Monday, 03.25.2019, 08:56pm (GMT+6)
  Home
  FAQ
  RSS
  Links
  Site Map
  Contact
 
আবদুুল হাই মাশরেকী ছিলেন মূলসংস্কৃতির শিকড়ের আধুনিক কবি ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিল্পকলায় দুদিনব্যা ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭ তম জন্মজয়ন্তী আগামী ১ এপ্রিল ২০১৬ ; আল মুজাহিদী ; ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন
::| Keyword:       [Advance Search]
 
All News  
  গুণীজন সংবাদ
  বিপ্লবী
  ভাষা সৈনিক
  মুক্তিযোদ্ধা
  রাজনীতিবিদ
  কবি
  নাট্যকার
  লেখক
  ব্যাংকার
  ডাক্তার
  সংসদ সদস্য
  শিক্ষাবিদ
  আইনজীবি
  অর্থনীতিবিদ
  খেলোয়াড়
  গবেষক
  গণমাধ্যম
  সংগঠক
  অভিনেতা
  সঙ্গীত
  চিত্রশিল্পি
  কার্টুনিস্ট
  সাহিত্যকুঞ্জ
  ফটো গ্যাল্যারি
  কবিয়াল
  গুণীজন বচন
  তথ্য কর্ণার
  গুণীজন ফিড
  ফিউচার লিডার্স
  ::| Newsletter
Your Name:
Your Email:
 
 
 
কবি
 
কবি আফরোজা অদিতি - পাবনা


gunijan / poet / bangladesh / pabna  গুণীজন / কবি /বাংলাদেশ / পাবনা
 
আফরোজা অদিতি, ১৯৫৩ সালের ১ জুলাই, একটি  প্রগতিশীল রাজনৈতিক পরিবারে তার জন্ম। তার বাবা কমরেড আলাউদ্দিন আহমেদ পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির করতেন। তিনি কৃষক নেতা ছিলেন। তার মা, আম্বিয়া বেগমও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ছোটবেলায় রাজনৈতিক নেতাদের সাহচর্যে থাকার জন্য তিনি রাজনৈতিক চেতনা নিয়েই বেড়ে উঠেছেন। তবে তিনি রাজনীতি করার চেয়ে লেখালেখিই পছন্দ করেন। তিনি মনে করেন ‘ বন্দুকের নল কখনও ক্ষমতার উৎস’ হতে পারে না। বন্দুকের নল কখনও সমাজ বদলের হাতিয়ারও হতে পারে না।

আফরোজা অদিতির জন্ম প্রগতিশীল পরিবারে, বেড়ে ওঠাও প্রগতিশীল পরিবারে। সে সময় গ্রামে স্কুল না থাকায়, খুব ছোট বয়সেই তিনি শিক্ষার জন্য পাবনা শহরে চলে যান। সেখানে খান বাহাদুর ওয়াসিম উদ্দিন খান সাহেবের বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করেন। গ্রামের স্কুল, সাহাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পাশ করে পাবনা শহরে চলে যান। পাবনা সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি. পাশ করেন। এবং পাবনা মহিলা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট এবং বি.এ. পাশ করেন।

তিনি লেখাপড়া শেষে ব্যাংকে যোগ দেন। আন্তরিকতা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে ব্যাংকের দায়িত্ব পালন করেন। তার কর্ম এবং লেখালেখি সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী হওয়া সত্ত্বেও কাজের অবসরে লেখালেখি নিষ্ঠার সঙ্গে চালিয়ে গিয়েছেন। লেখালেখি তার জীবনের সঙ্গে এমন ভাবে জড়িত যে একে পৃথক করার কথা তিনি চিন্তাও করতে পারেন না। তার জীবনের সব সঞ্চয়, এবং অভিজ্ঞতা তিনি এই লেখালেখিতেই ব্যয় করেছেন, এবং এখনও করছেন।

তিনি ছোট বেলা থেকে পাঠ্য পুস্তকের বাইরের বই পড়তেন। সবসময়ে তিনি রূপকথা এবং কল্পকাহিনী পড়তে ভালোবাসতেন। প্রগতিশীল পরিবেশে বেড়ে ওঠার কারণেই তিনি স্বচ্ছ এবং সুন্দর চিন্তার লেখক হতে পেরেছেন।

তার লেখার ভেতর তৃণমূল মানুষের কথা উঠে এসেছে। তার মা, আম্বিয়া বেগম সবসময় তার লেখার উৎসাহ জুগিয়েছেন। ছেলেমেয়েরাও কখনও তার লেখার কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ায় নি। সব সময় তারা তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়েই রেখেছে। এখনও রাখছে। তার ভাই, কামরুল হাসানও তার বোনের লেখালেখির ব্যাপারে একান্তভাবে সচেষ্ট। অন্য ভাই, শহীদুল হাসান (মৃত) মারা যাওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত লেখালেখির সহযোগিতা করেছেন। এক কথায় আফরোজা অদিতিকে, লেখালেখির জন্য পরিবার থেকে কোন বাধারই সম্মুখীন হতে হয় নি।

তিনি স্বাধীন ভাবে বেড়ে ওঠেছেন। তার বাবা, নারী শিক্ষায় এবং নারী স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার পক্ষে ছিলেন। তার পরিবারও ছিলো মাতৃতান্ত্রিক। তার লেখায় নারী স্বাধীনতার কথায় বেশী উঠে এসেছে। সাহিত্যের সব শাখাতেই কমবেশি বিচরণ আছে তার। তিনি কলাম লিখেছেন, এখনও লেখেন। শিশুদের জন্য গল্প কবিতা ছড়াও লেখেন তিনি। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ সহ মোট ৪০টি বই আছে। তিনি প্রথাগত লেখার সঙ্গে লেখার ভাংচুর পছন্দ করেন। তিনি আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট থেকে হিন্দী ও ফার্সির সংক্ষিপ্ত কোর্স করেছেন।

তিনি, ‘প্যংতিয়া’ নামে একটি হিন্দী কবিতার বই লিখেছেন।  তিনি, ‘ বাঙালির অন্য নাম শেখ মুজিবর রহমান, বইটির হিন্দী অনুবাদ করেছেন। হিন্দী থেকে একটি শিশুতোষ বাংলা অনুবাদ করেছেন।

তার ‘একশত এক প্রেমের কবিতা’ ও ‘ভালবাসার তানকা’  ইংরেজিতে অনুদিত হয়েছে। তার হাজার প্রেমের কবিতা ‘গাঙচিল মন’ উল্লেখযোগ্য কবিতার বই। ‘ জ জীবন’ উপন্যাস এবং ‘আফরোজা আদিতির বাছাই গল্প’ সংগ্রহে রাখার মতো বই।   

তিনি আঞ্চলিক ভাষায় কবিতা লিখেছেন। জাপানি কবিতা ‘তানকা’ এবং ‘হাইকু’র আদলে বাংলা তানকা ও হাইকু রচনা করেছেন। শিশুদের জন্য লিমেরিকও রচনা করেছেন। তিনি বাংলাদেশ বেতার এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন এর তালিকাভুক্ত গীতিকার।   

আফরোজা অদিতি ১৯৮০ দশক থেকে লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত। ১৯৮৪ সালে,  দৈনিক  ইত্তেফাকে, তার প্রথম কবিতা বের হয়। লেখক নাম ছিলো আফরোজা বেগম।  আফরোজা বেগম, মঞ্জু আহমেদ নামে বেশ কয়েকটি বই আছে। আফরোজা অদিতি, বেশ কয়েকটি নামে লিখেছেন। আফরোজা বেগম, মঞ্জু আহমেদ, শেখ অদিতি।  

আফরোজা অদিতি, বাংলা একাডমীর সাধারণ সদস্য। এ ছাড়াও অনেক সাহিত্য সংগঠনের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন এবং আছেন।  তিনি যে কাজই করেন আন্তরিকতা এবং নিষ্ঠার সঙ্গেই করেন। তিনি তার সাহিত্য কর্মের জন্য অনেক গুলো সম্মাননা পেয়েছেন। ঈশ্বরদী সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ (১৯৯৮), নন্দিনী সাহিত্য ও পাঠচক্র (২০০১), কবি সুকান্ত সাহিত্য পরিষদ (২০০২), নোঙর সাহিত্য পুরস্কার (২০০৪), আশরাফ সিদ্দিকী, সাঈদা সিদ্দিকী ফাউন্ডেশন পদক (২০০৮), জাতীয় সাহিত্য পরিষদ (২০১০) উল্লেখযোগ্য। তিনি বিশ্বাস করেন, এই সম্মাননা তার লেখালেখির ক্ষেত্রে দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

তিনি, কমরেড আলাউদ্দিন স্মৃতি পুরস্কার প্রবর্তন করেছেন। তটিনী নামে একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকার প্রকাশক তিনি।

তিনি ব্যক্তিগতভাবে অনেক মেয়েকেই শিক্ষার জন্য সহায়তা করছেন। অনেককেই সাহায্য করেছেন, যাতে তারা নিজেরা কিছু করতে পারে।  তিনি নারী ও শিশুদের জন্য ভালো কিছু করার জন্য চিন্তা করছেন। তিনি মনে করেন, মানুষের জন্ম একবারই হয় এবং মানুষের আয়ুষ্কাল সীমিত।  এবং এই পৃথিবীর কাছে, সমাজের কাছে মানুষের জন্ম ও শিক্ষার যে ঋণ আছে, তা প্রতিটি মানুষকে পরিশোধ করে যাওয়া উচিত। তিনিও এ ব্যাপারে সচেষ্ট।        

আফরোজা আদিতির বই

  কাব্যঃ

 সেই মন নেই (১৯৮৪), পথের বাঁকে (১৯৯১), খুলে দেখতে বড্ড সাধ (১৯৯৭), নীল দ্বীপের ভালোবাসা (১৯৯৯),

অহং, প্রিয় কবিতা (২০০১), দোয়েলের শিস (২০০৪), সতেরো অক্ষরের খেলা (২০০৫), টুনি কাব্য (২০০৫), একশ একটি প্রেমের কবিতা (২০০৫), কি চাও হুর না মানবী (২০০৫), সুসান্ত-অদিতির কবিতা (২০০৫), গাঙচিল মন (২০০৬), আমাদের কবিতা (২০০৬), প্যংতিয়া (হিন্দী কাব্য,২০০৭), দ্বিবীজ প্ত্রী (২০০৭), প্রেমের কবিতা (২০১০), কাব্য কানন (২০১০), ভালোবাসার তানকা (২০১০), তর জন্যি ভালোবাসা (২০১১), Selected Poems, Hundred and One . 

 গল্প গ্রন্থ

 স্বাধীনতার সন্তান (১৯৯৩), বিশ্বাস কাঁদে বুকের ভেতর (২০০২), অন্য জগতের চিঠি ( ২০০৮), আফরোজা অদিতির বাছাই গল্প (২০১১)

 উপন্যাস

 টু ফর জয় (২০০১), চন্দনের গন্ধ (২০০২), তিনটি উপন্যাস (২০০৫), একই সমান্তরালে (কিশোর উপন্যাস,২০০৫), দুই জীবনের গল্প (২০০৯), জ জীবন (২০০৯)।

 জীবনী

 ইসলামের ইতিহাসে মহীয়সী নারী (২০০৪)

 প্রবন্ধ

 

যাপিত জীবনে নারী

 শিশুতোষ

 

ফুলকুমারী (অনুবাদ, ২০০৭), ছায়া ভূত (২০০৭), ছড়ায় ছড়ায় পড়া বারো মাসের ছড়া (২০০৭), টুনির পড়া টুনির ছড়া (২০০৯), নাম হলো ওর ঝ্যাং (২০১০)

 পকেট বই (উদ্ধৃতি মূলক)

 ভালোবাসা দিবস, নারী দিবস, শিশু দিবস, মা দিবস (২০০৭)।

 প্রকাশিতব্য বই ঃ বিষাদে অন্তরীণ (হাইকু)    

 bd100569

                                                                                                              


Comments (0)        Print        Tell friend        Top


Other Articles:
কবি আবদুল হাকিম
কবি নির্মলেন্দু গুণ : গুণীজন techtunes bdnews24 bangladesh dse bdjobs alo prothom alo পড়ুন&
সুকান্ত ভট্টাচার্য
বুদ্ধদেব বসু
লোককবি আবদুল হাই মাশরেকী
কবি মনিরউদ্দীন ইউসুফ
চন্দ্রাবতী
কাজলা দিদির কবি
হেলাল হাফিজ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর



 
  ::| Events
March 2019  
Su Mo Tu We Th Fr Sa
          1 2
3 4 5 6 7 8 9
10 11 12 13 14 15 16
17 18 19 20 21 22 23
24 25 26 27 28 29 30
31            
 
::| Hot News
আল মুজাহিদী
কবি আবদুল হাকিম
কবি নির্মলেন্দু গুণ : গুণীজন techtunes bdnews24 bangladesh dse bdjobs alo prothom alo পড়ুন&
সুকান্ত ভট্টাচার্য
বুদ্ধদেব বসু
লোককবি আবদুল হাই মাশরেকী
কবি মনিরউদ্দীন ইউসুফ
হেলাল হাফিজ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কবি কায়কোবাদ

Online News Powered by: WebSoft
[Top Page]