 23 24 25 26
27 28 29 30 31    
 
::| Hot News
Sheikh Hasina
বেগম খালেদা জিয়া

Online News Powered by: WebSoft
[Top Page]