Sunday, 11.18.2018, 02:58pm (GMT+6)
  Home
  FAQ
  RSS
  Links
  Site Map
  Contact
 
আবদুুল হাই মাশরেকী ছিলেন মূলসংস্কৃতির শিকড়ের আধুনিক কবি ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিল্পকলায় দুদিনব্যা ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭ তম জন্মজয়ন্তী আগামী ১ এপ্রিল ২০১৬ ; আল মুজাহিদী ; ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন
::| Keyword:       [Advance Search]
 
All News  
  গুণীজন সংবাদ
  বিপ্লবী
  ভাষা সৈনিক
  মুক্তিযোদ্ধা
  রাজনীতিবিদ
  কবি
  নাট্যকার
  লেখক
  ব্যাংকার
  ডাক্তার
  সংসদ সদস্য
  শিক্ষাবিদ
  আইনজীবি
  অর্থনীতিবিদ
  খেলোয়াড়
  গবেষক
  গণমাধ্যম
  সংগঠক
  অভিনেতা
  সঙ্গীত
  চিত্রশিল্পি
  কার্টুনিস্ট
  সাহিত্যকুঞ্জ
  ফটো গ্যাল্যারি
  কবিয়াল
  গুণীজন বচন
  তথ্য কর্ণার
  গুণীজন ফিড
  ফিউচার লিডার্স
  ::| Newsletter
Your Name:
Your Email:
 
 
 
কবিয়াল
 
কবিয়াল বিজয় সরকার



কবিয়াল বিজয় সরকার বাঙলাা বিচ্ছেদীগানের সর্বশ্রেষ্ঠ রচয়িতা,সুরকার ও গায়ক। তিনি পেশাদার কবিয়াল ছিলেন। কবিগানের বাইরে কবিগাননিরপেড়্গ গান রচনা করে বাঙলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে অমর হয়ে রয়েছেন বিজয়। তাঁর রচিত গানের সুর,কথা ও গায়কি যে কেনো মানুষের মনকে আকর্ষণ করে। কবিয়াল বিজয় অখন্ড যশোর জেলার বর্তমান নড়াইল জেলার সদর থানা বর্তমান সদর উপজেলার ডুমদি গ্রামে ১৯০৩ সালের ২০ ফেব্রম্নয়ারি ভূমিষ্ঠ হন। তার পিতার নাম নবকৃষ্ণ বৈরাগী ও মাতার নাম হিমালয়া বৈরাগি। বিজয়ের প্রতিষ্ঠা কালে বৈরাগী পদবির সমার্থক অধিকারীকে তাঁর পদবি হিসেবে নিজেই চিহ্নিত করেন। পরবর্তীকালে কবিগানের সরকারি সুবাদে তাঁর পদবি ও পরিচয় পরিবর্তিত হয়ে তিনি বিজয় সরকার নামে পরিচিতি ও প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। বিজয় সরকার ১৯৮৫ সালের ৬ নভেম্বর ভারতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি তাঁর প্রথম পড়্গের কন্যা বুলবুলি,দ্বিতীয় পড়্গের প্রথম পুত্র কাজল অধিকার, বাদল অধিকারীসহ বাঙলাভাষী কোটি কোটি ভক্ত অনুরাগী রেখে গিয়েছেন। প্রসঙ্গত উলেস্নখ্য,বিজয় সরকারের প্রথমা স্ত্রী বীণাপাণির তিরোধানে কবিযাল বিজয় প্রমদাসুন্দরীকে বিয়ে করেন। প্রমদা সুন্দরী ২ বছর আগে মৃত্যুবরণ করেন পশ্চিম বাংলার কেউটিয়ায়।

কবিয়াল বিজয় সরকার শিশু বয়সে স'ানীয় নেপাল বিশ্বাস বা নেপাল পন্ডিতের কাছে বর্ণপচিয় লাভ করেন। এবং এই বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পি ও পন্ডিতের কাছে তিনি সঙ্গীতে হাতেখড়ি গ্রহণ করেন। নেপাল বিশ্বাস কিশোর বিজয়সহ ৪ কিশোরকে নিয়ে একটি গানের দল তৈরি করেন। গ্রামদেশে তাদের দলের বেশ নাম ছড়িয়ে পড়ে। এক সময়ে বিজয় ডুমদির অদূরে হোগলাডাঙ্গার স্কুলে ও শেষমেষ সিংগাশোলশোলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন। ম্যাট্রিক পরীড়্গা দেয়ার আগেই তার পিতার মৃত্যু ও আর্থিক অনটনে লেখাপড়া বেশি দূর এগিয়ে নিতে পারেন নি তিনিু। বিজয় সরকার এই সসয়ে নিজগ্রাম ও অন্যান্য গ্রামের শিশুদের লেখাপড়ার দায়িত্ব গ্রহণ করেন অর্থাত তিনি শিড়্গকতাও করেছিলেন পাঠশালায়। পরে কিছু দিনের জন্য একটি জমিদারি তহশিল অফিসে তহশিলদারের কাজও করেন।

গত শতাব্দীর ত্রিশের দশকে কবিয়াল বিজয় সরকার ডুমদির অদূরে হোগলাডাঙ্গার আসরে মনোহর সরকার ও কবিয়াল রাজেন সরকারের কবির পালস্না শুনে মুগ্ধ হন। তিনি মনোহর সরকার(গোপালগঞ্জ জেলার,দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা)-কে একতারা বাজিয়ে একটি গান গেয়ে শোনান। কবিয়াল মনোহর তার গান শুনে মুগ্ধ হন। এবং তিনি চোখের পানিতে বুক ভিজিয়ে  বিজয়কে আশিস দান করেন। মনোহর সরকার ঐ দিন থেকে বিজয়কে তার কবিগানের শিষ্য হিসেবে গ্রহণ করে নেন।

বিজয় সরকার মনোহর সরকারের কাছে ২ বছর ও খুলনা বর্তমান বাগেরহাট জেলার কবিয়াল রাজেন সরকারের কাছে আরো ১ বছর কবিগান শ্‌ড়্িগা গ্রহণ করেন। এরপর তিনি নিজেই কবির দল গঠন করে। অবিভক্ত বাঙলার বিভিন্ন স'ানে বিশেষত কলকাতা ও ঢাকাসহ বিভিন্ন স'ানে কবিগান পরিবেশন করে অশেষ সুনামের অধিকারী হন তিনি। বিজয় সরকারের পুর্বে কবিগান সভ্যলোকের শোনার বিষয় ছিলো না। বিজয় সরকার হরিচরণ আচার্যসরকার ও কবিয়াল রাজেন সরকারের কবিগানের সংস্কারের পথ ধরে কবিগানের নানা সংস্কার সাধনে এগিয়ে যান। কবিয়াল বিজয় সরকার কবিগানের পালস্নায় ধুয়াগানের প্রচলন করেন। প্রথম জীবনে তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,কাজী নজরম্নল ইসলাম, অতুলপ্রসাদ সেন ও জসীমউদ্দীনের গান আসরে পরিবেশন করে শিড়্গিত শ্রোতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তার কন্ঠে ছিলো সুরের অসাধারণ কারম্নকাজ। এরপর বিজয় সরকার নিজেই ধুয়াগান রচনায় ব্রতী হন। এবং তিনি কবিগান নিরপেড়্গ গান রচনায় এক বিষম্ময়কর সাফল্যের অধিকারী হন। বিজয় সরকার এই সব কবিগান নিরপেড়্গ গানের জন্য দেশের ও দেশের বাইরের গবেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পেরেছেন। বিজয় সরকার তাঁর জীবদ্দশায় কিংবদনিত্মতে পরিণত হয়েছিলেন। জীবনের প্রথম দিকে পলিস্নকবি জসীমউদ্দীনের গভীর বন্ধুতাও সান্নিধ্য লাভ করেন। আকাশবাণী কলকাতা বেতার কেন্দ্র থেকে কবি জসীমউদ্দীনের সঙ্গে কবিগানের পালস্নাও করেছিলেন তিনিু।  জীবনের শেষ দিকে বিজয়ু নয়া দিলিস্ন,কলকাতা,ঢাকার বাংলা একাডেমি,খুলনা বেতার কেন্দ্র,ঢাকা বেতার কেন্দ্র,বিটিভিসহ বিভিন্ন গুরম্নত্বপূর্ণ আসরে ও মিডিয়ায় সঙ্গীত পরিবেশন করে যথেষ্ট খ্যাতি ও যশের অধিকারী হন।

বাংলাদেশের বিভিন্ন বেতার কেন্দ্র,বিভিন্ন চ্যানেল,চলচিত্রে,অডিও ভিডিও-তেও কবিয়ালের গান পরিবেশিত হয়ে আসছে। ভারতের পশ্চিম বাংলা ও বাংলা দেশের যে কোনো সঙ্গীতআসরে কবিয়াল বিজয়ের রচিত গান যেমন জনপ্রিয় তেমনি বিপুল আকর্ফণ সৃষ্টি করে। কবিয়াল বিজয়ের আসরের জন্য রচিত গান ও অন্যান্য গানের সংখ্যা প্রায় পোনে ৫শ’।

কবিয়াল বিজয়ের কয়েকটি অসম্ভব জনপ্রিয় গান হলো:

১.পোষাপাখি উড়ে যাবে সজনী একদিন ভাবি নাই মনে
২এই পৃথিবী যেমন আছে তেমনই ঠিক রবে
৩.কালার প্রেমে এতো জ্বালা হারে আমি আগে জানি নাই
৪.আলস্নাহ রসুল বল মোমিন আলস্নাহ রসুল বল
৪.নকশি কাঁথার মাঠেরে আজও কাঁদে রূপাই মিয়ার বাঁশের বাঁশি
৫.শুধু পাষাণ নয় এই তাজমহলের পাথর
৬.আমি কৃঞ্চ বলিয়া ত্যাজিব পরাণ যমুনার তীরে
৭.আমায় পাগল পাগল করেছে কালার বাঁশিতে

যে সব গ্রনে'র সাহায্যে এই ভু্‌ক্িতটি রচিত হলো:

১.কবিগান ও চারণকবি আচার্য রাজেন্দ্রনাথ(১৯৭৯)---মহসিন হোসাইন
২.ভাটিয়ালিগানের রাজা পাগল বিজয়(  )মহসিন হোসাইন
৩.কবিয়াল বিজয় সরকারের বিচ্ছেদীগান ও কবিগান( )-  ----মহসিন হোসাইন
৪ বিজয় সরকার (জীবনী)------ মহসিন হোসাইন
৫.কবিয়াল বিজয়ের জীবন ও সঙ্গীত( ) মহসিন হোসাইন
৭.কবিয়াল বিজয়ের জীবন ও সঙ্গীতসমগ্র(২০১০)-- মহসিন হোসাইন
৮.কবিয়াল বিজয়ের আত্মকথা: নদী চলে সাগর সন্ধানে(২০১১)--মহসিন হোসাইন সম্পাদিত
৯.এশিয়াটিক সোসাইটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত বাংলাপিডিয়ায় প্রকাশিত বিজয় সরকারের জীবনকথা,
রচনায় মহসিন হোসাইন



Comments (0)        Print        Tell friend        Top


Other Articles:
এক সংগ্রামী কবিয়ালের জীবন-অনুসন্ধান



 
  ::| Events
November 2018  
Su Mo Tu We Th Fr Sa
        1 2 3
4 5 6 7 8 9 10
11 12 13 14 15 16 17
18 19 20 21 22 23 24
25 26 27 28 29 30  
 
::| Hot News
কবিয়াল বিজয় সরকার
এক সংগ্রামী কবিয়ালের জীবন-অনুসন্ধান

Online News Powered by: WebSoft
[Top Page]