Monday, 03.25.2019, 08:55pm (GMT+6)
  Home
  FAQ
  RSS
  Links
  Site Map
  Contact
 
আবদুুল হাই মাশরেকী ছিলেন মূলসংস্কৃতির শিকড়ের আধুনিক কবি ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিল্পকলায় দুদিনব্যা ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭ তম জন্মজয়ন্তী আগামী ১ এপ্রিল ২০১৬ ; আল মুজাহিদী ; ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন
::| Keyword:       [Advance Search]
 
All News  
  গুণীজন সংবাদ
  বিপ্লবী
  ভাষা সৈনিক
  মুক্তিযোদ্ধা
  রাজনীতিবিদ
  কবি
  নাট্যকার
  লেখক
  ব্যাংকার
  ডাক্তার
  সংসদ সদস্য
  শিক্ষাবিদ
  আইনজীবি
  অর্থনীতিবিদ
  খেলোয়াড়
  গবেষক
  গণমাধ্যম
  সংগঠক
  অভিনেতা
  সঙ্গীত
  চিত্রশিল্পি
  কার্টুনিস্ট
  সাহিত্যকুঞ্জ
  ফটো গ্যাল্যারি
  কবিয়াল
  গুণীজন বচন
  তথ্য কর্ণার
  গুণীজন ফিড
  ফিউচার লিডার্স
  ::| Newsletter
Your Name:
Your Email:
 
 
 
রাজনীতিবিদ
 
হবীবুল্লাহ বাহার


                  
“ সৌম্যদর্শন বাহার, সুন্দর স্বাস'্যবান বাহার, খেলোয়াড় বাহার, সুন্দর কথকতা করার বাহার, সাহিত্যিক বাহার, সাংবাদিক বাহার, বক্তা বাহার, হাস্যরস রচয়িতা বাহার, আর মন্ত্রী বাহার কতভাবে জীবন নাট্যের কত রঙ্গমঞ্চেই তাহাকে দেখিয়াছি। বস'ত একাধারে এতগুলি গুণের আধার কোনো মানুষেই দেখা যায় না।” পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীন যার সম্পর্কে এতগুলো অভিধা দিয়েছেন তিনি হবীবুল্লাহ বাহার চৌধুরী। জন্মেছিলেন ১৯০৬ সালে নোয়াখালী জেলাধীন তৎকালীন ফেনী মহকুমার পরশুরামের উত্তর গুথুমা গ্রামে।

    ১৯০৯ সালে পিতা মোহাম্মদ নুরুল্লা মৃত্যুবরণ করলে সংসারে নেমে আসে দৈন্যের ছায়া। এ পর্যায়ে মাতামহ খান বাহাদুর আবদুল আজিজ বিএ (যিনি অত্রাঞ্চলের প্রথম মুসলিম বিএ ডিগ্রীধারী, যাঁর নামে গুথুমা হাই স্কুল নামকরণ হয়েছে) তাঁদের সকল দায়িত্ব নেন। তাঁর একমাত্র বিদূষী ভগ্নী শামসুন নাহার মাহমুদ (যাঁর নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের একটি হলের নামকরণ হয়েছে। তিনি ছিলেন নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার একনিষ্ঠ অনুসারী) তাঁর জন্মের দু’বছর পর, ১৯০৮ সালে একই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

    গুথুমা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হবীবুল্লাহ বাহারের শিক্ষাজীবন শুরু হলেও মাতামহের ইচ্ছায় তিনি প্রবেশিকা পরীক্ষায় অংশ নেন চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যাল স্কুল থেকে এবং এখানে তিনি কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন । কারণ মাতামহ খান বাহাদুর আবদুল আজিজ ছিলেন তখন চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্কুল পরিদর্শকের মতো উচ্চ পদে আসীন। স্নেহভাজন দৌহিত্রকে তিনি নিজ সাহচর্যেই রাখতে চেয়েছিলেন। তারপর বাহার চট্টগ্রাম কলেজ থেকে ১৯২৪ সালে আইএসসি এবং কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে ১৯২৮ সালে বিএ পাশ করেন।

    সহজাত নেতৃত্বের ভাব জেগে ওঠে তার ছাত্রজীবনেই। ভারতীয় উপমহাদেশের অন-র্ভুক্ত এই বাংলাদেশে তখনও আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে মূলত হিন্দুদেরই আধিপত্য। সেই আধিপত্যের উর্ধ্বে ওঠে বাহার তার নিজ যোগ্যতা ও বলিষ্ঠতায় নেতৃত্ব করায়ত্ত করতে সক্ষম ছিল। এ অবস'ায় তিনি সংস্পর্শে আসেন তৎকালীন বিশিষ্ট রাজনৈতিক, কবি, সাহিত্যিকসহ বিভিন্ন গুণী ব্যক্তিবৃন্দের। ১৯২৪ সালে চট্টগ্রাম কলেজের ছাত্র থাকাকালীন সময়ে সর্বভারতীয় কংগ্রেস নেত্রী সরোজিনী নাইডুর সুনজর পতিত হয় হবীবুল্লাহ বাহারের ওপর। ছাত্র অবস'াতেই তার ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব নাইডুকে মুগ্ধ করে। আর এ থেকেই তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন। এই প্রেক্ষিতে বাংলার বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম চট্টগ্রামে আসেন। ওই সময় তিনি বাহার সাহেবদের তামাকুমুণ্ডীর বাড়ি ‘আজিজ মঞ্জিল’-এ অবস'ান করেন। নজরুলের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসার কারণে তিনি তখন কবির বিশেষ অনুরাগী হয়ে ওঠেন। কবির ‘সিন্ধু হিন্দোল’ কাব্যের কবিতাগুলির জন্ম হয়েছে চট্টগ্রামে, বাহার-নাহারদের বাড়িতে। নজরুলের বিখ্যাত ‘বাতায়ন পাশে গুবাক তরুর সারি’ কবিতাটিও সেখানেই রচিত। বাহারের পাশাপাশি নাহারও কবির ভক্ত হয়ে ওঠেন। কবি বিভিন্ন জায়গায় এই দুই ভাইবোনের আতিথেয়তার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। কবির সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক ছিল আমৃত্যু অটুট । সেই সঙ্গে তাঁদের দু’জনের জীবনেও পড়েছে নজরুলের গভীর প্রভাব। তাঁদের মাঝেও জেগে ওঠে সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ।

    বাহার-নাহারের যুক্ত সম্পাদনায় ‘বুলবুল’ নামে সাহিত্য পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৩৪০ সালের বৈশাখ মাসে - আজ থেকে দীর্ঘ ৭৮ বছর আগে, কলকাতা থেকে। এই ‘বুলবুল’ পত্রিকার সাথে কবি নজরুল ছিলেন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। পত্রিকার প্রায় প্রতি সংখ্যাতেই তাঁর কোনো না কোনো লেখা প্রকাশিত হতো। পত্রিকাটির ওপর নজরুলের প্রভাব ছিল সুস্পষ্ট। এমনকি পত্রিকাটির নামকরণও হয়েছিল তাঁর অকালপ্রয়াত পুত্র বুলবুলের স্মৃতিকে উদ্দেশ্য করে। এই পত্রিকা সম্বন্ধে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথও ভূয়সী প্রশংসা করেন - ‘বুলবুল পত্রিকাখানি পড়ে আশান্বিত হলুম। .......... আনন্দের সঙ্গে আমি আমার অভিনন্দন প্রেরণ করছি। কৃতজ্ঞ দেশের আশীর্বাদে তোমাদের উদ্যম জয়যুক্ত হোক।’ অনেক খ্যাতিমান লেখক-সাহিত্যিকের লেখায় ‘বুলবুল’ পত্রিকাটি সেসময় খ্যাতির শীর্ষে অবস'ান করেছিল।
    হবীবুল্লাহ বাহারের ছিল মূলত ত্রিবিধ নেশা - খেলাধুলা, সাহিত্য ও রাজনীতি। এসবের প্রতি তাঁর ছিল স্বভাবজাত আকর্ষণ। তবু এই তিনের মধ্যে সাহিত্যই হয়তবা ছিল তাঁর প্রাণের সম্পদ, তাই তাঁর সাহিত্যিক মন ও শিল্পী মন সব রকমের ব্যস-তার মাঝেও অটুট ছিল। আর তারই ফলশ্রতিতে তিনি লিখে গেছেন - আমীর আলী, ওমর ফারুক, কবি ইকবাল, পাক জীবন, পাকিস-ান ও মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্‌সহ নানা গ্রন'। ‘বুলবুল’ পত্রিকা সম্পাদনা তাঁর সাহিত্যপ্রীতির অনন্য নিদর্শন। নিজে লেখার চেয়ে লেখক সৃষ্টির প্রতি ছিল তাঁর প্রচণ্ড ঝোঁক। সে সময় মুসলমান সম্পাদিত পত্রিকা ছিল হাতে গোনা কয়েকটি  এবং মুসলমান লেখকের সংখ্যাও ছিল কম। ’বুলবুল’ তার মধ্যে শীর্ষে ছিল। তাঁর যত গুণই থাক না কেন, বুলবুল পত্রিকা সম্পাদনার কৃতিত্ব তাঁর আর সব গৌরবকে ম্লান করে দিয়েছে।

    বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী হবীবুল্লাহ বাহার খেলাধুলার ক্ষেত্রেও ছিলেন অসাধারণ প্রতিভাবান। কলকাতা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে ‘বি’ ডিভিশন থেকে ‘এ’ ডিভিশনে উন্নীত করার পেছনে সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তাঁরই। ১৯৩১ সাল থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন- বাহারের অক্লান- পরিশ্রম, উদ্দীপনা ও নির্ভীক নেতৃত্বে মোহামেডান স্পোর্টিং টিমে যে জাগরণ এসেছিল তারই ফলে ক্লাবটি ১৯৩৩ সালে প্রথম বিভাগে উন্নীত হয়। সর্বদিকে অবহেলিত তৎকালীন বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে এই সাফল্য এক নব জাগরণের সূত্রপাত করে। অবশ্য, ছাত্রজীবনেই দক্ষ খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর নাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৩২ সালে হবীবুল্লাহ বাহার ভারতীয় পুলিশ সার্ভিস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হন। কিন' চট্টগ্রামে অবস'ানকালীন সময়ে মাস্টারদা সূর্যসেনের বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাঁকে পুলিশ সার্ভিসে নিয়োগ দেয়া হয়নি। তাঁর সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত না হওয়াই হয়ত তাঁকে টেনে এনেছিল রাজনীতিতে। ১৯৪৫ সালে তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য সমাজের যুগ্ম-সম্পাদক হিসেবেও নির্বাচিত হয়েছিলেন।
১৯৪৭ সালের দেশবিভাগের পর তাঁরা স'ায়ীভাবে ঢাকায় চলে আসেন।  এসময় তিনি ফেনী মহকুমার পরশুরাম থেকে বঙ্গীয় আইন পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য, ১৯৪৭ সালে হিন্দু-মুসলিম সামপ্রদায়িক দাঙ্গার সময় তিনি মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে নোয়াখালী অঞ্চল পরিদর্শন করেন যার স্মৃতি-চিহ্ন আজো ‘গান্ধী আশ্রম ট্রান্ট’-এর অধীনে নোয়াখালীর চৌমুহনী এবং ফেনীর মুন্সীরহাটে রয়ে গেছে। তাছাড়া ১৯৪৭ সালে ভারত-বিভাগের সময় সিলেট প্রশ্নে ( সিলেট ভারত নাকি পাকিন-ানের অংশ হবে) রাজনৈতিক মীমাংসার জন্য সর্বসাধারণের প্রত্যক্ষ গণভোটে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। ১৯৪৮ সালে ঢাকায় পাকিস-ানের প্রথম যে বঙ্গসাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সেই অভ্যর্থনা কমিটির প্রধান ছিলেন হবীবুল্লাহ বাহার। ১৯৫১ সালে তাঁর নেতৃত্বে ঢাকায় ‘পূর্ব পাকিস-ান ক্রীড়া সংস'া’ প্রথম স'াপিত হয় এবং পরে তিনি এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

    সমাজ সেবা, দেশপ্রীতি ও মানবপ্রেম তাঁর চরিত্রে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা। মহান উদ্দেশ্য নিয়েই তিনি জড়িয়ে পড়েছিলেন অবিভক্ত বাংলার রাজনীতিতে। কারণ পরাধীন দেশে দেশপ্রেমের জোয়ারের অভিঘাত তাঁকেও স্পর্শ করেছিল। শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি যোগ দিয়েছিলেন কৃষক-প্রজা পার্টিতে। ১৯৩৭ সালে বঙ্গীয় প্রাদেশিক  নির্বাচনে হক সাহেবের মন্ত্রিসভায় হবীবুল্লাহ বাহার মনোনীত হন। কিন' ক্ষমতালিপ্সুদের অভ্যন-রীণ দ্বন্দ্বে অবশেষে তিনি নিজেকে গুটিয়ে নেন। পরে শেরে বাংলা  মুসলিম লীগে যোগ দিলে তিনিও তাঁর পথ অনুসরণ করেন। নতুন এ দলে তিনি  কার্যকরী সমিতির প্রচার সম্পাদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। ১৯৪৩ সালে তিনি ঢাকায় ‘পূর্ব পাকিস-ান পুনর্জাগরণ সমিতি ’ প্রতিষ্ঠা করেন। ভারতীয় মুসলমানদের অভিন্ন আবাসভূমি নির্মাণে তিনি মোহাম্মদ আলী জিন্নার নীতি অনুসরণ করেছিলেন। অবশ্য সেটা ছিল যুগের চাহিদা। প্রকৃতপক্ষে তিনি চেয়েছিলেন বাংলার মুসলমানদের মুক্তি। দেশভাগের পর  তিনি ’৫২র ভাষা আন্দোলনেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। বাংলা, বাঙালি ও বাংলা ভাষার মুক্তির জন্য তিনি পাকিস-ানের বিরুদ্ধেও সোচ্চার হয়ে ওঠেন। ১৯৫৪ সালে তিনি পূর্ববাংলার স্বাস'্যমন্ত্রী নিযুক্ত হয়েছিলেন কিছুদিনের জন্য। ঢাকার ইতিহাস-অখ্যাত মশার আক্রমণ থেকে ঢাকাবাসী রক্ষা পেয়েছিল তাঁরই কিছু পদক্ষেপের জন্য। কথিত আছে - বাহার সাহেবের আমলে আদতে ঢাকায় কোনো মশা ছিল না। উল্লেখ্য, ঢাকার শানি-নগরে অবসি'ত হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজটি তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত।


    দীর্ঘ ১৩ বছর রোগ-ভোগে নিদারুণ যন্ত্রণায় কেটেছে এই মহান পুরুষের দিন। ১৯৬৫ সালের শেষ ভাগে তাঁর শারীরিক অবস'ার আরও অবনতি ঘটে। অবশেষে ১৯৬৬ সালের ১৫এপ্রিল, বাংলা ১৩৭৩ সালের পহেলা বৈশাখ শুক্রবার নববর্ষের সূচনায় মাত্র ৬০ বছর বয়সে রাজনীতিক, ক্রীড়াবিদ, সাহিত্যিক, সমাজসেবী হবীবুল্লাহ বাহার তাঁর ঢাকাস' শানি-নগরের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর একমাত্র পুত্র ইকবাল বাহার চৌধুরী ‘ভয়েস অব আমেরিকা’র বাংলা বিভাগে কর্মরত ছিলেন।


-পলাশ মজুমদার

Comments (0)        Print        Tell friend        Top


Other Articles:
আবদুল হামিদ খান ভাসানী
হুমায়ুন কবির
আহসানউল্লাহ মাস্টার
হাজী মোহাম্মদ দানেশ
মোহাম্মদ হানিফ
শাহ এ এম এস কিবরিয়া
কমরেড মণি সিংহ
কর্ণেল (অবঃ) অলি আহমেদ বীর বিক্রম
এম সাইফুর রহমান
ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ



 
  ::| Events
March 2019  
Su Mo Tu We Th Fr Sa
          1 2
3 4 5 6 7 8 9
10 11 12 13 14 15 16
17 18 19 20 21 22 23
24 25 26 27 28 29 30
31            
 
::| Hot News
শের-এ-বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক
ব্যারিষ্টার সৈয়দ কামরুল ইসলাম মোহাম্মদ সালেহ্‌উদ্দিন
মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বীর প্রতীক
হাজী মোহাম্মদ দানেশ
সিরাজুল আলম খান
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
হবীবুল্লাহ বাহার
আবদুল হামিদ খান ভাসানী

Online News Powered by: WebSoft
[Top Page]