Monday, 05.20.2019, 03:54am (GMT+6)
  Home
  FAQ
  RSS
  Links
  Site Map
  Contact
 
আবদুুল হাই মাশরেকী ছিলেন মূলসংস্কৃতির শিকড়ের আধুনিক কবি ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিল্পকলায় দুদিনব্যা ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭ তম জন্মজয়ন্তী আগামী ১ এপ্রিল ২০১৬ ; আল মুজাহিদী ; ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন
::| Keyword:       [Advance Search]
 
All News  
  গুণীজন সংবাদ
  বিপ্লবী
  ভাষা সৈনিক
  মুক্তিযোদ্ধা
  রাজনীতিবিদ
  কবি
  নাট্যকার
  লেখক
  ব্যাংকার
  ডাক্তার
  সংসদ সদস্য
  শিক্ষাবিদ
  আইনজীবি
  অর্থনীতিবিদ
  খেলোয়াড়
  গবেষক
  গণমাধ্যম
  সংগঠক
  অভিনেতা
  সঙ্গীত
  চিত্রশিল্পি
  কার্টুনিস্ট
  সাহিত্যকুঞ্জ
  ফটো গ্যাল্যারি
  কবিয়াল
  গুণীজন বচন
  তথ্য কর্ণার
  গুণীজন ফিড
  ফিউচার লিডার্স
  ::| Newsletter
Your Name:
Your Email:
 
 
 
কবি
 
রেজাউদ্দিন স্টালিন




কবি ও টিভি ব্যক্তিত্ব রেজাউদ্দিন স্টালিন ১৯৬২ সালের ২২ নভেম্বর বৃহত্তর যশোরের ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ থানার নলভাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা শেখ বোরহানউদ্দিন আহমেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। মাতার রেবেকা সুলতানা একজন গৃহিনী।
 
রেজাউদ্দিন স্টালিনের শৈশব কাটে গ্রামের বাড়ীতে। পরবর্তীতে পিতা-মাতার সাথে সপরিবারে কালিগঞ্জ থানা শহরে চলে আসেন। ১৯৬৯ সালে যশোর নতুন উপশহরে ডি ব্লকের ২২৩ নম্বর বাসাতে সপরিবারে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।

শিক্ষাজীবন শুরু হয় কালিগঞ্জের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। কালিগঞ্জ থেকে যশোরে আসার পর পর্যায়ক্রমে সেবাসংঘ উচ্চ বিদ্যালয়, নতুন উপশহর প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ঘোপের মাহমুদুর রহমান তিনি পড়াশোনা করেন। ১৯৭৬ সালে তিনি মাহমুদুর রহমান বিদ্যালয় থেকে ম্যট্রিক পাশ করেন। ইণ্টারমিডিয়েট পাশ করেন ১৯৭৮ সালে যশোর এম. এম কলেজ থেকে। একই কলেজ থেকে ১৯৮২ সালে তিনি অর্থনীতিতে অনার্স ডিগ্রী অর্জন করেন। ১৯৮৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মস্টার্স শেষ করেন।

ছেলে বেলাতেই পারিবারিক পরিবেশের মধ্যে দিয়ে তাঁর কবি প্রতিভার বিকাশ ঘটে। তাঁর প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় ১৯৬৯ সালে যশোরে আয়শা সরদার সম্পাদিত শতদল পত্রিকায়। এরপর থেকে তিনি নিয়মিত লিখতে শুরু করেন। তাঁর লেখার মান উৎকৃষ্ট হতে থাকে ১৯৮০ সালের দিকে। তিনি উন্মেষ সাহিত্য আসরে ও যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরীতে রবি বাসরে নিয়মিত সাহিত্য চর্চা করতেন। সবসময় চেষ্টা করেছেন এদেশের মানুষ, প্রকৃতি, সমস্ত অন্যায়, অত্যাচার ও অবিচারের বিরুদ্ধে তাঁর কলমকে সমুন্বত রাখতে। কখনও তিনি অন্যায়ের কাছে আপোষ করেননি, করেননি মাথানত। তিনি মনে করেন কবিতা হচ্ছে জীবনের সবচেয়ে শুদ্ধতম শিল্প, যেখানে মিথ্যার আঁচড় থাকতে পারে না। তার পিতা-মাতা তাকে একাজে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন।
 
রেজাউদ্দিন স্টালিন মোট ২&ৗ২৫৩৮;টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে “পূর্ণøপ্রাণ যাবে” - ১৯৮৩ সাল, “দাঁড়াও পথিকবর” - ১৯৮৬ সাল (একটি যৌথ প্রকাশনা), “ফিরিনি অবাধ্য আমি” - ১৯৮৫, “ভেঙে আনো ভিতরে অন্তরে” - ১৯৮৭, “সেইসব ছদ্মবেশ” - ১৯৮৯, “আঙ্‌গুলের জন্য দ্বৈরথ” - ১৯৯২, “আশ্বর্য আয়নাগুলো” - ১৯৯২, “ওরা আমাকে খুঁজছিল” - ১৯৯৭, “সম্ভাবনার নিচে” - ১৯৯৬, “পৃথিবীতে ভোর থেকে দেখিনি কখনো” - ১৯৯৭, “আশীর্বাদ করি আমার দুঃসময়কে” - ১৯৯৮, “হিংস্র নৈশভোজ” - ১৯৯৯, “আমি পৃথিবীর দিকে আসছি” - ২০০০, “লোকগুলো সব চেনা” - ২০০১, “নিরপেক্ষতার প্রশ্ন” - ২০০২, “পদশব্দ শোন আমার কণ্ঠস্বর” - ২০০৩, “পুনরুত্থান পর্ব” - ২০০৪, “অবিশ্র“ত বর্তমান” - ২০০৫, “মুহুর্তের মহাকাব্য” - ২০০৬ সাল, “অনির্দিষ্ট দীর্ঘশ্বাস” - ২০০৮, “ভাঙা দালানের স্বরলিপি”  ৈ২০০৯, “কেউ আমাকে গ্রহণ করেনি”  ৈ২০০৯ সাল।

স্টালিন কবিতা লিখেছেন সহস্রাধিক। সংকলনগুলো হচ্ছে “রেজাউদ্দিন স্টালিনের কবিতা” - ১৯৯০ সাল, “রেজাউদ্দিন স্টালিনের কবিতা সংগ্রহ” - ১৯৯৫, “রেজাউদ্দিন স্টালিনের কবিতা সংগ্রহ” - ১৯৯৬, “মৃত্যুর জন্ম দিতে দিতে” - ১৯৯৭ সাল। তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়েছে ভারতের সাপ্তাহিক দেশ, শিব নারায়ণ সম্পাদিত জিজ্ঞাসাসহ বাংলা ভাষায় সব বড় পত্রিকাতেই। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে আরও সমৃদ্ধ করতে তিনি নিয়মিত চর্চা করে যাচ্ছেন। বর্তমান প্রজন্মের কবিরা যে ধারার কবিতা লিখছেন, স্টালিন তার ব্যতিক্রম। তাঁর লেখা কবিতা পৃথিবীর বহু ভাষায় অনূদিত হয়েছে। স্টালিনের কবিতা অনুদিত হয়েছে ইংরেজি, হিন্দী, উর্দূ, চীনা, জার্মান, ফরাসী, রুশ, উড়িয়া, মালয়লামসহ পৃবিবীর বহু ভাষায়। প্রবাসী বাঙ্গালীদের সহযোগিতায় মূলত রেজাউদ্দিনের কবিতার প্রচার ও প্রসার ঘটেছে। ২০০৫ সালে তিনি কবিতার জন্য বাংলা একাডেমী পদক পেয়েছেন।

রেজাউদ্দিন স্টালিন-এর কবিতা নিয়ে যারা আলোচনা করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন শিবনারায়ণ রায়, শঙ্খ ঘোষ, আল-মাহমুদ, বিশ্বজিৎ ঘোষ, শান্তনু কায়সার, জাকারিয়া শিরাজী, আহমদ মাযহার, রহমান হেনরী, তপন বাগচী, নির্মল বসাক, আহমেদ মওলা, শিমুল আজাদ, চঞ্চল আশরাফ, শাহীন রেজা, রওশন ঝুনু প্রমুখ।
একটি মাত্র উপন্যাস লিখেছেন “সম্পর্কেরা ভাঙে” - ২০০৮ সালে। একটি মাত্র গদ্যগ্রন্থ “নির্বাসিত তারুণ্য” - ১৯৯৬ সাল। শিশুতোষ ছড়াগ্রন্থ “হাঁটতে থাকো” - ২০০৭ সাল এবং “নজরুলের আতড্ড-নৈরতড্ড” ২০০৬ সাল। স্বরচিত কবিতা আবৃত্তির অডিও ক্যাসেট দুইটি (গীতালী) “ফিরিনি অবাধ্য আমি” - ১৯৮৫ সাল এবং “সেইসব ছদ্মবেশ” - ১৯৮৭ সাল। সম্প্রতি তিনি নিজের নান্দনিক জগত ও প্রেমভাবনা নিয়ে লিখছেন।

রেজাউদ্দিন স্টালিন কর্মের স্বীকৃতি স্বরূপ দেশ-বিদেশের বেশকিছু সংগঠন কর্তৃক বহু পুরষ্কার ও সম্মাননা পেয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সাস্কৃতিক খরব সম্মাননা (কলকাতা, ভারত) ১৯৮৭, ছোট কাগজ সম্মাননা (উড়িষ্যা, ভারত) ১৯৮৭, ইকো সাহিত্য পুরস্কার (ভারত) ১৯৯১, ধারা সাহিত্য আসর স্বর্ণপদক ১৯৯৩, লাইফ ইণ্টারন্যাশনাল এওয়ার্ড ১৯৯৪, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক একাডেমী স্বর্ণপদক ১৯৯৫, নাইট জুভেনাইল কনফেডারেসী পুরস্কার ১৯৯৮, বর্জন পুরস্কার ১৯৯৯, শব্দবার্তা সম্মাননা (পশ্চিমবঙ্গ) ২০০৫, সম্মিলনী মহিলা সমবায় সমিতি লি. পুরস্কার ২০০৪, মহানগরী সাংস্কৃতিক ফেরাম পুরস্কার ২০০৪, বাংলা একাডেমী পুরস্কার ২০০৫, খুলনা রাইটার্স ক্লাব পুরস্কার ২০০৫, রোদসী সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠন সম্মাননা ২০০৫, দেশ, মাটি ও মানুষ সম্মাননা ২০০৫, অনন্য আশি সম্মাননা ২০০৫, ম্যাজিক লণ্ঠন সম্মাননা ২০০৫ সাল এবং মাইকেল মধুসূদন পুরষ্কার ২০০৯ সালে লাভ করেছেন।

রেজাউদ্দিন স্টালিন বিটিভি, এটিএন বাংলা, চ্যানেল আই, বাংলাভিশন, আরটিভি, ও মাই টিভিসহ নানা চ্যানেলে নিয়মিত অনুষ্ঠান করে থাকেন। ১৯৭৮ সালে তিনি প্রথম তাঁকে বিটিভিতে দেখা যায় একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে। তারপর নিয়মিতভাবে ১৯৮৪ সলে ‘শিল্প ও সাহিত্য’, ১৯৯০ সালে ‘তারুন্য’, পরবর্তী পাঁচ বছরে করেছেন ‘চাওয়া পাওয়া’, ‘সবার জন্য প্রতিধ্বনি’, ‘আরশি নগর’, ‘অক্ষরের গল্প’, ‘ঞধষশ ড়ভঃযব বিবশ’ প্রভৃতি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি একজন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি এটিএন বাংলাতে ‘সবার জন্য’, আরটিভিতে ‘ঞধষশ ড়ভঃযব বিবশ’ ও চ্যানেল আই ‘আরশিনগর’ নামে তিনটি অনুষ্ঠানে কাজ করছেন।

নজরুল ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক পদে চাকরির পাশাপাশি রেজাউদ্দিন স্টালিন ‘পারফিউমিং আর্ট সেণ্টার’ নামে একটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। আজিজ সুপার মার্কেটে অবস্থিত ‘ম্যাজিক লন্ঠন’ নামে আর একটি সংগঠনের তিনি সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন। ইতোপূর্বে তিনি ঢাকা বুক ক্লাবের মহাসচিব ছিলেন। বর্তমানে তিনি এর সদস্য। সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রের আজীবন সাদস্য তিনি। তিনি বাংলা একাডেমীর একজন ফেলো। তাঁর সম্পাদিত পত্রিকার মধ্যে রয়েছে রৌদ্র দিন, বসন্ত-বর্ষ-শরতের পদাবলী সম্পাদনা ইত্যাদি।

তিনি ১৯৯০ সালে  ওয়াহিদা আক্তারের সাথে বৈবাহিক সূত্রে আবদ্ধ হন। তাঁর স্ত্রী একজন রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী। স্টালিনের এক মাত্র কন্যা তানজিলা রেজা।

Comments (0)        Print        Tell friend        Top


Other Articles:
সুকুমার রায়
কবি শামসুর রাহমান
মহসিন হোসাইন
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত
কে জি মোস্তফা
 কাজী নজরুল ইসলাম
জীবনানন্দ দাশ
কবি-প্রাবন্ধিক-গবেষক আবদুল মান্নান সৈয়দ
আহসান হাবীব
সুকুমার বড়ুয়া



 
  ::| Events
May 2019  
Su Mo Tu We Th Fr Sa
      1 2 3 4
5 6 7 8 9 10 11
12 13 14 15 16 17 18
19 20 21 22 23 24 25
26 27 28 29 30 31  
 
::| Hot News
আল মুজাহিদী
কবি আবদুল হাকিম
কবি নির্মলেন্দু গুণ : গুণীজন techtunes bdnews24 bangladesh dse bdjobs alo prothom alo পড়ুন&
সুকান্ত ভট্টাচার্য
বুদ্ধদেব বসু
লোককবি আবদুল হাই মাশরেকী
কবি মনিরউদ্দীন ইউসুফ
হেলাল হাফিজ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কবি কায়কোবাদ

Online News Powered by: WebSoft
[Top Page]