Tuesday, 01.22.2019, 09:29am (GMT+6)
  Home
  FAQ
  RSS
  Links
  Site Map
  Contact
 
আবদুুল হাই মাশরেকী ছিলেন মূলসংস্কৃতির শিকড়ের আধুনিক কবি ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিল্পকলায় দুদিনব্যা ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭ তম জন্মজয়ন্তী আগামী ১ এপ্রিল ২০১৬ ; আল মুজাহিদী ; ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন
::| Keyword:       [Advance Search]
 
All News  
  গুণীজন সংবাদ
  বিপ্লবী
  ভাষা সৈনিক
  মুক্তিযোদ্ধা
  রাজনীতিবিদ
  কবি
  নাট্যকার
  লেখক
  ব্যাংকার
  ডাক্তার
  সংসদ সদস্য
  শিক্ষাবিদ
  আইনজীবি
  অর্থনীতিবিদ
  খেলোয়াড়
  গবেষক
  গণমাধ্যম
  সংগঠক
  অভিনেতা
  সঙ্গীত
  চিত্রশিল্পি
  কার্টুনিস্ট
  সাহিত্যকুঞ্জ
  ফটো গ্যাল্যারি
  কবিয়াল
  গুণীজন বচন
  তথ্য কর্ণার
  গুণীজন ফিড
  ফিউচার লিডার্স
  ::| Newsletter
Your Name:
Your Email:
 
 
 
রাজনীতিবিদ
 
রাজু আহ্‌মেদ



রাজু আহ্‌মেদ-’৯০ এর গণঅভ্যূত্থানে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা

রাজনৈতিক
জীবন বৃত্তান্ত:

সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্র কেন্দ্র
’৯০ এর গণঅভ্যূত্থানে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা।

১.     সংক্ষিপ্ত নাম (বহুল পরিচিত)   :    রাজু আহ্‌মেদ    
২.     পূর্ণাঙ্গ নাম   :    জলিল রাজু আহ্‌মেদ    
৩.     জন্ম    :    ১৯৬৬ সনের ১১ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার
                      উলানিয়া- পাতাবুনিয়া গ্রামে।     
৪.     পিতার নাম   :    জনাব আবদুল বারেক ফরাজী    
৫.     মাতার নাম   :    মরহুমা জয়নব বিবি    
৬.     স'ায়ী ঠিকানা   : গ্রাম- উলানিয়া, ডাকঘর- রতনদী তালতলী,     
                             উপজেলা- গলাচিপা, জেলা- পটুয়াখালী, বাংলাদেশ।     
৭.     বর্তমান/যোগাযোগের ঠিকানা: বাড়ী নং-১৭, রোড নং-৮, ব্লক- জে,
                                         বারিধারা, বাড্ডা, ঢাকা। 

৮.     পড়াশুনা   :
           ১৯৭৫ সনে রতনদী তালতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৫ম শ্রেণী।    
           ১৯৮১ সনে গলাচিপা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এস.এস.সি।    
           ১৯৮৪ সনে সিলেট সরকারী কলেজ (এম. সি কলেজ) থেকে বিজ্ঞান
           বিভাগে এইচ.এস.সি।    
           ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগে অনার্স-এ ভর্তি এবং     
           ১৯৮৮ সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৱাতক ডিগ্রী অর্জন করেন।    
                

৯।    জীবিকাঃ গবেষনা, কনসালট্যান্ট, ব্যবসা।
                 রাজনীতি ও উন্নয়ন চিন-া বিষয়ক গবেষনা প্রতিষ্ঠান পিডিআই বাংলাদেশ ( PDI Bangladesh- Politics & Development Ideas in Bangladesh ) এর প্রধান নির্বাহী।


১০। পেশা : রাজনীতি।

রাজনৈতিক বিবরণঃ
সাবেক সভাপতি,
বাংলাদেশ ছাত্রকেন্দ্র (পরিবর্তিত গণতান্ত্রিক ছাত্র কেন্দ্র)- ১৯৯০-১৯৯৬
কেন্দ্রীয় নেতা,
সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য- ১৯৯০
কেন্দ্রীয় নেতা,
সামপ্রদায়িকতা বিরোধী ছাত্রসমাজ- ১৯৯২

কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠাতা সদস্য
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস-বায়ন ও একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটি-১৯৯২
প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিবঃ
বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস-ান পিপলস ফোরাম, বাংলাদেশ চ্যাপটার (২০০৪-২০০৮)।
এই সংগঠনের ভারত চ্যাপটার এর উদ্যোক্তা ভারতীয় ফরওয়ার্ড ব্লক এর সাধারণ সম্পাদক জনাব দেবব্রত বিশ্বাস এমপি এবং মানিক সমাজদার।
বাংলাদেশ চ্যাপটারের উদ্যোক্তা ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা আবুল হোসেন এবং সাবেক ছাত্রনেতা  রাজু আহ্‌মেদ, ইঞ্জিনিয়ার শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, সুবল সরকার এবং বর্তমানে ক্রীয়াশীল আছেন মঈনুদ্দীন খাঁন বাদল এমপি।
সাধারণ সম্পাদকঃ বেঙ্গলী ইন্টারন্যাশনাল (আন-র্জাতিক বাঙালীদের সংগঠন), বাংলাদেশ চ্যাপ্টার।
প্রধান নির্বাহীঃ
পিডিআই বাংলাদেশ (চউও ইধহমষধফবংয- চড়ষরঃরপং ্‌ উবাবষড়ঢ়সবহঃ ওফবধং রহ ইধহমষধফবংয)।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতা- ১৯৯৬
-বাংলাদেশ ছাত্র কেন্দ্রের সাবেক সভাপতি ও ’৯০ এর গণ আন্দোলনে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা রাজু আহ্‌মেদ, জাসদ ছাত্র লীগ-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ’৯০ এর গণঅভূত্থানের অন্যতম কেন্দ্রীয় নেতা শফি আহমেদ, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ডাঃ সরদার ফারুকের ৫ শতাধিক নেতাকর্মীসহ ১৯৯৬ সনের ১৩ই আগস্ট বিকেল ৩টা বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে এক সমাবেশে তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক বর্তমান রাষ্ট্রপতি জনাব জিল্লুর রহমান এবং তৎকালীন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পরবর্তিতে সাধারণ সম্পাদক জনাব আব্দুল জলিল এর কাছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এ যোগদান এর মাধ্যমে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এ যোগদানের প্রেক্ষাপটঃ
বাংলা ভাষাভিত্তিক বাঙালি জাতি ও জাতীয়তা এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদ ভিত্তিক স্বাধীন স্বতন্ত্র জাতি রাষ্ট্রচিন-ার দার্শনিক নেতা এবং বাংলাদেশের স'পতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু মুজিব যার নেতৃত্বে ১৯৭১ সনে এক ঐতিহাসিক মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ পৃথিবীর মানচিত্রে তার লাল সবুজের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে প্রকাশ করেছে স্বাধীনতার মাথা উচু করে দাড়াবার; ত্রিশ লক্ষ শহীদ আর তিন লক্ষ মা- বোনের চোখের জল আর সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন ধর্মনিরপেক্ষ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে বিকশিত বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বিচ্যুত ও সমাজতান্ত্রিক প্রগতিশীল রাজনীতির অবগাহনের সুযোগে সেনা ছাউনী থেকে আগত এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত পাকিস-ান রাষ্ট্রের দালাল, বাংলাদেশের আদর্শবিরোধী জামাত- বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন বিকাশমান প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতির প্রবাহ থেকে বাঙ্গালীর জাতি রাষ্ট্রের পবিত্র সংবিধান- স্বাধীনতা- সার্বভৌমত্ব আর প্রিয় জনগণের অধিকার বাস-বায়নের পক্ষে প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক চেতনা সমুন্নত রেখে এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু মুজিবের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যকে সামনে রেখে তারই রাজনৈতিক আদর্শ ও রক্তের উত্তরাধিকার গণতন্ত্রের মাসনকন্যা, ডটার অব পিস, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সংগ্রামী সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতন্ত্র, ভোট ও ভাতের অধিকার সহ ক্ষুধা, দরিদ্র, সন্ত্রাস, সামপ্রদায়িকতা, জঙ্গীবাদ, যুদ্ধাপরাধ মুক্ত, সমৃদ্ধ মধ্য আয়ের আধুনিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার পথে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার অভিপ্রায়ে ১৯৯৬ সনের ১৩ আগস্ট বিকেল ৩টা বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে এক সমাবেশে ছাত্রকেন্দ্রের সাবেক সভাপতি, ’৯০ এর সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা রাজু আহ্‌মেদ ’৯০ এর গণঅভূত্থানের অন্যতম কেন্দ্রীয় নেতা জাসদ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফি আহমেদ বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ডাঃ সরদার ফারুক এবং ৫ শতাধিক নেতা-কর্মী সহ জননেতা জিল্লুর রহমান এবং আবদুল জলিল এর কাছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। তিনি দেশ ও জনগণের সেবা করার মাধ্যম হিসেবে রাজনীতিকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
১১।    রাজনীতি ও সংগঠনঃ
    ১৯৮২ সনের ২৪শে মার্চ এরশাদের সামরিক শাসনের প্রতিবাদে গড়ে ওঠা প্রগতিশীল ১৪টি ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে ছাত্র আন্দোলনে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি মিজানুর রহমান মানুর নেতৃত্ত্বাধীন বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন- সিলেট সরকারী কলেজ (এম.সি কলেজ) এর সংগঠক হিসেবে ছাত্র রাজনীতির শুভ সুচনা করেন। শোষণমুক্ত শ্রেণীহীন সমাজতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণে মার্কসবাদী আদর্শের সমান-রালে অঙ্গাঅঙ্গীভাবে জড়িয়ে ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদ, জয় বাঙলা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মুজিবের স্বপ্নের সোনার বাংলা আর শোষন মুক্তির সংগ্রামী চেতনা।
    ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে টানা ১৯৮৮ সন পর্যন- বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন (পরিবর্তিত গণতান্ত্রিক ছাত্র ইউনিয়ন) এর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির যথাক্রমে- সংগঠক, সমন্বয়ক, পাঠচক্র সমন্বয়ক এবং জাতীয় কমিটির সদস্য হিসেবে সামরিক স্বৈরাচার এর বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ এর সকল কর্মসূচীতে সক্রিয় ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।
    ১৯৮৭ সনে মিরপুর শাখা বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি পূর্ণাঙ্গ সদস্য পদ অর্জন করেন।
    ১৯৮৮ সনের শেষ দিকে সমাজতন্ত্রের লক্ষ্যে বিপ্লবী রাজনীতি চর্চা করতে গিয়ে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনীতি ও রনকৌশল ও পার্টি সংগঠন এর গঠন প্রক্রিয়া এবং প্রাকটিক্যাল প্রাকটিছ এর সাথে ভিন্নমত পোষন করে একযোগে বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন (পরিবর্তিত গণতান্ত্রিক ছাত্র ইউনিয়ন) এবং বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির স্ব-পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
   ১৯৯০ সনে শোষনহীন সমাজতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস'ার বিপ্লবী চেতনা ধারন করে আবারো বিপ্লবী পার্টি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নব-গঠিত স্বাধীন ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং ডাকসুর জি. এস মুশতাক হোসেন এর নেতৃত্বাধীন বামপন'ী ৯ ছাত্র সংগঠনের জোটে কেন্দ্রীয় সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেন।
    ১৯৯০ সনের ২৪শে জুন ডাকসু ভবনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাত্র কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচিত হন এবং বামপন'ী ৯ ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
    ১৯৯০ সনের ১০ই অক্টোবর এরশাদ সামরিক সৈরাচার এর পতনের লক্ষ্যে ৮ দল, ৭ দল, ৫ দল এই তিন জোটের আহ্বানে ঢাকা অবরোধ কর্মসূচী পালন করতে গিয়ে ক্ষমতাসীন এরশাদ সামরিক স্বৈরাচার এর পেটোয়া বাহিনীর গুলিতে নিহত সিরাজগঞ্জের উল্লাপড়া কলেজ ছাত্র শহীদ জেহাদ এর লাশ ছুঁয়ে শপথ নিয়ে দেশের সকল ছাত্রসংগঠনের নেতৃত্বে (ইসলামী ছাত্রশিবির ব্যতিত) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে সমবেত ছাত্র জনতার উত্তাল সমাবেশে গড়ে ওঠে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য। সমাবেশে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তাদের ভাষনে এরাশাদ সামরিক স্বৈরাচার এর পতন না হওয়া পর্যন- ছাত্র সমাজ বাংলাদেশের রাজপথ না ছাড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। অঙ্গীকারে অবিচল সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সেদিন তাদের অঙ্গীকার থেকে পিছ পাঁ হননি। সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের অন্যতম রাজু আহ্‌মেদ বাংলাদেশ ছাত্র কেন্দ্রের সভাপতি হয়েই সেদিন পতনে বাধ্য করেছিলেন এরশাদ সামরিক স্বৈরাচার।
    ১৯৮২-৯০ নয় বছরে এরশাদ সামরিক স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে গড়ে ওঠা এবং সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য প্রণীত ছাত্র সমাজের রক্তস্রাত ১০ দফা বাস-বায়নের লক্ষকে সামনে রেখে ’৯১ সালে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরকার বরাবর বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ অভিমুখে আয়োজিত সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠানে বি.এন.পি সমর্থিত ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্র দলের বাঁধ-সাধাকে কেন্দ্র করে আকস্মিক বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কার্যালয়ে আয়োজিত এক ঘরোয়া আনুষ্ঠানিক সভায় সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য ভেঙ্গে পড়ে। স'বির হয়ে পড়ে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলন।
    গণতন্ত্রের লক্ষ্যে পরিচালিত সামরিক স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের নিহত জাফর, জয়নাল, মোজাম্মেল, সেলিম, দেলোয়ার, দীপালী সাহা, তাজুল, রাউফুন বসুনিয়া, শাজাহান সিরাজ, বাবুল, ফাত্তাহ্‌, সবুজ, নূর হোসেন, জেহাদ, ডাঃ মিলন সহ শত শহীদের রক্তের সিড়ি ভেঙ্গে গড়ে ওঠা সফল ছাত্র-গণআন্দোলন- গণঅভ্যূত্থানের চেতনা হোচটা খায় আবারো, মুখ থুবরে পড়ে পতিত সেনা ছাউনী থেকে আগত এক সামরিক শাসক এর দম্ভ, অর্থ ও পেশিশক্তির সমন্বয়ে গঠিত রাজাকার যুদ্ধাপরাধীদের তল্পীবাহক বি.এন.পি’র প্রতিক্রিয়াশীল ভুমিকার কাছে। তারপরও জনগণের অধিকার বাস-বায়ন এর আন্দোলন থেকে পিছ পাঁ হননি রাজু আহ্‌মেদ, রাজনীতি থেকে সরে যাননি এবং আত্মসমর্পন কিংবা মাথা নত করেননি অশুভ শক্তির কাছে।
    ১৯৯১ সনের  ৭ই ফেব্রুয়ারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রগতিশীল আর এক ছাত্র সংগঠন গণতান্ত্রিক ছাত্র একতা’র সাথে বাংলাদেশ ছাত্র কেন্দ্র একীভূত হয়ে গণতান্ত্রিক ছাত্র কেন্দ্র গঠন করেন। এ সময়ে রাজু আহ্‌মেদ ছাত্র কেন্দ্রের সিনিয়র যুগ্ম  আহ্বায়ক নির্বাচিত হন। পরবর্তিতে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক এবং ’৯৪ সনে দ্বিতীয়বার আহ্বায়ক তথা সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
    ১৯৯২ সনে রাজু আহ্‌মেদ কুখ্যাত রাজাকার গোলাম আযমের বিচারের লক্ষ্যে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত গণআদালত অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস-বায়ন ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা কেন্দ্রীয় সদস্য ছিলেন।
    ১৯৯২ সনে একই দাবীতে ছাত্রগণ আন্দোলন জোরদার করার লক্ষ্যে তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল ছাত্র সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ করে “সামপ্রদায়িক বিরোধী ছাত্র সমাজ” সংগঠিত করার ক্ষেত্রে পাইওনিয়ারের ভূমিকা পালন করেন।
     ১৯৯৬ সনের ১৩ই আগস্ট জননেতা জিল্লুর রহমান বর্তমানে রাষ্ট্রপতি এবং জননেতা আবদুল জলিল এর কাছে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা রাজু আহ্‌মেদ, সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের আরেক কেন্দ্রীয় নেতা শফি আহমেদ, ডাঃ সরদার ফারুক ৫ শতাধিক নেতাকর্মীসহ আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।

 ১২.    রেফারেন্সঃ               
(ক)    রাজনৈতিক-সাংগঠনিক    ঃ    ১)    অসীম কুমার উকিল উপ-প্রচার সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্য্য নির্বাহী সংসদ এবং ’৯০ এর গণঅভূত্থানে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ,  ঢাকা।  মোবাইলঃ ০১৭১৫-১১০৪৩৩।    
            ২)    মইনুদ্দীন হাসান চৌধুরী সাবেক সভাপতি  বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এবং  কেন্দ্রীয় নেতা, সামপ্রদায়িকতা বিরোধী ছাত্রসমাজ-১৯৯২ কেন্দ্রীয় সংসদ মোবাইলঃ ০১৭১৩-১২১৭০৪।    
            ৩)    ইকবালুর রহিম এমপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় সংসদ এবং কেন্দ্রীয় নেতা, সামপ্রদায়িকতা বিরোধী ছাত্রসমাজ-১৯৯২ মোবাইলঃ ০১৯৭১-১৮৬’৯০৮৬।     
(খ)    পারিবারিক    ঃ    ১)    ডাঃ জালাল আহ্‌মেদ (সম্পর্কে সহোদর) প্রিন্সিপাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজী (আইএইচটি) মহাখালী, ঢাকা। মোবাইলঃ ০১৭১৩-০১৭১৭২।   
            ২)    প্রফেসর মোস-ফা কামাল উদ্দীন (সম্পর্কে- কাজিন) চেয়ারম্যান ন্যাশনাল কারিকুলাম ও টেক্সট বুক বোর্ড মতিঝিল, ঢাকা। মোবাইলঃ ০১৭২১-২৮০৩৬৩।   
            ৩)    ডাঃ আব্দুস সালাম (সম্পর্কে- মামা) সাবেক স্বাস'্য, জনসংখ্যা ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ঢাকা মহানগর, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মোবাইলঃ ০১৭২১-২৮০৩৬৩।     
(গ)    রিকগনিশন টু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ        ১)    জনাব জিল্লুর রহমান তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক (বর্তমানে মাননীয় রাষ্ট্রপতি), বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।    
            ২)    জনাব আবদুল জলিল  তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পরবর্তিতে সাধারণ সম্পাদক,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।    



Comments (0)        Print        Tell friend        Top


Other Articles:
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
হবীবুল্লাহ বাহার
আবদুল হামিদ খান ভাসানী
হুমায়ুন কবির
আহসানউল্লাহ মাস্টার
হাজী মোহাম্মদ দানেশ
মোহাম্মদ হানিফ
শাহ এ এম এস কিবরিয়া
কমরেড মণি সিংহ
কর্ণেল (অবঃ) অলি আহমেদ বীর বিক্রম



 
  ::| Events
January 2019  
Su Mo Tu We Th Fr Sa
    1 2 3 4 5
6 7 8 9 10 11 12
13 14 15 16 17 18 19
20 21 22 23 24 25 26
27 28 29 30 31    
 
::| Hot News
শের-এ-বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক
ব্যারিষ্টার সৈয়দ কামরুল ইসলাম মোহাম্মদ সালেহ্‌উদ্দিন
মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বীর প্রতীক
হাজী মোহাম্মদ দানেশ
সিরাজুল আলম খান
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
হবীবুল্লাহ বাহার
আবদুল হামিদ খান ভাসানী

Online News Powered by: WebSoft
[Top Page]