Monday, 05.20.2019, 03:58am (GMT+6)
  Home
  FAQ
  RSS
  Links
  Site Map
  Contact
 
আবদুুল হাই মাশরেকী ছিলেন মূলসংস্কৃতির শিকড়ের আধুনিক কবি ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিল্পকলায় দুদিনব্যা ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭ তম জন্মজয়ন্তী আগামী ১ এপ্রিল ২০১৬ ; আল মুজাহিদী ; ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন
::| Keyword:       [Advance Search]
 
All News  
  গুণীজন সংবাদ
  বিপ্লবী
  ভাষা সৈনিক
  মুক্তিযোদ্ধা
  রাজনীতিবিদ
  কবি
  নাট্যকার
  লেখক
  ব্যাংকার
  ডাক্তার
  সংসদ সদস্য
  শিক্ষাবিদ
  আইনজীবি
  অর্থনীতিবিদ
  খেলোয়াড়
  গবেষক
  গণমাধ্যম
  সংগঠক
  অভিনেতা
  সঙ্গীত
  চিত্রশিল্পি
  কার্টুনিস্ট
  সাহিত্যকুঞ্জ
  ফটো গ্যাল্যারি
  কবিয়াল
  গুণীজন বচন
  তথ্য কর্ণার
  গুণীজন ফিড
  ফিউচার লিডার্স
  ::| Newsletter
Your Name:
Your Email:
 
 
 
গুণীজন ফিড
 
রন্ধনবিদ- সিদ্দিকা কবীর




কেবল মাত্র রান্না করে আর শিখিয়ে যে কোটি হৃদয়ে স্থান করে নেয়া সম্ভব, সেটি প্রমাণ করেছেন তিনি- সিদ্দিকা কবির। ব্যক্তিগত জীবনে একজন পুষ্টিবিদ ও শিক্ষিকা এই নারী অধিকারী ছিলেন অসাধারণ ব্যক্তিত্ব ও গুনের। তাঁর জন্ম পুরানো ঢাকার মকিম বাজারে, ১৯৩৫ সালের ৭ মে। তাঁর পিতা মৌলভি আহমেদুল্লাহ , মাতা সৈয়দা হাসিনা খাতুন।

রান্না একটা শিল্প অবশ্যই। ভালো হলে সবাই প্রশংসা করে, এবং খারাপ হলে নিন্দাও কিছু কম জোটে না। কিন্তু আপনজনেরা বলেন যে খাবারের স্বাদ যেমনই হোক না কেন, সিদ্দিকা কবীর সব সময়ই প্রশংসা করতেন। উৎসাহ দিতেন। নতুন কোনো রেসিপি পেলে সঙ্গে সঙ্গে সংরক্ষণ করতেন। তাঁর ভাগ্নি ফাতিমা আজিজ বলেন, ‘সিদ্দিকা কবীরের পারিবারিক ডাকনাম ছিল বুলবুল। সেটা সংক্ষেপে হয়ে গিয়েছিল বুলু।

বিশ্রাম ও পরিশ্রম—দুটোকে গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি রাখতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার। পরিবারের সবাইকে এ কথাটি বলতেন সিদ্দিকা কবীর। তিনি পছন্দ করতেন কম মসলা দেওয়া স্বাস্থ্যকর খাবার। দুধ-ভাত প্রায় প্রতিদিনের তালিকায় থাকত। যেকোনো ধরনের শাক, ছোট মাছ, নরম খিচুড়ি, থানকুনিপাতা দিয়ে ফলি মাছের ঝোল ভালোবাসতেন। তিনি বলতেন, ‘২০ বছর পর্যন্ত আমরা ইচ্ছামতো খেতে পারব। কিন্তু ২০ বছরের পর থেকে খাবারের বিষয়ে কিছুটা সতর্ক হয়ে যাওয়াই ভালো। চল্লিশোর্ধ্ব ব্যক্তিদের চলে যেতে হবে ডায়েট রুটিনে।’

ব্যক্তিগত জীবন -
তাঁর জন্ম পুরানো ঢাকার মকিম বাজারে, ১৯৩৫ সালের ৭ মে। তাঁর পিতা মৌলভি আহমেদুল্লাহ , মাতা সৈয়দা হাসিনা খাতুন। ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে সিদ্দিকা কবীর ব্যাংকার সৈয়দ আলী কবীরকে বিয়ে করেন।

শিক্ষা ও চাকরি জীবন-
সিদ্দিকা কবীর পড়াশোনা করেন প্রথমে ইডেন কলেজে। সেখান থেকে তিনি বিজ্ঞান বিষয়ে প্রথম বিভাগে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে ভর্তি হন ও স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে পড়ার সময় তিনি তৎকালীন পাকিস্তান রেডিওতে ঘোষক হিসাবে খণ্ডকালীন চাকরীতে যোগ দেন। স্নাতক ডিগ্রী অর্জনের পরে প্রথমে ভিকারুন্নিসা নুন স্কুলে শিক্ষিকা হিসাবে কাজ করেন। এর পর তিনি ইডেন কলেজে গণিতের প্রভাষক হিসাবে যোগ দেন। এর পর তিনি ফোর্ড ফাউন্ডেশনের বৃত্তি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা স্টেট ইউনিভার্সিটি হতে ১৯৬৩ সালে খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞানে মাস্টার্স ডিগ্রি পান। যুক্তরাষ্ট্রে মাস্টার্স ডিগ্রি লাভের পর দেশে ফিরে তিনি গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসাবে নিযুক্ত হন। সেখান থেকে তিনি ১৯৯৩ সালে অবসর গ্রহণ করেন।

লেখালিখি ও রান্নার অনুষ্ঠান-
১৯৬৫ সালে সরকারি প্রতিষ্ঠান হতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে রান্না শেখা শুরু করেন। ১৯৬৫ সালে তিনি তদানিন্তন পাকিস্তান টেলিভিশনে "ঘরে বাইরে" নামে রান্নার অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করা শুরু করেন। সিদ্দিকা কবীর তাঁর "রান্না খাদ্য পুষ্টি" বইটির জন্য ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। বাংলাদেশের সর্বাধিক বিক্রিত বইগুলির মধ্যে এখন পর্যন্ত বইটি অন্যতম। বইটি প্রথম প্রকাশের সময় মুক্তধারা, বাংলা একাডেমী সহ অন্যান্য প্রকাশনা সংস্থা এটি প্রকাশ করতে রাজী হয়নি, পরে এটি নিজ খরচে প্রকাশ করেন লেখিকা। প্রকাশের পর এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।

১৯৮৪ সালে ইংরেজি ভাষায় একটি কারি রান্নার বই লিখেন। ১৯৮০ সালে লিখেন পাঠ্যবই খাদ্যপুষ্টি ও খাদ্য ব্যবস্থা, যা স্নাতক পর্যায়ে পড়ানো হয়। এছাড়া তিনি ১৯৯৭ সালে দৈনিক জনকণ্ঠে রসনা নামে কলাম লিখেন, যা পরবর্তীতে খাবার দাবারের কড়চা নামে প্রকাশিত হয়।

তবে তাঁর সবচাইতে জনপ্রিয় অনুস্থান ছিল এন টিভি তে সিদ্দিকা কবীর’স রেসিপি অনুষ্ঠানটি। এই একটি অনুষ্ঠান তাঁকে করে তুলেছিল বাংলাদেশের ঘরে ঘরে এক অতি আপনজন। বাংলাদেশকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে অধ্যাপক সিদ্দিকা কবীর ৩১ জানুয়ারি ২০১২-তে ঢাকার স্কয়্যার হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।[১] মৃত্যুর আগে তিনি হৃদরোগসহ বিভিন্ন বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন।

রন্ধনবিদ অনেকেই আছেন, ভবিষ্যতে আরও হবেন। কিন্তু তিনি রয়ে যাবেন অদ্বিতীয়। বাংলাদেশের রন্ধনশিল্পে সিদ্দিকা কবীর চিরকাল এক উজ্জ্বলতম নক্ষত্র হয়ে জ্বলবেন।


Comments (0)        Print        Tell friend        Top




 
  ::| Events
May 2019  
Su Mo Tu We Th Fr Sa
      1 2 3 4
5 6 7 8 9 10 11
12 13 14 15 16 17 18
19 20 21 22 23 24 25
26 27 28 29 30 31  
 

Online News Powered by: WebSoft
[Top Page]