Friday, 05.24.2019, 02:12am (GMT+6)
  Home
  FAQ
  RSS
  Links
  Site Map
  Contact
 
আবদুুল হাই মাশরেকী ছিলেন মূলসংস্কৃতির শিকড়ের আধুনিক কবি ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিল্পকলায় দুদিনব্যা ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭ তম জন্মজয়ন্তী আগামী ১ এপ্রিল ২০১৬ ; আল মুজাহিদী ; ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন
::| Keyword:       [Advance Search]
 
All News  
  গুণীজন সংবাদ
  বিপ্লবী
  ভাষা সৈনিক
  মুক্তিযোদ্ধা
  রাজনীতিবিদ
  কবি
  নাট্যকার
  লেখক
  ব্যাংকার
  ডাক্তার
  সংসদ সদস্য
  শিক্ষাবিদ
  আইনজীবি
  অর্থনীতিবিদ
  খেলোয়াড়
  গবেষক
  গণমাধ্যম
  সংগঠক
  অভিনেতা
  সঙ্গীত
  চিত্রশিল্পি
  কার্টুনিস্ট
  সাহিত্যকুঞ্জ
  ফটো গ্যাল্যারি
  কবিয়াল
  গুণীজন বচন
  তথ্য কর্ণার
  গুণীজন ফিড
  ফিউচার লিডার্স
  ::| Newsletter
Your Name:
Your Email:
 
 
 
ভাষা সৈনিক
 
মাহবুব, কাজী গোলাম (১৯২৭-২০০৬)


 

১৯৫২ সালের সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক কাজী গোলাম মাহবুব ১৯২৭ সালের ২৩ ডিসেম্বর তৎকালীনবাকেরগঞ্জ জেলার গৌরনদী থানার কসবা গ্রামে এক ঐতিহ্যবাহী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম- কাজী আব্দুলমজিদ ও মাতার নাম আছিয়া খাতুন। তিনি ১৯৪২ সালে টরকী বন্দর হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৪৪ সালে কলকাতারইসলামিয়া কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট এবং ১৯৪৫ সালে বিএ পাশ করেন। ১৯৫১ সালে ঢাকা বিশ্বদ্যিালয় থেকেএলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন।

১৯৪২ সাল থেকেই তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ১৯৪৬ সালেতিনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। ইসলামিয়া কলেজের ছাত্র থাকা অবস'ায় তিনিছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। ১৯৪৭ সালে তিনি ১৫০ নং মোগলটুলীর ওয়ার্কস ক্যাম্পেযোগদান করেন। তৎকালীন পূর্ব পাকিসত্মান মুসলিম ছাত্রলীগ, আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই তিনিএ দলের সাথে জড়িত ছিলেন।

১৯৫৩ সালে বৃহত্তর বরিশালের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৪৯ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যনত্ম তিনি ছিলেনপ্রাদেশিক আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ১৯৫৫ সালে এবং ১৯৫৭ সালে তিনি আওয়ামী লীগেরকেনদ্রীয় ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি প্রত্যড়্গ ভূমিকা রাখেন স্বাধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামে। পরবর্তীকালে তিনিবাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগদান করেন এবং কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পেশাগত জীবনেতিনি ছিলেন রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী।

১৯৫৩ সাল থেকে আইন পেশায় নিযুক্ত হন। ১৯৯৩ সালে তিনি       সুপ্রিমকোর্ট বার এসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিতহন। ১৯৯৪ সালে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নিয়োগের ব্যাপারে বারের সভাপতি হিসেবে আইনজীবীদের স্বার্থ সংরড়্গণও দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তিনি ব্যক্তিস্বার্থ তুচ্ছ করে নিজ দলের বিপড়্গে অবস'ান নিয়ে যে ঐতিহাসিক দায়িত্বপালন করেছিলেন তা বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরদিন এক অনন্য সম্মান ও মহৎ দৃষ্টানত্ম হয়ে থাকবে।

১৯৪৭ সালে ১৪ জন ভাষাসংগ্রামী পাকিসত্মানী শাসকগোষ্ঠীর বিরম্নদ্ধে ‘আমাদের দাবি’ সম্বলিত ২১ দফা ইসেত্মহারপ্রণয়ন করেন। এই একুশ দফার দ্বিতীয় ও অন্যতম দফাটি ছিল বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা সংক্রানত্ম। এই ঐতিহাসিকইসেত্মহারের অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কাজী গোলাম মাহবুব ছিলেন এর অন্যতমস্বাড়্গরদাতা।

১৯৪৮ সালের ১১ মার্চের ধর্মঘটে কাজী গোলাম মাহবুবের ভূমিকা ছিল খুবই স্মরণীয়। তিনি সেদিন সচিবালয়ের দ্বিতীয়গেটের সামনে পিকেটিং করেন। এক পর্যায়ে পুলিশের আইজি জাকির হোসেনের গাড়ি সচিবালয়ে প্রবেশ করার চেষ্টা করলেকাজী গোলাম মাহবুবসহ অন্যান্যরা রাসত্মায় শুয়ে পড়ে গাড়ির গতি রোধ করেন। এ সময় পুলিশের ব্যাপক লাঠিচার্জে তিনিআহত হন। পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে প্রথমে কোতোয়ালী থানা পরে সেন্ট্রাল জেলে পাঠিয়ে দেয় এবং তাঁর বিরম্নদ্ধেমামলা দায়ের করে। ১৫ মার্চ রাষ্ট্রভাষা চুক্তির শর্ত মোতাবেক সবাইকে মুক্তি দেয়া হলেও কাজী গোলাম মাহবুব ও শওকতআলীকে পৃথক মামলার কারণে মুক্তি দেয়া হবে না বলে জানানো হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দুজনকে ছাড়াজেলখানা পরিত্যাগ করবেন না বলে সিদ্ধানত্ম নেন। পরে সরকার বাধ্য হয়ে উক্ত দুজনসহ সকলকে মুক্তি প্রদান করেন।

১৬ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেলতলায় শেখ মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কাজী গোলাম মাহবুবঅংশগ্রহণ করেন এবং বিড়্গোভ মিছিল চলাকালে পুলিশী আক্রমণে আহত হন। ১৯ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে মুহম্মদ আলীজিন্নাহর ভাষণের অন্যতম প্রতিবাদকারী ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব। ১৯৪৮ সালের শেষের দিকে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষাকরার পড়্গে কাজ করতে যেয়ে নাজিমুদ্দীন রোডে রেডিও স্টেশনের সামনে তিনি বাংলা ভাষাবিরোধীদের দ্বারা আক্রানত্ম হনএবং অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান। ১৯৪৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীদের ধর্মঘটে সক্রিয়অংশগ্রহণের কারণে শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে কাজী গোলাম মাহবুবও গ্রেফতার হন।

১৯৫২ সালে কাজী গোলাম মাহবুব তৎকালীন পূর্ব-পাকিসত্মান মুসলিম ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন এবং একই সাথেছিলেন পূর্ব পাকিসত্মান আওয়ামী লীগের সদস্য। ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি পল্টন ময়দানে খাজা নাজিমুদ্দীন উর্দুকেরাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিলে আন্দোলন তীব্র হয় এবং ৩১ জানুয়রি ঢাকা বার লাইব্রেরি হলে গঠন করা হয় সর্বদলীয়রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ। মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে কাজী গোলাম মাহবুব সর্বসম্মতিক্রমে পরিষদের আহ্বায়কমনোনীত করা হয়।

সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক নিযুক্তির পর কাজী গোলাম মাহবুব তাঁর উপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্যেরব্যাপারে অত্যনত্ম সচেতনতার পরিচয় দেন। সংগ্রাম পরিষদের গৃহীত কর্মসূচিকে সাফল্যম-িত করার জন্য তিনি নানাকর্মোদ্যোগ গ্রহণ করেন। প্রথমে আসে ৪ ফেব্রম্নয়ারির ছাত্র ধর্মঘট। এ কর্মসূচিকে সফল করার জন্য তিনি তৎকালীন পূর্ব-পাকিসত্মান মুসলিম ছাত্রলীগের ঢাকা শহরের প্রতিটি শাখাকে নির্দেশ প্রদান করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হলসমূহের শাখাএবং ভিপি ও জিএসদের সাথে পৃথক পৃথকভাবে আলোচনায় বসে ছাত্র ধর্মঘট কর্মসূচি সফল করার জন্য তাদের সর্বাত্মকসহযোগিতা কামনা করেন। ছাত্র ধর্মঘটের দিন মিছিলেরও ঘোষণা দেয়া এবং তদানুযায়ী ৪ ফেব্রম্নয়ারি ঢাকা শহরে ছাত্রদেরবিরাট মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি ৬ ফেব্রম্নয়ারি পূর্ববঙ্গ কর্মশিবির অফিসে (১৫ নং মোগলটুলি, ঢাকা)  সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের প্রথমবৈঠকের আয়োজন করেন। এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। এ বৈঠকে ভাষা আন্দোলনপরিচালনার জন্য অর্থ সংগ্রহের বিষয় আলোচনা হয় এবং ১১ ও ১৩ ফেব্রম্নয়ারি ঢাকা শহরে পতাকা দিবস পালনের মাধ্যমেঅংশগ্রহের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। ২০ ফেব্রম্নয়ারি তিনি সন্ধ্যে ৭টার সময় ৯৪ নং নবাবপুর রোডস' আওয়ামী মুসলিম লীগঅফিসে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের বৈঠক আহ্বান করেন।

সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সিদ্ধানত্ম অনুসারে কাজী গোলাম মাহবুব শামসুল হককে সাথে নিয়ে ২১ ফেব্রম্নয়ারিসকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলাস' সমাবেশস'লে হাজির হন। সভায় সংগ্রাম পরিষদের পড়্গে কাজী গোলাম মাহবুবও শামসুল হক ১৪৪ ধারা ভঙ্গ না করার পড়্গে যুক্তি প্রদর্শন করে বক্তব্য রাখেন। এ সভায় গাজীউল হক সভাপতিত্বেকরছিলেন।

কাজী গোলাম মাহবুব কিংবা শামসুল হকের বক্তব্য সেখানের দর্শকেরই পছন্দ হয়নি। ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে উত্তাল জনতাসরকারকে কড়া জবাব দেয়ার প্রস'তি নেয়। সভার সিদ্ধানত্ম অনুসারে ১০জন করে ছাত্রনেতা বের হয়ে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করেগ্রেফতার বরণ শুরম্ন করেন।

স্পষ্টত কাজী গোলাম মাহবুবসহ সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ ১৪৪ ধারা ভঙ্গের বিপড়্গে থাকলেও যখনআমতলার ছাত্রসভায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার পড়্গে সিদ্ধানত্ম গৃহীত হয় এবং ছাত্র-জনতার উপর নেমে আসে পুলিশেরঅত্যাচার, তখন তিনিও সংগ্রাম পরিষদের অধিকাংশ নেতা বাসত্মব পরিসি'তি মেনে নেন।

একুশের গুলিবর্ষণের পরবর্তী পরিসি'তিতে সংগ্রাম পরিষদের করণীয় নির্ধারণের জন্য কাজী গোলাম মাহবুব ২১ ফেব্রম্নয়ারিরাতে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে একটি বৈঠক ডাকেন। আবুল হাশিম, সাপ্তাহিক সৈনিক সম্পাদক আবদুল গফুর, কমরম্নদ্দীনআহমদ, অলি আহাদ, মোহাম্মদ তোয়াহা, কবির উদ্দীন আহমদ, শহীদুলস্নাহ কায়সার, কেজি মোসত্মাফা, মাহবুব জামালজাহেদী, ডা. গোলাম মাওলা প্রমুখ উপসি'ত ছিলেন।

২৩ ফেব্রম্নয়ারি বিকেল ৩টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেলে ভাষা আন্দোলনে কারারম্নদ্ধ কর্মী আজমল হোসেনেরকামরায় সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক কাজী গোলাম মাহবুব বৈঠক ডাকেন। উক্ত বৈঠকে সভাপতিত্বকরেন আবুল হাশিম। এ সভায় ২৫ ফেব্রম্নয়ারি পর্যনত্ম হরতাল কর্মসূচি অব্যাহত রাখার সিদ্ধানত্ম হয়। তাছাড়া ভাষাআন্দোলনের মূল বিষয়ে গণসচেতনতা জাগ্রত করার জন্য লিফলেটসহ ছাত্রকর্মীদেরকে নিজ নিজ এলাকায় পাঠানোরসিদ্ধানত্ম হয়।

আন্দোলনের অধিকাংশ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার, যাদেরকে ধরা যায়নি তাদের বিরম্নদ্ধে হুলিয়া জারী ইত্যাদি ব্যাপকদমননীতির মধ্যে কাজী গোলাম মাহবুব গোপন অবস'ানে থেকেও আন্দোলনের কৌশল পরিবর্তন করে কিছু তৎপরতাচালিয়ে যেতে দেখা যায়। ৬ মার্চ একটি গোপন বৈঠকের মাধ্যমে পত্রিকায় একটি খবর পাঠানো হয়। এতে সেদিন থেকেসংগ্রাম পরিষদের সকল কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়া হয়। একই সাথে ভাষা আন্দোলনের কারণে গ্রেফতারকৃতদেরমুক্তি দাবি করা হয় এবং যাদের বিরম্নদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করা হয়েছে তা প্রত্যাহারের দাবি করা হয়।

একই সাথে কাজী গোলাম মাহবুব গোপনে গোপনে সংগঠিত হওয়ার প্রচেষ্টা চালান। ৭ মার্চ শানিত্মনগরে ডাক্তার আবদুল মোতালেবের বাসায় যেসব ভাষাসংগ্রামী গ্রেফতার হননি, তাদের একটি বৈঠক। পুলিশ গোপন সংবাদটি জেনে যায় এবং বাড়িটি ঘিরে ফেলে। সেখান থেকে ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁরা হলেন মোহাম্মদ তোয়াহা, অলি আহাদ, আবদুল মতিন, সাদেক খান, আবদুল লতিফ, হেদায়েত হোসেন চৌধুরী ও মজিবুল হক। অলি আহাদ বলেছেন, কাজী গোলাম মাহবুব বাঁশের খাঁচার উপর এমনভাবে শুয়ে পড়েছিলেন যে, পুলিশ তাঁকে দেখতে পায়নি। বেশ কিছুদিন আত্মগোপন করে থাকার পর তিনি আতাউর রহমান খানের সাথে সাড়্গাত করে পরামর্শ করেন। তিনি ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আত্মসমর্পণ করেন। সেখান থেকে তাঁকে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়। কাজী গোলাম মাহবুব প্রায় এক বছর সেন্ট্রাল জেলে বন্দি থাকেন। ১৯৫৩ সালে প্রথম শহীদ দিবসে আরমানিটোলা ময়দানের বিশাল জনসভায় তিনি বক্তব্য রাখেন। ২০০৬ সালে তিনি ঢাকায় ইনেত্মকাল করেন।

Comments (0)        Print        Tell friend        Top


Other Articles:
বেগম, মমতাজ (১৯২৩-১৯৬৭)



 
  ::| Events
May 2019  
Su Mo Tu We Th Fr Sa
      1 2 3 4
5 6 7 8 9 10 11
12 13 14 15 16 17 18
19 20 21 22 23 24 25
26 27 28 29 30 31  
 
::| Hot News
ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন
সালাম, শহীদ আব্দুস (১৯২৫-১৯৫২)
রফিক, শহীদ মোহাম্মদ (১৯৩২-১৯৫২)
রহমান, শহীদ সফিউর (১৯১৮-১৯৫২)
বরকত, শহীদ আবুল  (১৯২৭-১৯৫২)
জব্বার, শহীদ আব্দুল (১৯১৯-১৯৫২)
অহিউলস্নাহ, শহীদ (জন্ম : অজ্ঞাত, মৃতু : ১৯৫২)
কাসেম, আবুল প্রিন্সিপাল (১৯২০-১৯৯১)
বাচ্চু, রওশন আরা (১৯৩২)
ইসলাম, অধ্যাপক মির্জা মাজহারুল (১৯২৭)

Online News Powered by: WebSoft
[Top Page]