Monday, 05.20.2019, 03:55am (GMT+6)
  Home
  FAQ
  RSS
  Links
  Site Map
  Contact
 
আবদুুল হাই মাশরেকী ছিলেন মূলসংস্কৃতির শিকড়ের আধুনিক কবি ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিল্পকলায় দুদিনব্যা ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭ তম জন্মজয়ন্তী আগামী ১ এপ্রিল ২০১৬ ; আল মুজাহিদী ; ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন
::| Keyword:       [Advance Search]
 
All News  
  গুণীজন সংবাদ
  বিপ্লবী
  ভাষা সৈনিক
  মুক্তিযোদ্ধা
  রাজনীতিবিদ
  কবি
  নাট্যকার
  লেখক
  ব্যাংকার
  ডাক্তার
  সংসদ সদস্য
  শিক্ষাবিদ
  আইনজীবি
  অর্থনীতিবিদ
  খেলোয়াড়
  গবেষক
  গণমাধ্যম
  সংগঠক
  অভিনেতা
  সঙ্গীত
  চিত্রশিল্পি
  কার্টুনিস্ট
  সাহিত্যকুঞ্জ
  ফটো গ্যাল্যারি
  কবিয়াল
  গুণীজন বচন
  তথ্য কর্ণার
  গুণীজন ফিড
  ফিউচার লিডার্স
  ::| Newsletter
Your Name:
Your Email:
 
 
 
রাজনীতিবিদ
 
শাহ এ এম এস কিবরিয়া



শাহ এ এম এস কিবরিয়া পুরো নাম শাহ আবু মোহাম্মদ শামসুল কিবরিয়া (জন্ম মে ১, ১৯৩১ - মৃত্যু ২৭ জানুয়ারি, ২০০৫) বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিবিদ এবং রাজনীতিবিদ। ১৯৫৪ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের বৈদেশিক বিভাগে যোগদান করে কিবরিয়া পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক বিষয়ক বিভাগের মহাপরিচালক হয়েছিলেন। ১৯৮১-১৯৯২ সালের মধ্যেকার সময়ে তিনি জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক কমিশন (এসকাপ)-এর প্রধান নির্বাহী ছিলেন। এছাড়াও, অর্থমন্ত্রী হিসেবে কিবরিয়া ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনা সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে এম.পি বা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
শাহ কিবরিয়া জানুয়ারি ২৭, ২০০৫ তারিখে তার নির্বাচনী এলাকা সিলেটের হবিগঞ্জে গ্রেনেড হামলায় মর্মান্তিকভাবে নিহত হন।
এস এ এম এস কিবরিয়া ১লা মে, ১৯৩১ তারিখে বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার পিতা শাহ ইমতিয়াজ আলী ছিলেন বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষা প্রসারের অগ্রদূত। কিবরিয়া শৈশবেই তীক্ষ্ণ ধী-শক্তির অধিকারী ও মেধাবী ছাত্র হিসেবে সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। ঐ বৎসরেই বাংলা ভাষা আন্দোলনে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান পুলিশ কর্তৃক তিনি গ্রেফতার হন এবং অল্পকিছুদিন পরেই মুক্তি পান। ১৯৫৩ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জনের পর পাকিস্তান সরকারের সেন্ট্রাল সুপিরিয়র সার্ভিস পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়ে পাকিস্তানে বৈদেশিক বিভাগে যোগদান করেন। কিবরিয়া আমেরিকা যুক্তরাস্ট্রের বোস্টনে ফ্লেচার স্কুল অব ল এবং যুক্তরাজ্যের লণ্ডনে ব্রিটিশ ফরিন অফিসে কূটনৈতিক সেবায় আরো দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
 কূটনৈতিক জীবন

শাহ এ এম এস কিবরিয়া পাকিস্তানের কূটনৈতিক মিশনের সদস্য হিসেবে - কলকাতা, কায়রো, জাতিসংঘ মিশন, নিউইয়র্ক, তেহরান এবং জাকার্তায় নিয়োজিত ছিলেন। এছাড়াও তিনি ইসলামাবাদের বৈদেশিকবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে এবং ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে পাকিস্তান দূতাবাসে নিযুক্ত ছিলেন। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে শাহ কিবরিয়া ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে অবস্থিত পাকিস্তান দূতাবাসে রাজনৈতিক পরামর্শদাতা হিসেবে চাকুরীরত ছিলেন। পাক দূতাবাসে কর্মরত অবস্থায় ৪ আগস্ট, ১৯৭১ইং তারিখে তিনি ও তার বাঙ্গালী সহকর্মীবৃন্দ দূতাবাস ত্যাগ করে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রতি আনুগত্য দেখান। পরে তিনি ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ মিশন তদারকী করাসহ বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠনে প্রভূত সহায়তা করেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে যুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সাফল্য ও অগ্রগতি নিয়ে নিয়মিতভাবে বুলেটিন, পুস্তিকা প্রকাশনার কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করে স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্যাপক অবদান রাখেন।

স্বাধীনতা যুদ্ধের পর শাহ এ এম এস কিবরিয়া ঢাকায় নবপ্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের বৈদেশিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন রাজনৈতিক বিষয়ক বিভাগের মহাপরিচালক হিসেবে যোগদান করেন।[৩] এছাড়াও, তিনি সচিব হিসেবে প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৩ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সরকার তাকে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং ফিজিতে হাইকমিশনার হিসেবে নিযুক্ত করে। ১৯৭৬ সালে তিনি জেনেভায় জাতিসংঘের ইউরোপীয় কার্যালয়ের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৯৭৮ সালে বৈদেশিক সচিব হিসেবে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। ১৯৭৯ সালে ৭৭-জাতি গ্রুপের প্রস্তুতি কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ম্যানিলায় আংকটাডের সভায় নির্বাচিত হন তিনি। মে ১৯৮১ থেকে মার্চ ১৯৯২ পর্যন্ত সময়কালে কিবরিয়া এসকাপের নির্বাহী সচিবের পদে অধিষ্ঠিত হন।[৪] এছাড়াও, ১৯৮৬ সালে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রতিনিধি হিসেবে কম্বোডিয়ায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন।
 রাজনৈতিক জীবন

জাতিসংঘের কার্যাবলী সম্পন্ন করে কিবরিয়া ১৯৯২ সালে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশের সেবা করার লক্ষ্যে রাজনীতিতে আগ্রহী হয়ে ঐ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে এডভাইজরী কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে যোগদান করেন। একই সময়ে কিবরিয়া জাতীয় দৈনিকগুলোতে অর্থনীতি এবং রাজনৈতিক ইস্যু সম্পর্কীয় নিবন্ধ লেখতে শুরু করেন। ১৯৯৪ সালে তিনি আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক উপদেষ্টা পদে নিযুক্ত হন। জুন ১২, ১৯৯৬ইং তারিখে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের পর তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা'র মন্ত্রী পরিষদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে যোগদান করেন। ২০০১ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত ঐ সরকারের মেয়াদকালীন সময়ে একই পদে অধিষ্ঠিত হয়ে দেশ সেবার মানসে নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে গেছেন।[৫]

১৯৯৭ সালের বার্ষিক সভায় কিবরিয়া এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (এসকাপ) চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়াও ১৯৮৮ সালে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হিসেবে অধিষ্ঠিত ছিলেন তিনি। ২০০১ সালের ১ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে শাহ এ এম এস কিবরিয়া হবিগঞ্জ-৩ নির্বাচনী এলাকা থেকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে মেম্বার অব পার্লামেন্ট (এমপি) বা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।
অর্থমন্ত্রীর মেয়াদকালে

বিশ্লেষকেরা শাহ এ এম এস কিবরিয়া'র ৫ বছরের সময়কালকে অর্থনৈতিক উন্নতি ও স্থিরতার প্রতিকৃতি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ১৯৯৬ সালের স্টক মার্কেট বা পুঁজি বাজার ধ্বসই ছিল শুধুমাত্র এর ব্যতিক্রম ঘটনা।[৬] ১৯৯৬ থেকে ২০০১ এর সময়কালে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো জিডিপি'র গড় ৫.৮৩%-এ উন্নীত হয়। মুদ্রাস্ফীতির গড় হার ৫%-এর নীচে নেমে যায়। জুন ২০০১ সালে মুদ্রাস্ফীতির গড় হার ছিল ১.৫৩%। ১৯৯৫-১৯৯৬ অর্থবছরের ৩,৮৮৪ মিলিয়ন ডলারের স্থলে ২০০০-২০০১ অর্থবছরে ৬,৪৭৭ মিলিয়ন ডলারের পণ্যসামগ্রী বিদেশে রপ্তানী করা হয়। সামাজিক অবকাঠামো হিসেবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি খাতে ২০০০-২০০১ অর্থবছরে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়ে ২৪.৭% হয়, যেখানে ১৯৯৫-১৯৯৬ অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ২১.০২%। ৫ বছর মেয়াদে আওয়ামী লীগের আমলে জাতীয় সঞ্চয়ের হার ২০.১৭% থেকে ২৩.৭৮% হয়। একইভাবে বিনিয়োগের হার ১৯.৯৯% থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২৩.৬৩% হয়। বাহ্যিক অর্থনৈতিক অবকাঠামো আরো উন্নত এবং আধুনিকায়ণ হয়। বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ ২,১০৫ মেগাওয়াট থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩,৬০০ মেগাওয়াটে রূপান্তরিত হয়। চাউল এবং আটা উৎপাদন যেখানে ১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরে ছিল ১৯০.৬ মিলিয়ন মেট্রিক টন; সেখানে ২০০০-২০০১ অর্থবছরে উৎপাদন দাঁড়ায় ২৬৪.৯১ মিলিয়ন মেট্রিক টন। এ উৎপাদনের ফলেই বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরবর্তীকালে প্রথমবারের মতো খাদ্যে স্বয়ং-সম্পূর্ণতা অর্জনে সক্ষম হয়।

বাংলাদেশীদের গড় আয়ু ৫৮.৭ বছর থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০০০-২০০১ অর্থবছরে ৬১.৮ বছরে পৌঁছে। অর্থমন্ত্রী থাকাবস্থায় শাহ কিবরিয়া'র আমলে গ্রামীণ এলাকায় মাথাপিছু খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ ২,২০৬.১ কিলোক্যালরী থেকে ২,২৭৪.২ কিলোক্যালরী এবং শহরাঞ্চলে ২,২২০.২ কিলোক্যালরী থেকে ২,২৮৩.২ কিলোক্যালরী হয়। শিক্ষিতের হার যেখানে ১৫ বছর বয়সীদের ঊর্ধ্বে ছিল ৪৭.৩ শতাংশ; সেখানে ২০০০ সালে ৬৪ শতাংশে দাঁড়ায়। শিশু মৃত্যুর হার যেখানে ১৯৯৫-৯৬ সালে ছিল প্রতি হাজারে ৬৭ জন, সেখানে ১৯৯৮ সালে তা ৫৭ জনে নেমে আসে।
 হত্যাকাণ্ড

২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি তারিখ বিকেলে শাহ এ এম এস কিবরিয়া হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক রাজনৈতিক জনসভায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বক্তৃতা শেষ করে স্কুল গেট দিয়ে বের হয়ে আসার সময় তাকে লক্ষ্য করে দ্রুত দু'টি আর্জেস গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়।[৭] ঘটনাস্থলেই তিনি ও তার ভাইপো-সহ তিন সহযোগী ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। কিবরিয়াকে প্রথমে হবিগঞ্জ এবং মাধবপুরে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু ডাক্তারের অনুপস্থিতি এবং চিকিৎসা সামগ্রীর অপ্রতুলতার জন্য তার কোন চিকিৎসা করা যায়নি। পরবর্তীকালে তাকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৬৫ মাইল দূরবর্তী ঢাকা'র বারডেম হাসপাতালে নেয়া হয়। এ্যাম্বুলেন্স সহযোগে বারডেম হাসপাতালে শাহ কিবরিয়াকে নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।[৮]

শাহ কিবরিয়া'র হত্যাকাণ্ডে হবিগঞ্জের নিরাপত্তা বাহিনী, সরকারী কর্মকর্তাসহ চিকিৎসকদের ভূমিকায় ব্যাপক সমালোচনা হয় ও প্রশ্নবিদ্ধ করে। কিবরিয়া'র দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সরকার-বিরোধী আন্দোলন ও দেশব্যাপী হরতালের ডাক দেয়।[৯] কিবরিয়া'র পরিবার ঢাকায় এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত বিচারের দাবীতে সন্ত্রাসবিরোধী আন্দোলন করে।[১০] ২১ মার্চ, ২০০৫ তারিখে বাংলাদেশ পুলিশ হবিগঞ্জে বোমা হামলার অভিযোগে ১০ ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিল করে। কিবরিয়া'র বিধবা স্ত্রী এ চার্জশীটের বৈধতা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলেন ও প্রকৃত দোষীদেরকে রক্ষা করা হচ্ছে বলে জানান।[১১]
লিখিত বই-পুস্তকাদি

শাহ কিবরিয়া নিয়মিতভাবে জাতীয় দৈনিকগুলোতে অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক বিষয়ক নিবন্ধ রচনা করে গেছেন। এছাড়াও, তিনি সাপ্তাহিক মৃদু ভাষণ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং সম্পাদক ছিলেন। কিবরিয়া ৪টি বই রচনা করছেন।

    * মৃদু ভাষণ, ১৯৯৭, আইএসবিন: ৯৮৪-০৫-০১৮৩-৬
    * দি ইমার্জিং নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার, ইংরেজী, ১৯৯৯, আইএসবিন: ৯৮৪-০৫-১৪৭০-৯
    * বাংলাদেশ এট দ্য ক্রসরোডস্‌, ইংরেজী, ১৯৯৯, আইএসবিন: ৯৮৪-০৫-১৪৬৩-৬
    * চিত্ত যেথা ভয়শূণ্য

ব্যক্তিগত জীবন

মৃদুভাষী ব্যক্তিসত্তার অধিকারী, পরিশীলিত ও মার্জিত ভদ্রলোক হিসেবে সামাজিকভাবে ভীষণ জনপ্রিয় ছিলেন শাহ এ এম এস কিবরিয়া। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার সততা, বিনয়তা, শিষ্টতা ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গী উচ্চভাবে সম্মানীয় রাজনীতিবিদ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। কিবরিয়া'র পুত্র ড. রেজা কিবরিয়া একজন স্বনামখ্যান অর্থনীতিবিদ এবং কন্যা ড. নাজলী কিবরিয়া বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তার সহধর্মিনী আসমা কিবরিয়া ব্যক্তিগত জীবনে একজন চিত্রকর।

Comments (0)        Print        Tell friend        Top


Other Articles:
কমরেড মণি সিংহ
কর্ণেল (অবঃ) অলি আহমেদ বীর বিক্রম
এম সাইফুর রহমান
ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ
খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন
আবদুল মান্নান ভূঁইয়া
লুৎফর রহমান
মো: খালেদ



 
  ::| Events
May 2019  
Su Mo Tu We Th Fr Sa
      1 2 3 4
5 6 7 8 9 10 11
12 13 14 15 16 17 18
19 20 21 22 23 24 25
26 27 28 29 30 31  
 
::| Hot News
শের-এ-বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক
ব্যারিষ্টার সৈয়দ কামরুল ইসলাম মোহাম্মদ সালেহ্‌উদ্দিন
মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বীর প্রতীক
হাজী মোহাম্মদ দানেশ
সিরাজুল আলম খান
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
হবীবুল্লাহ বাহার
আবদুল হামিদ খান ভাসানী

Online News Powered by: WebSoft
[Top Page]