Monday, 05.20.2019, 03:55am (GMT+6)
  Home
  FAQ
  RSS
  Links
  Site Map
  Contact
 
আবদুুল হাই মাশরেকী ছিলেন মূলসংস্কৃতির শিকড়ের আধুনিক কবি ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিল্পকলায় দুদিনব্যা ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭ তম জন্মজয়ন্তী আগামী ১ এপ্রিল ২০১৬ ; আল মুজাহিদী ; ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন
::| Keyword:       [Advance Search]
 
All News  
  গুণীজন সংবাদ
  বিপ্লবী
  ভাষা সৈনিক
  মুক্তিযোদ্ধা
  রাজনীতিবিদ
  কবি
  নাট্যকার
  লেখক
  ব্যাংকার
  ডাক্তার
  সংসদ সদস্য
  শিক্ষাবিদ
  আইনজীবি
  অর্থনীতিবিদ
  খেলোয়াড়
  গবেষক
  গণমাধ্যম
  সংগঠক
  অভিনেতা
  সঙ্গীত
  চিত্রশিল্পি
  কার্টুনিস্ট
  সাহিত্যকুঞ্জ
  ফটো গ্যাল্যারি
  কবিয়াল
  গুণীজন বচন
  তথ্য কর্ণার
  গুণীজন ফিড
  ফিউচার লিডার্স
  ::| Newsletter
Your Name:
Your Email:
 
 
 
কবি
 
মহসিন হোসাইন


 
সত্তর দশকের অন্যতম  কবি মহসিন হোসাইন

আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ব্যতিক্রমী ও সত্তর দশকের অন্যতম প্রধানকবি মহসিন হোসাইন। মহসিন হোসইন বিচিত্রগামী ও সার্বভৌম কবি। বাংলা সাহিত্যের সব ধারায় রয়েছে তার সফল পদচারণা। তাঁর কবিতা হলো এক বিরল বৈদদ্ধজাতরসময় বাক্যপ্রতিমা। যথাশব্দ নির্মাণ ও প্রয়োগে ইতোমধ্যে কবি মহসিন হোসাইন দুই বাংলার পাঠকের কাছে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছেন। তাঁর কবিতা স্বপ্ন ও বিস্ময়ের এক অভিনব সংমিশ্রণ। জীবনের সমসত্দ অভিজ্ঞতার স্পর্শ তিনি দিয়ে যেতে চান তাঁর কবিতার শরীরে। উপমা-উতপ্রেৰা নির্মাণ,ছন্দের যথাযথ প্রয়োগ,দেশি ও বিদেশি মিথ বা পুরানের ব্যবহারে মহসিন হোসাইন বিশেষ পারঙ্গম। গবেষকদের ধারণা,সত্তর দশকের কবিদের মধ্যে তিনিই সবের্াচ্চ সংখ্যক মিথ ব্যবহার করার দৃষ্টানত্দ।তিনি আধুনিক জীবনবোধ,নাগরিকযন্ত্রণা,গ্রামীণকমলসৌন্দর্য,প্রকৃতির রূপসুষুমা,আগামী দিনের স্বপ্ন ও স্মৃতি লালন করেন তার কবিতায়। তিনি বিচিত্র মত,পথ ও আদর্শের সঙ্গে পরিচিত হয়ে তাঁর কাব্যের সুরম্যপরিধি নির্মাণে এগিয়ে এসেছেন। তিনি কবিতার শরীর নির্মাণে ব্যতিক্রমী। তাঁর কবিতায় আছে গভীর জীবনবোধ,দার্শনিক অনত্দদৃষ্টি,তীক্ষ্ন শব্দাবলী,আলোছায়া ও অনুভবের বিচিত্ররহস্য।


 জাতীয় প্রেসক্লাবের লাউঞ্জে (বাঁ থেকে) কবি শামসুর রাহমান ও কবি মহসিন হোসান

মহসিন হোসইনের মোট ৭৭ খানি প্রকাশিত গ্রন্থ রয়েছে। এরমধ্যে ৬ খানি কাব্যগ্রন্থ, ১১ খানি ছড়াগ্রন্থ ২ খানি অনুবাদ কাব্য (উর্দু ভাষার) ও কয়েকখানি সম্পাদিত কবিতাগ্রন্থ; তার মোট কবিতার গ্রন্থ ২৩খানি। মহসিন হোসাইন রেডিও ও টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত গীতিকার। তাঁর রচিত আড়াই হাজারের বেশি গান রয়েছে,রচিত গান দেশের বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পিরা নিয়মিত পরিবেশন করে থাকেন। মহসিন হোসাইন যে সব ধারায় তার সাহিত্যসাধনা করেছেন ও করছেন সেগুলো হলো,কবিতা,গান,ছড়া,গল্প,উপন্যাস,সঙ্গীতসংগ্রহ,সঙ্গীতবিষয়কনিবন্ধ,স্মৃতিকথা,ইতিহাসবিষয়ক রচনা ইত্যাদি। তবে তার মূলৰেত্র হলো, কবিতা। কবিতায়ই তাঁর প্রথম প্রেম। কবিতা রচনায়ই তিনি বেশি মনোযোগী।

পরিবারিক অবস্থান: কবি মহসিন হোসাইন অখন্ড যশোর জেলার নড়াইল মহকুমার(বর্তমান জেলা) কালিয়া থানা(বর্তমান উপজেলা)র ঐতিহাসিক কলাবাড়িয়া(কেলাবাড়ি) গ্রামের দশানিপাড়া(মোল্যাপাড়া)র প্রাচীন জমিদার পরিবারে ভূমিষ্ঠ হন। মহসিন হোসাইন ১৩৬১ সালের ২১ বৈখাখ (১৯৫৪ সালের ৪ মে) পিতৃগৃহে ভূমিষ্ঠ হন। তাঁর পিতা আবদুর রাজ্জাক মিয়া ও জননী সাহেদা খানম। পিতা আবদুর রাজ্জাক মিয়া ছিলেন পৈতিক জমিদারি 'জকিমিয়া এস্টেটের' শেষ অধিকারী। ১৯৫১ সালের জমিদারি উচ্ছেদ আইনের আওতায় কবির পরিবার পৈত্রিক জমিদারিস্বত্ত্ব থেকে বঞ্চিত হন। এ ছাড়া কবি মহসিন হোসাইনের পরিবারের একটি ঐতিহাসিক দিক রয়েছে। ইংরেজি ১৪১১ সালে বাংলার স্বাধীন সুলতান গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ ভাতুরিয়া পরগনার জমিদার গণেশ কতর্ৃক প্রত্যৰ মদদে নিহত হলে তার সেনাপতি ও পরে উজির আযম খাঁ নিজের স্বাধীন অসত্দিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য বিদ্রোহী হন। অবশেষে তিনি সুলতানের পরিবারে কয়েকজন সদস্য ও সুলতানের একমাত্র শিশুপুত্র পরে বাংলার স্বাধীন সুলতান নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহকে নিয়ে সুন্দরবনের অভ্যনত্দরে খলিফাতাবাদ নগরীতে থিতু হন। এই আযম খাঁ দীর্ঘ জীবন পেয়েছিলেন। তিনি আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অপরিহার্য ব্যক্তি।এই আযম খানের পরবর্তী নাম ও পরিচিতি বাগেরহাটের পির খানজাহান আলি খান। অঞ্চলিক লোকশ্রম্নতি,কিংবদনত্দি ও পারিবারিক কুরসিনামা বা সিজরা নামা থেকে জানা যায়,খানজাহানের এক ভাই ছিলেন জাহান্দার খান বা জামদার খান কিংবা জমাদার খান। জাহান্দার খানের সরকারি পদবি বা উপাধি ছিলো কিশোয়ারখাঁ।এই জাহান্দারের মাজার এখনও চিহ্নিত হয় গোপালগঞ্জ জেলার গোপীনাথপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়ার বড়োভিটেয়। বর্তমান যশোর,খুলনা ও ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় জাহান্দারে বংশধরেরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন। জাহান্দারের বংশধরেরা সুলতানিআমল,মুঘলআমল ও ইংরেজ আমলে শাহি প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন। ইংরেজ আমলে তাদের প্রতিপত্তি বেশ কিছুটা হ্রাস পায়। কিশোওয়ারখাঁ জাহান্দার খাঁ-র উত্তর দশমপুরম্নষ কবি মহসিন হোসাইন। মহসিন হোসাইনের উর্ধতন ৬ষ্ঠ পুরম্নষ কোরেশ মাহমুদ ছিয়াত্তরের মন্বনত্দরে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চালের নৌকা লুট করে নিজ প্রজাদের মধ্যে বিলিয়ে দিয়ে আলোড়ন সষ্টি করেন। তাকে যশোরের পুরানো কসবার দারোগার আদালতে বিচারের সম্মুখীন হতে হয়েছিলো। কোরেশের একমাত্র জীবিতপুত্র জকি মাহমুদ বা জকি মোল্যা কেলাবাড়ি (পরবর্তীকালে কলাবাড়িয়া)-র নীলকুঠিয়াল এল এম কামিন ডানলপকে প্রথম দিকে কুঠি নির্মাণের জন্য জমি ইজারা দিলেও পরীবর্তীকালে কৃষক বিদ্রোহের পৰে কাজ করে ডানলপকে এলাকা ছাড়া করেন। কবি মহসিন হোসাইনের জ্ঞাতিভাই এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ১৯৭১ সালের থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেন। মহসিন হোসাইনের জ্ঞাতিচাচা এম নুরম্নজ্জামান ১৯৭৪ সালে মানিকগঞ্জ জেলা গভর্নর নিযুক্ত হয়েছিলেন। জ্ঞাতিচাচা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এম মনিরম্নজ্জান,তাঁর অধীনেই মহসিন হোসাইন মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। মহসিন হোসাইন পিতামাতার দ্বিতীয় সনত্দান। তাঁরা ৬ ভাই,২ বোন। এঁরা যথাক্রমে,মশিয়ুর রহমান,লুতফুন্নেসা,মোকাররম হোসাইন,ইকবাল হোসাইন,জালাল হোসাইন,রশিদা বেগম ও হাফিজুর রহমান। তাঁর স্ত্রী অপর্ণা মহসিনের একমাত্র সনত্দান সুকুনত্দলা হোসাইন। সুকুনত্দলা বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ,স্বামী কামরম্নজ্জামান জুয়েল।

কৈশর ও অধ্যয়ন: মহসিন হোসাইন বাল্যে ডানপিঠে ও একরোখা প্রকৃতির ছিলেন। প্রথম জীবনে বর্তমান গোপালগঞ্জ জেলার পুকুরিয়া গ্রামের মাতুলালয়ের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন। সেখান থেকে নিজ গ্রাম কলাবাড়িয়া গ্রামের দৰিণ-শ্রীনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আত্মীয় বাড়িতে অবস্থান করে পড়াশোনা করার চেষ্টা করেন। সেই স্কুলেও বেশি দিন মন টেকে নি। এরপর তিনি কলাবাড়িয়া পূর্বপার মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন। স্থানীয় কলাবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালযের ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হন। ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে তাঁর এসএসপি পরীৰা দেয়ার কথা থাকলেও তাঁকে দেশমুক্তির পরে মুক্তিযুদ্ধের কারণে তেরখাদা-কাটেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় পরীৰাকেন্দ্রে পরীৰা দিতে হয়। এই পরীৰায় তিনি বিশেষ কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি পরীৰায় প্রথম বিভাগে পাশ করেন।
কবি মহসিন ১৯৭০ সালে পূর্ব পাকিসত্দান কমিউনিস্ট পার্টি মার্কসবাদী লেনিনবাী-তে যোগ দেন। ১৯৭১ সালের ২৯ অগস্ট বা ১২ ভাদ্র তেরখাদা যুদ্ধের প্রচন্ড গোলাগুলির মধ্যে হৃদরোগে আক্রানত্দ মহসিন হোসাইনের পিতা আবদুর রাজ্জাক মিয়া ইনত্দেকাল করেন। মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যৰ ৰতি হলো কবির পিতার জীবনাবসান। পিতার মৃতু্য, পারিবারিক অস্থিরতা, এ ছাড়া বাল্যের পিতৃহীন বাউন্ডুলে জীবনের স্বাদ কবিকে অস্থির করে করে তোলে। তিনি রীতিমত ঘরছাড়া জীবনে অভ্যসত্দ হয়ে যান। এই সব প্রতিকূলতার মধ্যেও ১৯৭২ সালে মহসিন হোসাইন খুলনার মজিদ মেমোরিয়াল সিটি কলেজের কলা বিভাগে ভর্তি হন। এখানে অতিরিক্ত সাবজেক্ট হিসেবে তিনি উচ্চতর বাংলা বিষয় গ্রহণ করেন। ১৯৭৩ সালে মহসিন হোসাইন কৃতিত্বের সঙ্গে এইচএসপি পরীৰায় উত্তীর্ণ হন। তিনি দৌলতপুর বিএল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলায় বিএ(অনার্স) ক্লাশে-এ ভর্তি হন। কিন্তু বামরাজনীতির কর্মকান্ড,যাত্রাগান,কবিগান,জারিগান,ভাবগান,অষ্টগানের রচয়িতা পরিবেশক ও অভিনেতা হিসেব কবি নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। সর্বোপরি বাউন্ডুলের জীবনের অনন্দ তাকে বিচিত্র পথে পরিচালিত করে। তাই এক সময়ে তিনি ধারাবাহিক লেখাপড়া থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। এই সময়ে তিনি দৌলতপুর বিএল কলেজ মহাবিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করতেন। এরপর থেকে ঘর তাঁর পর হলো, পর হলো ঘর। বিশেষত: চুয়াত্তরের মন্বনত্দরের ধাক্কায় কবি মহসিন হোসাইনের জীবন ও জগতে আসে বিপুল পরিবর্তন। তাঁর কাব্যমানসে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শোষণ শাসনের বিরম্নদ্ধে ভিন্ন মাত্রা যোগ হয়। চুয়াত্তর সালে লেখা কবি মহসিন হোসাইনের সনেটগুচ্ছ তাঁর কাব্যমানসকে ভিন্ন মাত্রায় প্রবাহিত করে। বলা যায়,এটা ছিলো তাঁর চিনত্দার বাঁক ঘোরার ক্রানত্দিকাল। ওপার বাংলার কবি প্রমথনাথ বিশী সেই সময়ের সনেট্গুলোর ভূয়সি প্রশংসা করেন কবি মহসিন হোসাইনকে লেখা এক পত্রে। তার কয়েকটি সনেট আশির দশকে পশ্চিম বাংলার দেশ পত্রিকাকায় প্রকাশ পায়।

কাব্য, সাহিত্য ও সংস্কৃতির সাধনা: মহসিন হোসাইন স্থানীয় কলাবাড়িয়া পূর্বপার মডেল প্রাইমারি স্কুলের ৫ম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে ১৯৬৫ সালে প্রথম কবিতা রচনা করেন। এই কবিতার প্রথম পংক্তি ছিলো:'যুদ্ধেতে ভাই সাইরেন বাজে তোরা সবে চল',কবিতার নাম ছিলো,'যুদ্ধেতে ভাই সাইরেন বাজে'। মহসিন হোসাইনের পিতা আবদুর রাজ্জাক মিয়া যেমন কাব্য ও সঙ্গীতামোদী তেমনই কবিতা,ছড়া ও প্রবন্ধ রচনার চেষ্টা করতেন। তার কিছু রচনার নমুনা আজো আছে। মহসিন মূলত: পিতার রচিত কবিতা পাঠ শুনে নিজে কবিতা রচনা করেন ১৯৬৫ সালে,যা আমরা আগেই বলেছি। এরপর নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে তার কৈশরিক কাব্যসাধনা অব্যাহত রাখেন। তিনি কলাবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় অধ্যয়নকালে বিভিন্ন সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানে স্বরচিত কবিতা পাঠ ও আবৃত্তি করেন। এই বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন কালেই নাট্যাভিনয়েও যোগ দেন। গ্রামীণসঙ্গীত,পালাগান কবিগান,ভাব বা বিচার গানের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন। পরম উতসাহী ,সুরসিক,মেধাবি ছাত্র ও বিরল সৌন্দর্যের অধিকারী কিশোরকবি মহসিন হোসাইন সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ হন। এই সময়ে তার পিতা আবদুর রাজ্জ্াক মিয়া ও ফুফো এবং শিৰক শিকদার মকিদুর রহমান তাঁর সাহিত্য সাধনায় বিশেষ উতসাহ দান করে তাকে সম্মুখে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা যোগান। কবি মহসিন হোসইন যখন এসএসপি পরীৰার্থী ১৯৭১ সালের ফেব্রম্নয়ারির ভাষাদিবস সংখ্যার সাপ্তাাহিত স্বাধীকার পত্রিকায় তার প্রথম কবিতা প্রকাশ পায়। এতে এলাকাবাসীর কাছে তিনি এক বিস্ময়কর কিশোরে পরিণত হন। দৈহিক সৌষ্ঠব,পারিবারিক অবস্থান,মেধা ও কাব্য প্রতিভায় মহসিন কিশোর বয়স থেকে কিংবদনত্দি বালকে পরিণত হন। এরপর বিখ্যাত কবিয়াল বিজয় সরকার ও বিশ্বনন্দিত চিত্রশিল্প এসএম সুলতানের সঙ্গে দীর্ঘ অনত্দরঙ্গ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাঁর বাউন্ডুলে স্বভাবের জন্য তাঁরা তাঁকে রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পের নায়ক তারাপদ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। বন্ধুদের কাছে তিনি দেবদুর্লভ সৌন্দর্য়ের অধিকারী নার্সিশাস বলে সম্মোধিত হতে হয়। তাঁকে এই অভিধায় আখ্যায়িত করার কারণ হলো তিনি ছিলেন ভবঘুরে,বন্দনমুক্ত মানুষ। তার দেশানত্দরী হয়ে যাওয়া নিয়ে আজও এলাকায় নানা ধরনের রহস্যময় কিংবদনত্দি রয়েছে। কবি মহসিন হোসাইনের জীবনে সাহিত্য,সঙ্গীত ও সংস্কৃতি ভাবনা ছাড়া কিছু ছিলো না। আজ তেমন নেই। সংসারে তিনি এক অসার মানুষ। কোথাও থিতু হয়ে থাকা তার স্বভাবে নেই। সৃষ্টির চাঞ্চল্যে জীবনের সারাটি সময় তার কেটে গেল।

মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ: ১৯৭১ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরম্ন হয় তখন মহসিন হোসাইন এসএসপি পরীৰার্থী। কিশোর বয়সেই তিনি স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোল্যা মনিরম্নজ্জামন (কলাবাড়িয়া নিবাসী)-এর নেতৃত্বে কলাবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে যুদ্ধের ট্রেনিং গ্রহণ করেন। স্থানীয় ভাবে গঠিত কমান্ডার মনিরম্নজ্জানের নেতৃত্বে যে দল গঠন হয় সেই দলে তিনি অবস্থান করেন। তিনি তেরখাদার প্রথম যুদ্ধে অন্যান্য যোদ্ধাদের সঙ্গে অংশ গ্রহণ করেন। এ দিকে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান (বামরাজনীতি) থেকে কিছুটা হলেও সরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধাদের ধারায় অবস্থান গ্রহণ করেন। বিভিন্ন আঞ্চলিক ও অভ্যনত্দরীন মতভেদের কারণে কবি মহিসন হোসাইন কমান্ডার মনিরম্নজ্জামন ও সে কালের ইপিআর সুবেদার মেজর শওকাত(গ্রাম:ইসলামপুর;উজজেলা কালিয়া) সঙ্গে ভারতে গমন করেন। বয়সে কিশোর মহসিন হোসাইন সে সময়ে মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রীর অফিস(৮নং থিয়েটার রোড),৮নং সেক্টর কমান্ডের সাবসেক্টর কমান্ড অফিস,কলকাতার বাংলাদেশ দূতাবাস অফিস,স্থানীয় এমএনএ ও এমএলএ-এর অস্থায়ী অফিস বনগাঁ ডাকবাংলা,বালিগঞ্জ স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্রসহ বিভিন্ন অফিসে গিয়ে দেশ জাতির প্রকৃত অবস্থা ও মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে খোঁজখবর গ্রহণ করে বনগাঁর ৫নং টালিখোলা ক্যাম্পে মু্িক্তযুদ্ধের ট্রেনিং গ্রহণ করতে শুরম্ন করেন। তিনি ছিলেন টালিখোলা ক্যাম্পের ইকো পস্নাটুনের যোদ্ধা।এই ক্যাম্পে ট্রেনিং কালে মহসিন হোসাইন রাতের দরবার অনুষ্ঠানে সেই বয়সেই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কবিতা পাঠ করে সহযোদ্ধাদের উদবুদ্ধ করেছিলেন।
ভারত থেকে দেশে ফিরে আসা কমান্ডার মনিরম্নজ্জামানের নির্দেশে কবি মহসিন হোসাইন পুনরায় দেশে ফিরে আসেন। এবং কালিয়ার অদূরে গাজিরহাট মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে যোদ্ধা হিসেবে অস্ত্রসহ অবস্থান গ্রহণ করেন। এই ক্যাম্পে অবস্থানকালে কালিয়া বিজয়সহ কয়েকটি গুরম্ন্ত্বপূণ যুদ্ধে মহসিন হোসাইন যোগদান করেন। কবি গোপালগঞ্জ,খুলনা ও পূর্ব যশোরের কয়েকটি প্রত্যৰযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। বিশেষত:খুলনার শিরোমনিতে পাকবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনীর যুদ্ধের পাশাপাশি কমান্ডার মনিরম্নজ্জামানের নেতৃত্বে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি কমান্ডার মনিরম্নজ্জামানের নেতৃত্বে সেনহাটি ও শিরোমনি যুদ্ধেও অংশগ্রহণ করেন। সারা দেশমুক্ত হলেও অবরম্নদ্ধ খুলনাসহ ব্যাপক এলাকা পাক হানাদারদের দ্বারা অবরম্নদ্ধ ছিলো। এই পরিস্থিতিতে কমান্ডার মনিরম্নজ্জামানের নেতৃত্ব একটি বড়ো মুক্তিযোদ্ধাদল খুলনা ঘেরাও কর্মসূচিতে যোগ দেন। কবি মহসিন হোসাইনও সেই দলের হয়ে প্রত্যৰ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালের ২৯ আগস্ট কবির পিতৃবিয়োগ ঘটে।

পেশা: কবি মহসিন হোসাইন জীবনের নানা প্রানত্দে ঘুরে ঘুরে যেমন অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তেমনই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের পেশায় নিযু্ক্ত ছিলেন। ১৯৭২ সালে এসএসপি পরীৰা দিয়ে তিনি খুলনা টোবাকো ইন্ড্রস্ট্রিজ লিমিটেড মিলের শ্রমিক হিসেবে কিছু দিন অতিবাহিত করেন। পেশাদার যাত্রাদলে অভিনয়ে নিয়োজিত হয়েছেন। কিছু দিন করেছেন সে কালের একাডেমির লোকসংস্কৃতি সংগ্রহের কাজ। এক সময়ে খুলনার আটলিয়া মাদ্রাসায় শিৰতার কাজ করেন। পরবর্তীতৈ স্থানীয় কলাবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়েও শিৰকতায় নিয়োজিত ছিলেন। কিছু কালের জন্য নড়াইলের ক্রানত্দি মুদ্রায়ণ নামের ছাপা খানার ব্যবস্থাপকের কাজে নিয়োজিত হন। এই কাজে ইসত্দাফা দিয়ে তিনি বড়দিয়া মুন্সি মানিক মিয়া কলেজের সহকারি লাইব্রেরিয়ানের চাকরি গ্রহণ করেন। এই প্রতিষ্ঠানে মূলত প্রভাষকের কাজ করতে তাকে দেখা যায়। এরপর ফরিদপুর মিউজিয়ামের প্রাচীন পান্ডুলিপি পাঠোদ্ধারকের পদে চাকরির নিয়োগপত্র পান। শেষ পর্য়নত্দ তিনি মিউজিয়ামের কাজ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। ১৯৮৯ সালের শেষ নাগাদ রাজধানী ঢাকার 'সাপ্তাহিক দেশপত্র' পত্রিকায় মহসিন হোসাইন সহযোগী সম্পাদক হিসেবে যোগদান করেন। এরপর তিনি ই/ফা,বাংলাদেশেরম্ন নিজস্ব পত্রিকা অগ্রপথিক-এর সহযোগী সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ পান। এই প্রতিষ্ঠানে তিনি বেশ কিছু দিনের জন্য কর্মরত ছিলেন। এরপর কবি মহসিন হোসাইন ঢাকার একটি প্রথম শ্রেণির দৈনিক পত্রিকায় সাবএডিটর হিসেবে যোগদান করেন। এখনও সাংবাদিকতার পেশায় কর্মরত। উলিস্নখিত পত্রিকাগুলো ছাড়াও মহসিন হোসাইন অন্য যে সব পকিত্রায় সাংবাদদাতার কাজ করছেন সেগুলো হলো,সাপ্তাহিক স্বাধীকার(১৯৭০),দৈনিক পূর্বাঞ্চল(১৯৭৮-১৯৮২),দৈনিক দেশহিতৈষী (১৯৮০-১৯৮৯),দৈনিক বিশ্ববার্তা(১৯৮২-১৯৮৯)। একটি ভারতীয় পত্রিকারও সংবাদদাতা(১৯৮০) ছিলেন। বর্তমান আছেন দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকায়ু।

রেডিও বাংলাদেশ-এর সঙ্গে সংশিস্নষ্টতা: মহসিন হোসাইন ১৯৮৫ সাল থেকে রেডিও বাংলাদেশের তালিকাভুক্ত গীতিকার। এর আগেও তাঁর গান রেডিওতে প্রচার হতো, তবে সে সময়ে গীতিকারের নাম প্রচার করা হতো না। কবি ১৯৮৪ সাল থেকে ২০১০ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যনত্দ অসংখ্য অনুষ্ঠানের জন্য অসংখ্য পান্ডুলিপি রচনা করেছ। অনেকগুলো অনুষ্ঠানে কন্ঠ দিয়েছে। তিনি ঢাকা কেন্দ্রের খিখ্যাত ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে এক দশকের অধিক পান্ডুলিপি রচনার কাজ করেছেন। মাঝে মধ্যে স্বরচিত কবিতাও পাঠ করেছেন রেডিওতে। কমপৰে ৩ বার বিভিন্ন কেদ্র থেকে কবির মূল্যবান সাৰাতকার প্রচার পেয়েছে। তিনি রেডিও-এর কাজ শুরম্ন করেছিলেন খুলনা কেন্দ্র থেকে,এরপর ঢাকার সব কেন্দ্রেই কমবেশি কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

বিটিভি-এর সঙ্গে সমপ্ক্ততা: মহসিন হোসাইন ১৯৯৪ সালে বিটিভি-র তালিকাভুক্ত গীতিকার হন। এখন তিনি বিটিভির প্রথম শ্রেণির গীতিকার। বিখ্যাত সঙ্গীতবিষয় অনুষ্ঠান 'ভরা নদীর বাঁকে' ও ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান 'উপহার'-এ কথাকথা ও সাৰাতকার দেন একাধিকবার।

অভিনয় অভিজ্ঞতা: গ্রামীণ পরিবেশে বিচিত্র সব কাহিনীর যাত্রা,থিয়েটার ও পালায় মহসিন হোসাইনের অভিনয় অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি এক সময়ে যশোরের 'জোনাকি অপেরা' ও ফরিদপুরের 'নরনারয়ণ' অপেরায় পেশাদার অভিনেতা হিসেবে কাজ করেছেন। বিটিভি-র 'তিথি' নাটক ও 'সাদ্দাম বাদশাহ' ছায়া ছবিতেও মহসিন হোসাইন অভিনয় করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠে 'দেশ অপেরার' ব্যানারে 'বিদ্রোহী নজরম্নল' পালায় অভিনয় করে পত্রপত্রিকায় বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন তিনি।

বাংলা সাহিত্যে অবদান: পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত মহসিন হোসাইনের প্রায় ৪ হাজার বিচিত্রিধর্মী প্রবন্ধ আছে। রচিত গানের সংখ্যা আড়াই হাজার। ৭৭ খানি গ্রন্থ প্রকাশ পেলেও প্রায় ৩০খানি অপ্রকাশিত গ্রন্থের পান্ডুলিপি রয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রচনায় অবদান: কবি মহসিন হোসাইন যেহেতু একজন মুক্তিযোদ্ধা। তাই তিনি লেখালেখির পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের আঞ্চলিক ইতিহাস রচনায় প্রবল উতসাহ প্রকাশ করেন। ১৯৮৫ সালে তাঁর লেখা 'মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস: কালিয়া উপজেলা' পুসত্দিকাটি প্রকাশ পায়। এরপর রেডিও-র নিজস্ব পত্রিকা বেতার বাংলায় প্রকাশ পায় তাঁর লেখা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক স্মৃতিচারণ 'এক কিশোর মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিকথা' এবং ২০১০ সালে প্রকাশ প্রায় আড়াই শ' পৃষ্ঠার 'নড়াইল জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস'। এ ছাড়াও তাঁর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক অনেকগুলো শ্রোতানন্দিত কবিতা রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আবৃত্তির অডিও,সিডি এবং ভিডিওতে কবি মহসিন হোসাইনের কয়েকটি কবিতা স্থান পেয়েছে। এইগুলো আবৃত্তি করেছেন কিংবদনত্দি কণ্ঠশিলিস্ন শফি কামাল।

প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থান: মহসিন হোসাইন বাংলা একাডেমির জীবনসদস্য,বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদের জীবনসদস্য, এশিয়াটিক সোসাইটির সদস্য,ঢাকা সংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য,ঢাকা সাব এডিটরস কাউন্সিলের সদস্য, বাংলাদেশ পালাকার পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি ও পাগল বিজয় শিল্প সাহিত্য সংসদের সভাপতি।

প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ: মহসিন হোসাইনের কাব্য ও অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ৭৭। এখানে প্রকাশ করা হলো উলেস্নখযোগ্য কিছু গ্রন্থের তালিকাঃ ১.কাকজোছনার নীড়(কাব্য) ২.বনজের প্রাণ ছুঁয়ে যাও (কাব্য) ৩.নীলছায়া দিন(কাব্য) ৪.শুধূ রাত চাই সুকোমল(কাব্য)৫.জলৌকা,কুয়াশা তুমি(কাব্য) ৬.মেডুসার চুল(কাব্য) ৭.গালিবের শেরগুচ্ছ(অনুবাদ কাব্য) ৮.গালিবের গজল রূপান্তর(অনুবাদ কাব্য)৯.মির তকি মিরের শেরগুচ্ছ (অনুবাদ কাব্য) ১০.শত বছরের সেরা কবিতা(সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থ) ১১. শত বছরের প্রিয়কবিতা(১ম স.সম্পাদিত কাব্য) ১২.শত বছরের প্রিয়কবিতা(২য় স.সম্পাদিত কাব্য) ১৩. শত বছরের প্রিয়কবিতা(৩য় স,সম্পাদিত)১৪.একুশের সেরাকবিতা (সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থ) ১৫.মুক্তিযুদ্ধের সেরাকবিতা(সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থ) ১৬.ইকিরমিকির চিকিরদান(ছড়া) ১৭.উটকো রাজা উটুসফুটুস(ছাড়া) ১৮. সেই হাতিরা উড়তে পারে (ছাড়া)১৯.মুক্তিযুদ্ধের ছড়া(ছড়া) ২০.পাখির রাজ্যে কিচিরমিচির(ছড়া) ২১.পায় না শিশু পোড়ারুটি(ছড়া) ২২.প্রীতির ছড়া জয়ের পড়া(ছড়া)২৩.চাঁদের দেশে জোছনা ঝরে (ছড়া) ২৪.বাঁচতে হলে জাগতে হবে(ছড়া) ২৫.ছড়ায় ছড়ায় নদনদী(ছড়া)২৬.মহসিন হোসাইনের একুশের ছড়া ২৭,স্মৃতির অলিন্দে শিল্পি সুলতান (স্মৃতিকথা;প্রথম প্রকাশ) ২৮.স্মৃতির অলিন্দে শিল্পি সুলতান(স্মৃতিকথা;দ্বিতীয় সংস্করণ) ২৯. কবি শামসুর রাহমানের স্মৃতিসানি্নধ্যে(স্মৃতিকথা) ৩০.হার্মাদের প্রেম(উপন্যাস) ৩১.ভূতের সংসার (গল্পগ্রন্থ) ৩২.নড়াইল জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস(মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস)।
মূল্যায়ন:
কবি মহসিন হোসাইনের জীবন,কর্ম ও মূল্যায়নধর্মী কয়েক শত লেখা পত্রপত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছে। তাঁর ৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলৰ্যে ড. তপন বাগচীর সম্পাদনায় 'কবি মহসিন হোসাইন:সজ্ঞায় প্রজ্ঞায়' নামে প্রায় ৩ শত পৃষ্ঠার একটি গ্রন্থ প্রকাশ হয়েছে। দুই বাংলার ৭৮ জন প্রবীণ, নবীন কবি-সাহিত্যিকের লেখায় গ্রন্থখানি সমৃদ্ধ।  bd100542  bd100524

Comments (0)        Print        Tell friend        Top


Other Articles:
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত
কে জি মোস্তফা
 কাজী নজরুল ইসলাম
জীবনানন্দ দাশ
কবি-প্রাবন্ধিক-গবেষক আবদুল মান্নান সৈয়দ
আহসান হাবীব
সুকুমার বড়ুয়া
আলাউদ্দিন আল আজাদ
লুৎফর রহমান রিটন
কাজী ইমদাদুল হক



 
  ::| Events
May 2019  
Su Mo Tu We Th Fr Sa
      1 2 3 4
5 6 7 8 9 10 11
12 13 14 15 16 17 18
19 20 21 22 23 24 25
26 27 28 29 30 31  
 
::| Hot News
আল মুজাহিদী
কবি আবদুল হাকিম
কবি নির্মলেন্দু গুণ : গুণীজন techtunes bdnews24 bangladesh dse bdjobs alo prothom alo পড়ুন&
সুকান্ত ভট্টাচার্য
বুদ্ধদেব বসু
লোককবি আবদুল হাই মাশরেকী
কবি মনিরউদ্দীন ইউসুফ
হেলাল হাফিজ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কবি কায়কোবাদ

Online News Powered by: WebSoft
[Top Page]