Monday, 05.20.2019, 03:57am (GMT+6)
  Home
  FAQ
  RSS
  Links
  Site Map
  Contact
 
আবদুুল হাই মাশরেকী ছিলেন মূলসংস্কৃতির শিকড়ের আধুনিক কবি ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিল্পকলায় দুদিনব্যা ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭ তম জন্মজয়ন্তী আগামী ১ এপ্রিল ২০১৬ ; আল মুজাহিদী ; ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন
::| Keyword:       [Advance Search]
 
All News  
  গুণীজন সংবাদ
  বিপ্লবী
  ভাষা সৈনিক
  মুক্তিযোদ্ধা
  রাজনীতিবিদ
  কবি
  নাট্যকার
  লেখক
  ব্যাংকার
  ডাক্তার
  সংসদ সদস্য
  শিক্ষাবিদ
  আইনজীবি
  অর্থনীতিবিদ
  খেলোয়াড়
  গবেষক
  গণমাধ্যম
  সংগঠক
  অভিনেতা
  সঙ্গীত
  চিত্রশিল্পি
  কার্টুনিস্ট
  সাহিত্যকুঞ্জ
  ফটো গ্যাল্যারি
  কবিয়াল
  গুণীজন বচন
  তথ্য কর্ণার
  গুণীজন ফিড
  ফিউচার লিডার্স
  ::| Newsletter
Your Name:
Your Email:
 
 
 
রাজনীতিবিদ
 
খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন




 ১৯৩৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর উপজেলার খিরাইপাচুড়িয়া গ্রামে জন্ম নেন খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। তারা ছিলেন ৪ ভাই ও ২ বোন।

খোন্দকার দেলোয়ার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে মাস্টার্স করেন। পাশাপাশি তিনি আইন বিষয়েও পড়াশোনা করেন। সাফল্যের সঙ্গে পাশ করেন এলএলবি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ হলের আবাসিক ছাত্র হিসেবে মহান ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন খোন্দকার দেলোয়ার। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিলে অংশ  নেন তিনি। ওই মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন রফিক, ছালাম, বরকতসহ আরও তাজা প্রাণ। ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন ও আন্দোলন সংগঠনের কাজে এবং আন্দোলনের পক্ষে জনসমর্থন আদায়ে ব্যাপক তৎপরতার জন্য তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন। কর্মজীবনে তিনি সিলেট মুরারীচাঁদ কলেজে অর্থনীতি বিভাগে অধ্যাপনা, মানিকগঞ্জের খোন্দকার নুরুল হোসেন ল একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ছিলেন। প্রতিষ্ঠা করেন খোন্দাকার দেলোয়ার হোসেন কলেজ ও পাচুরিয়া মসজিদ ও মাদ্রাসা। মানিকগঞ্জের ঘিওর-দৌলতপুর নির্বাচনী এলাকা থেকে দ্বিতীয়, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন দেলোয়ার হোসেন। তিনি পার্লামেন্ট মেম্বারস ক্লাবের দু’বার সভাপতি ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সদস্য ছিলেন। ৫ম, ৬ষ্ঠ ও অষ্টম জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও সপ্তম জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ছিলেন। ১৯৫৭ সালে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)-এ যোগ দেন এবং এর মাধ্যমেই আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন খোন্দকার দেলোয়ার। ১৯৫৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের সেনাশাসক আইউব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের পক্ষে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেন। ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কম্বাইন্ড অপোজিশন (কপ)’র প্রার্থী মিস ফাতেমা জিন্নার পক্ষে মানিকগঞ্জ মহাকুমার চিফ ইলেকশন এজেন্ট ছিলেন। পরে ইয়াহিয়ার সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে পালন করেন সক্রিয় ভূমিকা। ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেন। ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সংগ্রামে যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসাবে সক্রিয় যুদ্ধে যোগ দেন তিনি। ২৫ মার্চ রাতে হত্যাযজ্ঞ ও ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে মানিকগঞ্জে যে বিপ্লবী কমান্ড কাউন্সিল গঠিত হয় তিনি ছিলেন তার অন্যতম সদস্য।

 খোন্দকার দেলোয়ার মানিকগঞ্জ আইনজীবী সমিতির ৫ বার নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন। ১৯৭৯-৮২ সালে বাংলাদেশ কো-অপারেটিভ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০২ সালে সস্ত্রীক হজ পালন করেন দেলোয়ার হোসেন। একই সালে লন্ডনে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনে কনফারেন্সে যোগ দেন। ওই বছরই মরক্কোর মারাকাসে আইপিইউর ১০৭ তম কনফারেন্সে যোগ দেন করেন। একই সালে তিনি টোকিওতে জনসংখ্যা ও উন্নয়ন সম্পর্কিত এশিয়ান পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের ১৮তম সম্মেলনে যোগ দেন। ২০০২ সালে ব্রিটিশ হাউজ অব কমন্স ও লর্ডস-এ ৮ সদস্য বিশিষ্ট সংসদীয় দলের নেতা হিসেবে ও একই বছর আইপিইউর বিশেষ অধিবেশনে ৫ সদস্য বিশিষ্ট সংসদীয় দলের নেতা হিসেবে যোগ দেন। ২০০৩ সালে সংসদীয় দলের নেতা হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি, ক্যানবেরা, মেলবোর্ন, ডারউইন ও পার্থ ভ্রমণ করেন। একই বছর আইপিইউর জেনেভায় অনুষ্ঠিত বিশেষ অধিবেশনে জাতীয় সংসদের প্রতিনিধি হিসেবে ও ঢাকায় অনুষ্ঠিত সিপিএর ৪৯ তম সম্মেলনে বাংলাদেশ সংসদীয় ডেলিগেশনের নেতা হিসেবে যোগ দেন। ২০০৪ সালে মেক্সিকোতে আইপিইউর ১১০তম সম্মেলনে বাংলাদেশ সংসদীয় দলের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন। একই বছর ইংল্যান্ডের উইলটন পার্ক সম্মেলনে যোগ দেন। একই বছর কানাডায় অনুষ্ঠিত ৩৫তম সিপিএর ৫০তম অধিবেশনে সংসদীয় দলের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন। ২০০৫ সালে ম্যানিলায় আইপিইউর ১১২তম অধিবেশনে ও একই বছর চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের আমন্ত্রণে সংসদীয় দলের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন। একই বছর কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে এশিয়ান জাতি সমূহের মানবাধিকার সংক্রান্ত ড্রাফটস কমিটির সম্মেলনে সংসদীয় দলের নেতা হিসেবে যোগ দেন। একই বছর ফিজিতে সিপিএর ৫১তম অধিবেশনে ডেলিগেট হিসেবে যোগ দেন। ২০০৫ সালে ভারতে দিল্লিতে সিপিএর ভারত ও এশিয়া অঞ্চলের প্রতিনিধি সম্মেলনে বাংলাদেশের ডেলিগেশন নেতা হিসেবে যোগ দেন। ২০০৬ সালে লন্ডনের ব্রিটিশ পার্লামেন্টে প্রাইভেট মেম্বার্স বিল কমিটির কর্ম পদ্ধতি সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য ওই কমিটির সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পার্লামেন্ট অধিবেশন কালে কার্যপদ্ধতি অবলোকন করেন।
খোন্দকার দেলোয়ার ১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত জাগো দলে যোগদানের মধ্য দিয়ে বিএনপির রাজনীতি শুরু করেন। তিনি দীর্ঘদিন বিএনপির স্থায়ী কমিটির দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া গ্রেপ্তার হওয়ার সময় খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনকে মহাসচিবের দায়িত্ব দেন। তিনি জাগো দলের প্রথম ৭১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন।
পরে ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলে তাকে পুনরায় মহাসচিবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বিএনপি মহাসচিব গত ২২ ফেব্রুয়ারি অসুস্থ হওয়ার পর তাকে মডার্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৩ মার্চ তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে স্কয়ার হাসপাতালের আইসিউতে স্থান্তান্তর করা হয়। রাতে তার অবস্থার অবনতি হলে পরের দিন ৪ মার্চ রাতে তাকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কয়েক দিন চিকিৎসা দেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাকে গতকাল মঙ্গলবার আইসিইউ থেকে কেবিনে নেওয়া হয়। বুধবার ভোরে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। বাংলাদেশ সময় দুপুর আড়াইটায় তিনি ইন্তেকাল করেন।
মৃত্যুকালে খোন্দকার দেলোয়ার তার স্ত্রী, চার ছেলে ও দু মেয়ে ছাড়াও অসংখ্য রাজনৈতিক সহকর্মী, অনুগামী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার বড় ছেলে ড. খোন্দকার আকবর হোসেন এমএসসি পিএইচডি, সহ-অধ্যাপক বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। মেঝ ছেলে খোন্দকার আকতার হোসেন জসলু। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত। সেঝ ছেলে খোন্দকার আবদুল হামিদ ডাবলু। সুপ্রিম কোর্টেও আইনজীবী। তিনি বর্তমানে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন। ছোট ছেলে খোন্দকার আকতার হামিদ পবন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ পড়ছেন। বড় মেয়ে ডাক্তার আকতারা খাতুন লুনা বারডেম হাসপাতালে কর্মরত। ছোট মেয়ে ডা. দেলোয়ারা বেগম পান্না বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত। 

Comments (0)        Print        Tell friend        Top


Other Articles:
আবদুল মান্নান ভূঁইয়া
লুৎফর রহমান
মো: খালেদ



 
  ::| Events
May 2019  
Su Mo Tu We Th Fr Sa
      1 2 3 4
5 6 7 8 9 10 11
12 13 14 15 16 17 18
19 20 21 22 23 24 25
26 27 28 29 30 31  
 
::| Hot News
শের-এ-বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক
ব্যারিষ্টার সৈয়দ কামরুল ইসলাম মোহাম্মদ সালেহ্‌উদ্দিন
মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বীর প্রতীক
হাজী মোহাম্মদ দানেশ
সিরাজুল আলম খান
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
হবীবুল্লাহ বাহার
আবদুল হামিদ খান ভাসানী

Online News Powered by: WebSoft
[Top Page]