Sunday, 11.18.2018, 03:00pm (GMT+6)
  Home
  FAQ
  RSS
  Links
  Site Map
  Contact
 
আবদুুল হাই মাশরেকী ছিলেন মূলসংস্কৃতির শিকড়ের আধুনিক কবি ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিল্পকলায় দুদিনব্যা ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭ তম জন্মজয়ন্তী আগামী ১ এপ্রিল ২০১৬ ; আল মুজাহিদী ; ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন
::| Keyword:       [Advance Search]
 
All News  
  গুণীজন সংবাদ
  বিপ্লবী
  ভাষা সৈনিক
  মুক্তিযোদ্ধা
  রাজনীতিবিদ
  কবি
  নাট্যকার
  লেখক
  ব্যাংকার
  ডাক্তার
  সংসদ সদস্য
  শিক্ষাবিদ
  আইনজীবি
  অর্থনীতিবিদ
  খেলোয়াড়
  গবেষক
  গণমাধ্যম
  সংগঠক
  অভিনেতা
  সঙ্গীত
  চিত্রশিল্পি
  কার্টুনিস্ট
  সাহিত্যকুঞ্জ
  ফটো গ্যাল্যারি
  কবিয়াল
  গুণীজন বচন
  তথ্য কর্ণার
  গুণীজন ফিড
  ফিউচার লিডার্স
  ::| Newsletter
Your Name:
Your Email:
 
 
 
গণমাধ্যম
 
আবেদ খান



আবেদ খান, একজন বাংলাদেশী সাংবাদিক ও কলাম-লেখক।
প্রারম্ভিক জীবন:
আবেদ খান ১৬ এপ্রিল ১৯৪৫ সালে, খুলনা জেলার রসুলপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। অবিভক্ত ভারতের দৈনিক আজাদ-এর সম্পাদক মাওলানা আকরম খাঁ সম্পর্কে তাঁর নানা (মাতামহ) ছিলেন।


সাংবাদিকতা:

মাত্র ১৭ বছর বয়সে ১৯৬২ সালে আবেদ খানেরও সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি ঘটে দৈনিক ‘জেহাদ’-এ। এ দৈনিকে সহ-সম্পাদক হিসেবে বছরখানেক কাজ করার পর ১৯৬৩-তে তিনি দৈনিক ‘সংবাদ’-এ যোগদান করেন। পরের বছরই দৈনিক ইত্তেফাক-এ একই পদে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে তিনি শুরু করেন এক দীর্ঘ কর্মসাধনাময় অধ্যায়। এ পত্রিকায় আবেদ খান পর্যায়ক্রমে শিফট-ইনচার্জ, প্রধান প্রতিবেদন, সহকারী সম্পাদক ও কলামিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।


২০০৯ সাল থেকে তিনি দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালের ৩০ জুন কালের কণ্ঠ থেকে পদত্যাগের পর বর্তমানে তিনি দৈনিক জাগরণ নামে নতুন একটি সংবাদপত্রে সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন।
 
মুক্তিযুদ্ধ:

১৯৭১ সালে চির গৌরবের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর ছিল ভিন্ন বলয়ে অন্য রকম একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তিনি ছিলেন এ দেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সক্রিয় ও বলিষ্ঠ যোদ্ধা।  পারিবারিক উত্তরাধিকারসূত্রে তাঁর এ ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক সক্রিয়তার, সবটুকু বলা যায়, দেশ ও মানুষের প্রতি নির্মল ভালোবাসার অমোঘ টানে তৈরি। ১৯৬২ সালে আবেদ ছাত্র-আন্দোলনে একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ’৬৬-র ছয় দফা আন্দোলনেও তিনি সোচ্চার ভূমিকায় পালন করেন। ১৯৬৯-এ আইয়ুববিরোধী গণ-আন্দোলনে তার দ্ব্যর্থহীন পদচারণা পূর্ববর্তী ধারাবাহিকতায় সুদৃঢ় হয়ে ওঠে। ১৯৭১-এর পয়লা মার্চ তিনি পুরনো ঢাকার নারিন্দা-ওয়ারী অঞ্চলে স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদ কমিটির কনভেনর হিসেবে নিজেদের মাঝে স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রস্তুতি-পর্বের দৃঢ় সূচনা করেন। ২৫ মার্চের কাল-রাতে ট্যাংকার নিয়ে পাকিস্তানি-হানাদার বাহিনী ইত্তেফাক ভবনে আগুন জ্বালিয়ে সর্বতোভাবে ধ্বংসের তাণ্ডবলীলায় মেতে উঠেছিল। ২৯ মার্চ তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। জুন মাসে সংবাদ, ডেইলি পিপল, ইত্তেফাক ভবন এবং সারা ঢাকার ওপর বয়ে চলা বিশ্ব-ইতিহাসের এই অতি-ভয়াল ধ্বংসলীলার চাক্ষুষসাক্ষী হিসেবে প্রথম তিনি কলকাতার আকাশবাণী বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরেন। ১ মে সাতক্ষীরা সীমানা অতিক্রম করে তিনি ভারতে চলে যান। সেখানে আকাশবাণী বেতার কেন্দ্রে তাঁর সাপ্তাহিক জবাব দাও স্বকণ্ঠ-ঘোষিত দুর্বার অনুষ্ঠানটি মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে। পাকিস্তান-হানাদার বাহিনীও তাঁর এই অনুষ্ঠানকে তাদের গাত্রদাহের প্রতিক্রিয়ায় জবাব নিন শিরোনামে পাল্টা অনুষ্ঠান প্রচার করতেন। অনেকেই তখন এ ধরণের প্রচারণায় ছদ্মনাম ব্যবহার করলেও দুঃসাহসী ও অকুতোভয় আবেদ খান কখনোই আকাশবাণীর কোনো অনুষ্ঠানে ছদ্মনাম ব্যবহার করেননি।

এরই মাঝে তিনি ৮ নং সেক্টরে তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করান। মেজর ওসমান তখন সেক্টর আটের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে ছিলেন। পরবর্তী সময়ে মেজর মঞ্জুর এ সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আবেদ খানের সাব-সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন ক্যাপ্টেন সফিকউল্লাহ। এ ছাড়াও জুন মাসে ১২ টি বাম দলের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় মুক্তিসংগ্রাম সমন্বয় পরিষদ-এর পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম আহ্বায়ক ছিলেন আবেদ খান।

 স্বাধীনতার পর:

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের আগস্টে ইত্তেফাকে তাঁর ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ‘ওপেন সিক্রেট’ প্রকাশিত হতে থাকে। বাংলাদেশে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরির প্রথাগত ধারণার ওপর এ ধারাবাহিক প্রতিবেদন সমূলে আঘাত হানে, পাল্টে দেয় তদন্তমূলক প্রতিবেদন তৈরির বহুচর্চিত অবকাঠামো ও পুরনো ধারা। বাংলাদেশে তদন্তসংক্রান্ত প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে তিনি একজন অসামান্য অগ্রদূত হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।  তৎকালীন সরকারের যেকোনো কর্মকাণ্ড বা ভূমিকার ওপর এ সংক্রান্ত সিরিজ যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করে। ‘ওপেন সিক্রেট’কে বলা যেতে পারে বাংলাদেশের তদন্তমূলক সাংবাদিকতার এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এ সংক্রান্ত পড়াশোনায় ‘রেফারেন্স’ হিসেবে ‘ওপেন সিক্রেট’-এর বিশেষ খ্যাতি রয়েছে। এরপর সম্পাদকীয় বিভাগে সহকারী সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের সময় তিনি অভাজন ছদ্মনামে ‘নিবেদন ইতি’ শিরোনামে কলাম লেখায় হাত দেন। এই ‘নিবেদন ইতি’ও সে সময় অভাবিত জনপ্রিয়তা পায়।

কলমসৈনিক হিসেবে মুক্ত-সাংবাদিকতা:

দীর্ঘ ৩১ বছরের সমৃদ্ধ সংবাদসেবা শেষে ’৯৫ সালে আবেদ খান ইত্তেফাক থেকে অব্যাহতি নেন। সূচিত হয় তাঁর সাংবাদিকতা জীবনের নতুন অধ্যায়। স্বাধীন কলম-সৈনিক হিসেবে এরপর তিনি সমসাময়িক সময়ে দেশের শীর্ষ দৈনিক জনকণ্ঠ, ভোরের কাগজ ও সংবাদ-এ মুক্তহাতে লিখতে থাকেন। ১৯৯৫ সাল থেকে জনকণ্ঠে সম্পাদকীয় পাতায় তাঁর ‘অভাজনের নিবেদন’ প্রকাশের পাশাপাশি প্রথম পাতায় ‘লেট দেয়ার বি লাইট’ শিরোনামের মন্তব্য প্রতিবেদন প্রকাশ হতে থাকে। ‘গৌড়ানন্দ কবি ভনে শুনে পুণ্যবান’ কলামটি জনকণ্ঠেই প্রকাশিত তাঁর স্যাটায়ার-ধর্মী জনপ্রিয় কলাম। দৈনিক ভোরের কাগজ-এর প্রথম পাতায় তাঁর ‘টক অব দ্য টাউন’ শিরোনামের মন্তব্য প্রতিবেদনটি সে সময় তুমুল জনপ্রিয়তায় দেশবাসীর কাছে হয়ে উঠেছিল যেন ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’। একই কাগজে এ সময় তাঁর উপসম্পাদকীয় কলাম ‘প্রাঙ্গণে বহিরাঙ্গনে’ প্রকাশ হতে থাকে। দৈনিক সংবাদে তিনি ‘তৃতীয় নয়ন’ নামে একটি অন্তর্দৃষ্টি-বিশ্লেষণাত্মক কলাম ধারাবাহিকভাবে লিখতে থাকেন। তখন আবেদ খানকে বিবেচনা করা হতো কোনো দৈনিককে জনপ্রিয় করে তোলার সবচেয়ে প্রভাবশালী সাংবাদিক ও কলাম-লেখক। এ সময় যে দৈনিকেই তাঁর ক্ষুরধার কলাম বা মন্তব্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে সেই দৈনিকই অর্জন করেছে অতিরিক্ত পাঠকপ্রিয়তা।  এ সময় ভারতের জনপ্রিয় বাংলা দৈনিক ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’র প্রবাসী সংস্করণ ‘প্রবাসী আনন্দবাজার’-এও নিয়মিতভাবে তাঁর লেখা প্রকাশ হতে থাকে। প্রতিষ্ঠান ছেড়ে এ সময় আবেদ খান নিজেই ক্রমশ একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়ে উঠতে থাকেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]  ১৯৯৮ সালে নতুন দৈনিক প্রথম আলো-তে ‘কালের কণ্ঠ’ শিরোনামে তাঁর উপসম্পাদকীয় কলাম প্রকাশ হতে থাকে। পরে ২০০৯ সালে আবেদ খানের নেতৃত্বে ‘কালের কণ্ঠ’ নামের একটি দৈনিক পত্রিকা বাজারে আসে এবং মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই এটি বিপুল পাঠকপ্রিয়তা পায়।

 ইলেকট্রনিক-মিডিয়ার সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে:

প্রিন্ট মিডিয়ার পাশাপাশি ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় আবেদ খানের বিচরণ যথেষ্ট ব্যঞ্জনাময়। রাষ্ট্রপরিচালিত টেলিভিশনের সঙ্গে স্বাধীনতা-পূর্ব সময়েই প্রথম সংস্পর্শে আসেন তিনি। ১৯৭১ সালে কলকাতার আকাশবাণী বেতার কেন্দ্র থেকে তাঁর তারুণ্যদীপ্ত জবাব দাও স্বকণ্ঠ-ঘোষিত কথিকাটি মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ বেতারে একটি স্যাটায়ার-ধর্মী টক-শো’র পাণ্ডুলিপি লিখতেন তিনি। তাঁর সেই হিউমার-সমৃদ্ধ টক-শো শ্রোতাদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে। প্রিন্ট মিডিয়ার পাশাপাশি আবেদ খান এ সময় থেকে ইলেকট্রনিক-মিডিয়ায় জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে প্রবেশ করেন ১৯৭৮ সালে। আবেদ খান ও ড. সানজিদা আখতার দম্পতির গ্রন্থনা-উপস্থাপনায় দম্পতি-বিষয়ক ধারাবাহিক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘তুমি আর আমি’ প্রথম থেকেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। দম্পতি-শিল্পীদের নিয়ে সঙ্গীত বিষয়ক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘একই বৃন্তে’ সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৮৪, ১৯৮৬ ও ১৯৯০ সালে আবেদ খান-সানজিদা দম্পতি ঈদের ‘আনন্দমেলা’ নামের একটি বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও গ্রন্থনার ভূমিকা পালন করেন। যেসব গুণী মানুষের সংস্পর্শে ‘আনন্দমেলা’ ঈদ অনুষ্ঠানটি জনপ্রিয়তার চূড়া স্পর্শ করেছে তাঁদের মধ্যে এ দম্পতি অন্যতম। এ সময় থেকে টেলিভিশনের অসংখ্য টক-শো সঞ্চালনার মাধ্যমে তাঁরা জনপ্রিয় টেলিভিশন-ব্যক্তিত্বে পরিণত হন-- যা এখনো সমানভাবে প্রবহমান। কিছুকাল রেডিও-টেলিভিশন শিল্পী সংসদের প্রেসিডেন্টেরও দায়িত্ব পালন করেন আবেদ খান।

 ইলেকট্রনিক-মিডিয়ায় ‘সাংবাদিকতা’:

১৯৯৯ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তিনি একুশে টেলিভিশনের সংবাদ ও চলতি তথ্য বিষয়ে প্রধান হিসেবে কাজ করেন। একুশে টেলিভিশনের জন্মলগ্ন থেকেই এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন এবং প্রথম আন্তর্জাতিক মানের সংবাদ উপস্থাপনার উদাহরণ হিসেবে একুশে টেলিভিশনকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। প্রাথমিকভাবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক মিডিয়া প্রযুক্তিগত অবকাঠামোতে অনেক বেশি সীমাবদ্ধ ছিল। তা সত্ত্বেও টেরেস্ট্রিয়াল ও স্যাটেলাইট টেলিভিশন মিডিয়ায় আধুনিক সাংবাদিকতা এ দেশে তাঁর হাত ধরেই স্পর্শ করেছে জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার বিরল শিখর। এর আগে ১৯৯৬-৯৯ সালে তাঁর অনুসন্ধানমূলক টেলিভিশন রিপোর্টিং সিরিজ ‘ঘটনার আড়ালে’ টেলিভিশন-সাংবাদিকতার আরেকটি জনপ্রিয় চূড়া।

দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে:

আবেদ খানের অসম সাহসিকতা বাংলাদেশের সংবাদপত্র ইতিহাসে সহজদৃষ্ট নয়। তিনি দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। তাঁর খ্যাতনামা ‘কালের কণ্ঠ’ কলামের নামে ২০০৯ সালে তিনি একটি দৈনিক পত্রিকার প্রজ্ঞাপন নেন নিজের নামে। বাংলাদেশের বৃহৎ একটি ব্যবসায়ী গ্র“পের সঙ্গে তিনি সম্পাদক হিসেবে এ পত্রিকার প্রকাশনা শুরু করেন। বাংলাদেশের সংবাদপত্র প্রকাশনার সব রেকর্ড ভেঙে দিয়ে প্রকাশনার মাত্র তিন মাসের মধ্যে কালের কণ্ঠ প্রচার সংখ্যায় পৌনে তিন লাখে পৌঁছে যায়। এর আগে দীর্ঘদিন তিনি দৈনিক সমকাল-এর সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন। সমকালের ক্রান্তিকালে সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর পত্রিকাটি মাত্র ২০ মাসের ভেতরে আলোচিত ও প্রশংসিত অবস্থানে আসতে সক্ষম হয়। দৈনিক যুগান্তর  পত্রিকায় তিনি ২০০৫ থেকে ’০৬ সাল পর্যন্ত সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তাঁর অকান্ত পরিশ্রম, মেধা ও সৃজনপ্রতিভায় যুগান্তরের হারিয়ে যাওয়া গৌরব পুনরুদ্ধার হয়। এর আগে তিনি কাজ করেছেন দৈনিক ‘ভোরের কাগজ’-এ (২০০৩-০৫)। সে সময় তাঁর অসামান্য নেতৃত্বগুণে ভোরের কাগজ দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থা থেকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে আধুনিক ও মানসম্মত অবস্থানে উঠে আসতে সক্ষম হয়। ২০১১ সালের ৩০ জুন কালের কণ্ঠ থেকে পদত্যাগের পর বর্তমানে তিনি দৈনিক জাগরণ নামে নতুন একটি সংবাদপত্রে সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন।

 প্রকাশিত গ্রন্থ:

   1. অভাজনের নিবেদন
   2. গৌড়ানন্দ কবি ভনে শুনে পুণ্যবান
   3. কালের কণ্ঠ
   4. প্রসঙ্গ রাজনীতি
   5. হারানো হিয়ার নিকুঞ্জপথে
   6. আনলো বয়ে কোন বারতা ইত্যাদি

সাংবাদিক জীবনের প্রথম থেকেই তিনি সমসায়িক বিভিন্ন পত্রিকা ও সংকলনপত্রে অসংখ্য গল্প লিখেছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি সাহিত্যজগতেও দাপটের সঙ্গে বিচরণ করার মতো বিরল প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও কোনো এক নির্লিপ্ততায় তাঁর এসব সাহিত্যকর্ম নিয়ে কোনো সাহিত্য-সংকলন প্রকাশিত হয়নি। শুধু ছোটদের জন্য সম্প্রতি ‘আমাদের টুকুনবাবু’ নামে তাঁর একটি অসাধারণ উপকথার বই প্রকাশিত হয়েছে।

Comments (0)        Print        Tell friend        Top


Other Articles:
কামাল লোহানী
আবদুস সালাম
নূরজাহান বেগম
আবদুল গাফফার চৌধুরী



 
  ::| Events
November 2018  
Su Mo Tu We Th Fr Sa
        1 2 3
4 5 6 7 8 9 10
11 12 13 14 15 16 17
18 19 20 21 22 23 24
25 26 27 28 29 30  
 
::| Hot News
আবেদ খান
কামাল লোহানী
আবদুস সালাম

Online News Powered by: WebSoft
[Top Page]