Tuesday, 08.22.2017, 01:16pm (GMT+6)
  Home
  FAQ
  RSS
  Links
  Site Map
  Contact
 
আবদুুল হাই মাশরেকী ছিলেন মূলসংস্কৃতির শিকড়ের আধুনিক কবি ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিল্পকলায় দুদিনব্যা ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭ তম জন্মজয়ন্তী আগামী ১ এপ্রিল ২০১৬ ; আল মুজাহিদী ; ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন
::| Keyword:       [Advance Search]
 
All News  
  গুণীজন সংবাদ
  বিপ্লবী
  ভাষা সৈনিক
  মুক্তিযোদ্ধা
  রাজনীতিবিদ
  কবি
  নাট্যকার
  লেখক
  ব্যাংকার
  ডাক্তার
  সংসদ সদস্য
  শিক্ষাবিদ
  আইনজীবি
  অর্থনীতিবিদ
  খেলোয়াড়
  গবেষক
  গণমাধ্যম
  সংগঠক
  অভিনেতা
  সঙ্গীত
  চিত্রশিল্পি
  কার্টুনিস্ট
  সাহিত্যকুঞ্জ
  ফটো গ্যাল্যারি
  কবিয়াল
  গুণীজন বচন
  তথ্য কর্ণার
  গুণীজন ফিড
  ফিউচার লিডার্স
  ::| Newsletter
Your Name:
Your Email:
 
 
 
রাজনীতিবিদ
 
কমরেড আলাউদ্দিন আহমেদ



 আলাউদ্দিন আহমেদ এর সার্টিফিকেট নাম মুহাম্মদ আলাউদ্দিন। তিনি ,মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মেছিলেন। তার পরিবার শুধু ধর্ম পরায়ণ ছিলো না, ছিলো গোঁড়া ধর্মীয় পরিবার। তার দাদা কছিমউদ্দিন সরদার হাজী ছিলেন। পায়ে হেঁটে হজ্ব করেছিলেন। তার দাদার বাবা, নিতু সরদারের ছিলো কাপড়ের ব্যবসা। সেই কাপড়ের ব্যবসাই ছিলো তাদের আয়ের পথ এবং পরিবার ছিলো যৌথ একান্নবর্তী।

আলাউদ্দিন আহমেদের দাদার চার ছেলে, দুই মেয়ে। তার ছোট চাচা কফেজ উদ্দিন সারদার ওরফে মওলানা আবু সাঈদ সরদার যখন কলকাতা থেকে নিউ স্কিমে এফ.এম. পাশ করে এলেন তখন অশান্তি শুরু হয় এবং যৌথ পরিবার ভেঙে যায়। তার দাদা চার ছেলেকে পৃথক করে দেন।

আলাউদ্দিন আহমেদের বাবাও পৃথক ঘর দোরের ব্যবস্থা করেন। তিনি ব্যবসা করতেন না। তার বাবা, রিয়াজউদ্দিন সরদার ছিলেন স্কুল শিক্ষক। তার মায়ের নাম জরিমন নেছা। তার আরও দুই মা ছিলেন। মফিজান নেছা এবং আনিসা বেগম নামে তার আরও দুই মা ছিলেন। শেষ দুই মায়ের কোন সন্তান ছিলো না। তার জন্মদায়িনী মা চিররুগ্ন থাকায় তার দ্বিতীয় মা, মফিজান নেছাই তাকে লালন পালন করেন। রিয়াজউদ্দিন সরদার অতিমাত্রায় ধর্মপরায়ণ হওয়ায় মসজিদের ইমামতির কাজ বেছে নিয়েছিলেন।  গ্রামের বিচার শালিশ তিনিই করতেন। আলাউদ্দিন আহমেদ এর বাড়ি পাবনা জেলার ইশ্বরদি থানার সাহাপুর গ্রামে। ওখানেই তিনি বড়ো হয়েছেন। আলাউদ্দিন আহমেদরা ছিলেন দুই ভাই। বড়ো ভাই জয়নাল আবেদিন রেলে চাকরি করতেন। দুই বোন ছিলো, যারা আলাউদ্দিন আহমেদের জন্মের আগেই ছোট বয়সেই মারা গিয়েছিলেন।

আলাউদ্দিন আহমেদের পরিবারের বেশীরভাগ সদস্যরাই ইংরাজি, আরবী, ফারসী জানতেন এবং ধর্মভীরু ছিলেন। তার খালু কিফাত হাজী আবার সেতার বাদক ছিলেন। তিনি একবার সেতারের তাল ধরলে রাতদিন কাটিয়ে দিতে পারতেন।

তার ফুফা, ময়েন প্রামানিক, তার বাবা তরু দত্তের কাছ থেকে বিশাল সম্পত্তির মালিক হন। তিনি জোতদার ছিলেন। পালকিতে করে খাজনা আদায় করতে যেতেন। এই ময়েন প্রামাণিকের মেয়ে, আম্বিয়া বেগমকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন।       

আলাউদ্দিন আহমেদ ভালো ছাত্র ছিলেন। ক্লাসের ফার্স্ট বয়। তিনি ইংরাজি ভালো জানতেন। কোরান মুখস্ত ছিলো তার। আলাউদ্দিন আহমেদ চন্দ্রপ্রভা বিদ্যাপীঠ স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন এবং পাবনা এডওয়ার্ড মহাবিদ্যাল্য থেকে বি.এ. পাশ করেন। ছাত্রাবস্থা থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৫২-১৯৫৪ শিক্ষাবর্ষে, পাবনা এডওয়ার্ড মহাবিদ্যাল্যের ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন সময়ে ভাষা আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। ১৯৫২’তে তিনি যখন ভাষা আন্দোলনের মিছিল নিয়ে পথে বের হয়েছিলেন তখন ক্যাপ্টেন জায়েদী সেই মিছিলে ঘোড়া ছুটিয়ে দিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি আহত হয়েছিলেন। পরবর্তীতেও ভাষা আন্দোলনের মিছিল করেছেন, এবং যে কেউ যখনই গ্রেপ্তার হয়েছেন তাদের জন্য টাকা সংগ্রহ করা, উকিল মোক্তার নিযুক্ত করা সব তিনি করতেন।

ছাত্র জীবন শেষ হওয়ার পর তিনি তারাপদ স্কুলে ( রূপপুর হাইস্কুল ) প্রধান শিক্ষকের পদে যোগ দেন। কিন্তু তদানিন্তন পাকিস্তান সরকারের আমলে সার্বক্ষণিক রাজনীতি করার জন্য তার সেই প্রধান শিক্ষকের চাকরি চলে যায়। সেই সময় তিনি ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন। গ্রামের উন্নয়ন করা ছিলো লক্ষ্য। তিনি নিজে মাটি কেটে রাস্তা তৈরি কাজে সাহায্য করেছেন। তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য বিকাশের জন্য সাংস্কৃতি চর্চার ব্যবস্থা করেছিলেন। কিন্তু তাকে ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট পদেও রাখা হয় নি।

তিনি সার্বক্ষণিক রাজনীতির কারণে সবসময় তাকে আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকতে হতো। তিনি যাতে কখনও জেলে যেতে না হয় সে জন্য সচেষ্ট থাকতেন। পুলিশ বাড়ি ঘিরে ফেললেও কখনও তাকে ধরে রাখতে পারেন নি। পুলিশ বাড়ি গিরে ফেললে গ্রামের সব মেয়েরা বাড়ি চলে আসতো। তিনি শাড়ি পরে ওদের সঙ্গে বাড়ির বাইরে চলে যেতেন। তার বাড়ি থেকে প্রত্যেকের বাড়ির ভেতর দিয়ে গ্রামের বাইরে চলে যাওয়া যেতো। তখন  রটনা ছিলো আলাউদ্দিন আহমেদের বাড়িতে সুড়ঙ্গ আছে।

তিনি কৃষক নেতা ছিলেন। তাদের স্লোগান ছিলো ‘লাঙ্গল যার, জমি তার’। পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির নেতা ছিলেন। তার পার্টি স্বায়ত্বশাসন চেয়েছিলেন। তার সমস্ত জীবন এই বাংলার গরীব মানুষের জন্য ব্যয় করেছেন। কখনও তিনি নিজের, নিজের পরিবারের জন্য পৃথক কিছু করেন নি। তার বাড়িতে প্রতিদিন দশ বারো জন মানুষ খেতো। পার্টির কর্মী শুধু নয় গ্রামের সাধারণ মানুষের পাশে সবসময় দাঁড়িয়েছেন। তাদের সুখদুঃখের সঙ্গী ছিলেন তিনি। তিনি না পারলে তার হয়ে করেছেন তার স্ত্রী, আম্বিয়া বেগম। কোন সাধারণ মানুষ হোক আর রাজনৈতিক কর্মী হোক, জীবিত কিংবা মৃত হোক তিনি দাঁড়িয়েছেন তার পাশে। ওয়েজ ( Wage ) ভিত্তিতে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গীকৃত একজন সার্বক্ষণিক রাজনৈতিক কর্মী (সেই সময়ের) কতোটা মানবেতর জীবন যাপন করেন তা জানতেন। তিনি কমরেড রাখাল সেনের কথা বলেছেন। রাখাল সেন যখন মারা যায়, তখন তার দাহ করার জন্য কেউ ছিলো না। দাহ করার সময় প্রয়াত রাখাল সেনের  স্ত্রী ও দুই ছেলের সঙ্গে ছিলেন শুধু তিনি এবং তার স্ত্রী। তার কাছে আগুনে পুড়িয়ে দাহ করা অমানবিক ছিলো। কারণ তার নিজের হাতে করা এবং চোখে দেখা, আগুন দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মৃতদেহ বিদ্রোহ করে অর্থাৎ লাফিয়ে ওঠে তখন সেই মৃতদেহকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে পিটিয়ে শান্ত করে ছাই করা হয়। এটা অমানবিক।

তিনি যে কাজ করতেন  আন্তরিকতার সঙ্গে করতেন। যা মুখে বলতেন কাজেও তাই করতেন। যার যেটুকু প্রাপ্য সম্মান তা থেকে কখনও কাউকে বঞ্চিত করেন নি। তিনি নারী স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ছিলেন। শুধু নিজ গ্রামে নয় আশেপাশের গ্রামেও তখন নারী নির্যাতন কম ছিলো। সবসময় তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়েছেন। নারী শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। তার পারিবারিক পাঠাগার, যা ১৯৭১’র যুদ্ধের সময় বাড়ির সঙ্গে পুড়ে যায় সেখানে রাজনৈতিক বই ছাড়াও রবীন্দ্র,নজরুল, বুদ্ধদেব,আশুতোষ, জীবনানন্দ, সুকান্তসহ দেশী- বিদেশী নানা লেখক কবির বই ছিলো। সেগুলো শুধু পরিবারের সবাই পড়তো না সবার জন্য সে পাঠাগার উন্মুক্ত ছিলো। তিনি গ্রামে পাঠাগার স্থাপন, রবীন্দ্র, নজরুল জয়ন্তী, সুকান্ত জন্মজয়ন্তী পালন, নাটক করার জন্য নিয়মিত ব্যবস্থা করতেন। সেই মঞ্চে মেয়েরাও নাটক, গান, কবিতা আবৃত্তি করতো।

১৯৬৯ সালের শেষ  দিকে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাবেশ হয়েছিলো। কৃষক, শ্রমিক, কবি, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ সমাবেত হয়েছিলো। কৃষককর্মীদের মাথায় ছিলো লালটুপি আর হাতে ছিলো লাঠি।  মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই সমাবেশ ভালোভাবে অনুষ্ঠিত হয় তার সকল দায়দায়িত্ব ছিলো তার। অর্থাৎ তিনিই ছিলেন আহ্বায়ক। তিনদিন ব্যাপী এই সমাবেশে বক্তৃতার পাশাপাশি ছিলো স্লোগান এবং গণসংগীত। স্বাধীনতা আন্দোলনের সুত্রপাত এখান থেকেই শুরু হয়। এই স্বাধীনতা ছিলো একজন সৎ সরকার প্রতিষ্ঠার এবং মেহনতি জনগণের সম অবস্থা। অর্থাৎ সমাজতন্ত্র। এখানে ছিলো আওয়ামী লীগের সঙ্গে পার্থক্য। আওয়ামী লীগ চেয়েছিলো জাতীয় পুঁজিবাদ। পরবর্তীতে অবশ্য আওয়ামী লীগ ‘ব্যক্তি কেন্দ্রীক পুঁজিবাদ’ লাইন গ্রহণ করেন।   

 

তিনি সৎ একনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ ছিলেন, সেই সঙ্গে ছিলেন লেখক, অনুবাদক।  তিনি কার্ল মার্ক্সের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘দি প্রোভারটি অফ ফিলোসফি’র অনুবাদ করেন। বইটির নাম ‘দর্শনের দারিদ্র’। তিনি কবিতা লিখেছেন, লিখেছেন নামে বে-নামে রাজনৈতিক প্রবন্ধ। তার কবিতার বই, ‘নাম ছিলো তার পাখি’, ‘এই বাংলার ঘরে ঘরে’, ‘আমার জবাবদিহিতা’। ‘বাংলাদেশের অভ্যূদয় ও তার সমস্যা’ তার প্রবন্ধের বই। তার আরও অপ্রকাশিত রচনা  এবং সেই সময়ে লিখিত রাজনৈতিক প্রবন্ধগুলিও ছড়িয়ে আছে পত্রিকার পাতায় পাতায়। তিনি মনে করতেন মানুষ মাত্রেই ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। রাজনীতি ক্ষেত্রে কেউ ভুল করলেই তাকে অপাংক্তেয় মনে করা চরম ভাবে ‘ভুল’। তিনি সব সময়েই মনে করতেন, ‘to eror is Human’।   

তিনি শাহরিয়ার কবীরের ‘গ্রেনেড’ পত্রিকায় জহির  হোসেন নামে লিখেছেন। তার একটা লেখার জন্য ওই পত্রিকাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এই লেখাটির বিষয়বস্তু ছিলো-“আমরা ক্ষমতায় গেলে কী ভাবে জনগণের অবস্থার উন্নতি করবো, জনশিল্প গড়ে তুলবো। যদি সমস্ত কৃষক জনগণকে বর্ষা ও শীতকালে দূ’জোড়া জুতা এবং ছাতা দিতে চাই তাহলে অবশ্যই কৃষি প্রধান দেশ হেতু কৃষকদের অবস্থা ভালো করতে হবে। তাদের ক্রয় ক্ষমতা বাড়াতে হবে। খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, আশ্রয়ের ব্যবস্থা, সমবায় পদ্ধতি চালু করতে হবে। এটা করতে হলে অবশ্যই একটি সৎ সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কোন খাউড়ে পার্টি এটা করতে পারবে না -----।” এই সময় তিনি কমরেড চারু মজুমদারের  “বিপ্লবী লাইন” পরিত্যাগ করেন এবং গণ আন্দোলনের লক্ষ্যে গণ সংগঠন গড়ে তুলতে চেষ্টা করেন। কিন্তু বুঝে ওঠার আগেই কেউ কেউ তার নাম-ধাম, উদ্দেশ্য ব্যবহার করা শুরু করে অর্থাৎ তিনি সুবিধাবাদের শিকার হয়ে পড়েন।     

তিনি জেলে গিয়েছেন একবার। তাকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য সেই সময় লক্ষ টাকা ঘোষণা করা হয়। সেই টাকার লোভে তাকে তারই পরিচিত জন ধরিয়ে দেয়। জেলের ভেতরে অস্বাভাবিক নির্যাতন এবং তার রাজনৈতিক বন্ধুদের তাকে ব্যবহার করার বিষয়টা তাকে কিছুটা হলেও মানসিক ভারসাম্যহীন করে ফেলে। তবুও কখনও তার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হন নি। তাকে মন্ত্রিত্ব অফার দেওয়া হয়েছিলো কিন্তু তা গ্রহণ করেন নি। ডি.আই.টি.’র অধীনে বাড়ি দেওয়ার অফার পেয়েছিলেন নেন নি। তিনি যা বিশ্বাস করতেন, তাই বলতেন এবং করতেন।  তিনি সবসময়ই চেয়েছিলেন সমাজের চলতি অবস্থার পরিবর্তন, ব্যক্তি ও ব্যষ্টির সমন্বয় সাধন।    

 bd100570



Comments (0)        Print        Tell friend        Top


Other Articles:
লায়ন এম.এ আউয়াল
ব্যারিষ্টার সৈয়দ কামরুল ইসলাম মোহাম্মদ সালেহ্‌উদ্দিন
মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বীর প্রতীক
হাজী মোহাম্মদ দানেশ
সিরাজুল আলম খান
একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী
জমিরুদ্দিন সরকার
রাজু আহ্‌মেদ
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
হবীবুল্লাহ বাহার



 
  ::| Events
August 2017  
Su Mo Tu We Th Fr Sa
    1 2 3 4 5
6 7 8 9 10 11 12
13 14 15 16 17 18 19
20 21 22 23 24 25 26
27 28 29 30 31    
 
::| Hot News
শের-এ-বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক
ব্যারিষ্টার সৈয়দ কামরুল ইসলাম মোহাম্মদ সালেহ্‌উদ্দিন
মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বীর প্রতীক
হাজী মোহাম্মদ দানেশ
সিরাজুল আলম খান
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
হবীবুল্লাহ বাহার
আবদুল হামিদ খান ভাসানী

Online News Powered by: WebSoft
[Top Page]