Monday, 05.20.2019, 03:56am (GMT+6)
  Home
  FAQ
  RSS
  Links
  Site Map
  Contact
 
আবদুুল হাই মাশরেকী ছিলেন মূলসংস্কৃতির শিকড়ের আধুনিক কবি ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিল্পকলায় দুদিনব্যা ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭ তম জন্মজয়ন্তী আগামী ১ এপ্রিল ২০১৬ ; আল মুজাহিদী ; ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন
::| Keyword:       [Advance Search]
 
All News  
  গুণীজন সংবাদ
  বিপ্লবী
  ভাষা সৈনিক
  মুক্তিযোদ্ধা
  রাজনীতিবিদ
  কবি
  নাট্যকার
  লেখক
  ব্যাংকার
  ডাক্তার
  সংসদ সদস্য
  শিক্ষাবিদ
  আইনজীবি
  অর্থনীতিবিদ
  খেলোয়াড়
  গবেষক
  গণমাধ্যম
  সংগঠক
  অভিনেতা
  সঙ্গীত
  চিত্রশিল্পি
  কার্টুনিস্ট
  সাহিত্যকুঞ্জ
  ফটো গ্যাল্যারি
  কবিয়াল
  গুণীজন বচন
  তথ্য কর্ণার
  গুণীজন ফিড
  ফিউচার লিডার্স
  ::| Newsletter
Your Name:
Your Email:
 
 
 
অভিনেতা
 
লিয়াকত আলী লাকী




লিয়াকত আলী লাকী একাধারে নাট্যাভিনেতা, নাট্য নির্দেশক, নাট্যকার, সংগীতশিল্পী, সুরকার, সাংস্কৃতিক সংগঠক হিসেবে নিজের আত্মপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। এ পর্যন্ত তিনি অভিনয় করেছেন ৫৮টি নাটকে, নির্দেশনা দিয়েছেন ৭৮টি আর রচনা করেছেন ৮টি নাটক।

পরিবার এবং শিক্ষা
ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার আগলা টিকরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা শেখ সাদেক আলী এবং মা মাজেদা আলী। লিয়াকত আলী লাকী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে সম্মানসহ মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। ডিপ্লোমা অর্জন করেন গ্রন্থাগার বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। পাশাপাশি জাপান দূতাবাস থেকে এক বছরের জাপানি ভাষা শিক্ষা কোর্স সম্পন্ন করেন। সংগীতের প্রতি গভীর অনুরাগী লিয়াকত আলী লাকী বুলবুল ললিতকলা একাডেমী থেকে উচ্চাঙ্গ সংগীতে ৫ বছরের সার্টিফিকেট কোর্স সম্পন্ন করেন। পরে বিভিন্ন সময় একাধারে নতুন নতুন সুর সৃষ্টি, সংগীত রচনা করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সবার হৃদয়ে।

নাটকের যাত্রা শুরু
মঞ্চের সঙ্গে লিয়াকত আলী লাকীর যুক্ততা এবং সখ্য সেই শিশুকাল থেকেই। ১৯৬৪ সালে নিজ গ্রামের স্কুলে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ার সময় থেকে নাটক করতে শুরু করেছেন। শিশুকাল থেকে নাটকের সঙ্গে যোগাযোগের সূত্রপাত ঘটে নিজেদের পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানে অভিনয়ের মাধ্যমে। পরে স্কুলের সহপাঠী ও অন্যান্য স্থানীয় বন্ধু-বান্ধবকে একত্রিত করে দল করে কিশোর লাকী গ্রামে ঈদ-পার্বণসহ বিভিন্ন উৎসবে নাটকের নির্দেশনা দেন ও অভিনয় করেন। এভাবে গড়ে তোলেন নিজস্ব নাট্যদল 'বাসন্তী নাট্য সংঘ'। ১৯৬৪ থেকে ১৯৭৪ পর্যন্ত প্রায় ২৫টি নাটকে অভিনয় করেছেন এবং ২৩টি নাটকে নির্দেশনা দিয়েছেন। শৈশবে নাটক তৈরিতে কাহিনী সংগ্রহ করতেন নিজেদের পাঠ্যপুস্তকের বিভিন্ন গল্প-কবিতা থেকে। পরে কল্যাণ মিত্র, প্রসাদ বিশ্বাস, ফয়েজ আহমেদ, আবদুল লতিফ, দিলীপ সরকার, ভৈরবনাথ গঙ্গোপাধ্যায়, শৈলেন গুহ নিয়োগী, শম্ভু মিত্র, আসকার ইবনে শাইখের নাটক মঞ্চস্থ করেন। নাটক করার প্রবল বাসনা শিশুকাল থেকেই দানা বেঁধে বসে তার হৃদয়ে। এভাবে নাটককে সত্তায় ধারণ করে ক্রমেই শিশু লাকী শৈশব পেরিয়ে যৌবনে তারপর আস্তে আস্তে আজকের এ পূর্ণ সত্তায় পরিণত হয়েছেন। আর শিশুকাল থেকে নাটকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকায় লিয়াকত আলী লাকী শিশু মনের গভীর থেকে উপলব্ধি করতে পারেন শিশু নাট্য আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তা।
বাংলাদেশের স্তিমিত শিশু নাট্যচর্চায় প্রাণপ্রাচুর্য সঞ্চার করে বিশ্ব নাট্য সভায় শিশু নাটককে সম্মানের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের শিশু-কিশোর নাট্য আন্দোলনের প্রধানপুরুষ শিশুদের বন্ধু লিয়াকত আলী লাকী।

১৯৮১ সালের ৬ জুলাই একদল শিক্ষিত তরুণ নিয়ে নাট্যদল প্রতিষ্ঠা করেন। আজ অবধি তিনি লোক নাট্যদলের অধিকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। বাংলাদেশের নাটককে আন্তর্জাতিক আসরে পরিচয় করিয়ে দেওয়া, নাটকের মাধ্যমে শিক্ষা ও সচেতনতা তৈরি করা, দেশে প্রথমবারের মতো একটি নাট্যতথ্য ব্যাংক স্থাপনসহ ৬টি কর্মসূচিকে সমন্বয় করতে ১৯৯০ সালে পিপলস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন।

তার অভিনীত নাটক
অভিনেতা হিসেবে লিয়াকত আলী লাকী অনন্য সাধারণ। 'এ মিড সামার নাইটস ড্রিমে' বটম, অন্ধ নগরীর চৌপাট রাজায় গুরু, 'রয়েল বেঙ্গল টাইগারে' পুলিশ অফিসার, 'হেলেন' নাটকে মেনেসাওস, 'কঞ্জুসের' কালা মিয়া, 'পদ্মা নদীর মাঝির' হোসেন মিয়া, 'টেম্পেস্ট'- এর ট্রিংকালো, 'সোনাই মাধবের' ভাবনা ও 'সিদ্ধিদাতায়' গুরু 'লীলাবতী আখ্যানে' বরাহ চরিত্রের অভিনয় অনবদ্য এবং দর্শকের স্মৃতিতে অমস্নান হয়ে আছেন। লিয়াকত আলী লাকী বাংলাদেশের একজন স্বকীয় ধারার অন্যতম নাট্য নির্দেশক। তার নির্দেশিত 'রথযাত্রা', 'পদ্মা নদীর মাঝি', 'বিধি ও ব্যতিক্রম', 'কঞ্জুস', 'তপস্বী ও তরঙ্গিণী', 'হেলেন', 'সোনাই মাধব', 'সিদ্ধিদাতা', 'মহাপ্রয়াণ', 'মধুমালা', 'রয়েল বেঙ্গল টাইগার', 'মাঝরাতের মানুষেরা' এবং শিশুদের নাটক 'সংহার', 'ববি', 'তাসের দেশ', 'বাজাও বিশ্ববীণা', 'সিন্ডারেলা', 'আলীবাবা', 'রূপবদলের রূপকথা', 'লালু', 'আমাদের পৃথিবী', 'রাস্তার ছেলে' প্রভৃতি নাটক বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে বিশেষমাত্রা যোগ করেছে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অবদান
আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে লিয়াকত আলী লাকীর রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তিনি ১৯৮৪ সালে কলকাতায় অনুষ্ঠিত গান্ধী শান্তি সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশের যুব সাংস্কৃতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি ১৯৯৩ সালে মোনাকোতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক নাট্য উৎসব, ওয়ার্কশপ এবং ২১তম আন্তর্জাতিক থিয়েটার কংগ্রেসে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৯২ ও ১৯৯৩ সালে ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক থিয়েটার অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৯৭ সালে মোনাকোতে অনুষ্ঠিত ২৩তম আন্তর্জাতিক থিয়েটার কংগ্রেসে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বসহ আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব ও ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০২ সালে জার্মানির লিংগেন শহরে অনুষ্ঠিত যথাক্রমে_ তৃতীয়, পঞ্চম ও সপ্তম আন্তর্জাতিক শিশু নাট্য উৎসবে তার নির্দেশিত 'সংসার', 'ববি' ও 'লালু' বিপুল প্রশংসা লাভ করে এবং তিনি বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেন। ১৯৯৪ সালে জাপানের তইয়ামা শহরে অনুষ্ঠিত এশিয়ান রিজিওনাল থিয়েটার সামিটে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।
১৯৯৮ সালের জুলাই মাসে কানাডার রাজধানী মন্ট্রিলে অনুষ্ঠিত আইএটিএর আর্টিস্টিক স্ট্যান্ডিং কমিটির সভায় যোগদান করেন। ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কোরিয়ার চুনচুন সিটি ও জাপানের তইয়ামায় আন্তর্জাতিক সেমিনার ও নাট্যোৎসবে যোগদান করেন। ২০০০ সালে জার্মানিতে এক্সপো হ্যানোভার ২০০০-এর কালচারাল ফেস্টিভালে এবং বার্লিনের ডাহলেম মিউজিয়াম অডিটরিয়ামে তার নির্দেশিত 'তাসের দেশ' ও 'বাজাও বিশ্ববীণা' বিপুলভাবে প্রশংসিত হয়। একই বছর জাপানের তইয়ামায় অনুষ্ঠিত ৬ষ্ঠ আন্তর্জাতিক শিশু নাট্যোৎসব 'রূপ বদলের রূপকথা' ও 'বাজাও বিশ্ববীণা' বিপুল প্রশংসা অর্জন করে। ২০০১ সালে তুরস্কের ডেনিজলিতে অনুষ্ঠিত ১৭তম আন্তর্জাতিক অ্যামেচার থিয়েটার উৎসবে 'রথযাত্রা' বিপুলভাবে প্রশংসিত হয়। লিয়াকত আলী লাকী নির্দেশিত 'তপস্বী ও তরঙ্গিণী' ২০০১ সালে মোনাকোতে অনুষ্ঠিত অ্যামেচার থিয়েটার উৎসবে এবং লন্ডনে 'কঞ্জুস' মঞ্চায়ন করে ভূয়সী প্রশংসা লাভ করে। এ সময় এ দল ইতালি ও ফ্রান্স ভ্রমণ করে। একই সময় আইএটিএর বাংলাদেশ কেন্দ্র পিপলস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান লিয়াকত আলী লাকী মোনাকোতে অনুষ্ঠিত ২৪তম আন্তর্জাতিক থিয়েটার কংগ্রেসে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। পরের বছর ২০০২ সালে কোরিয়ার চুনচুন সিটিতে অনুষ্ঠিত নাট্যোৎসবে লোক নাট্যদলের নেতৃত্ব দেন। উৎসবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রথযাত্রা মঞ্চায়ন করে। ২০০২ সালে গ্রিসে অনুষ্ঠিত আইটিআই কংগ্রেসে যোগদান করেন এবং মিউজিক থিয়েটার কমিটির সেক্রেটারি নির্বাচিত হন। একই সময় সুইডেনে ১০ দিনব্যাপী থিয়েটার ওয়ার্কশপে যোগদান করেন।

অন্যান্য সংস্থার সদস্য
তিনি সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমানে সহসভাপতি। ইন্টারন্যাশনাল অ্যামেচার থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ কেন্দ্রের প্রধান লিয়াকত আলী লাকী এশিয়ান রিজিওনাল কমিটির সহসভাপতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তিনি আইটিআই বাংলাদেশ কেন্দ্রের অনুষ্ঠান সম্পাদক। লিয়াকত আলী লাকী ২০০২ সালে তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে নির্বাচিত হন।

যিনি গত ২০০৫ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত আর্টিস্টিক স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ২০০৯ সাল থেকে চিলড্রেন এন্ড ইয়ুথ স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। আগামী আগস্ট ২০১৩-তে মোনাকোতে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব নাট্য কংগ্রেসে তিনি এশিয়া অঞ্চলের সভাপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন।

তার এই দায়িত্ব গ্রহণ আন্তর্জাতিক নাট্যাঙ্গনে বাংলাদেশের নাট্যচর্চাকে প্রসারিত করবে এবং আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সম্মান বৃদ্ধি করবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

তার অন্যান্য কাজ
ডাকসুর সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক লিয়াকত আলী লাকী ১৯৮২ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শতাধিক শিল্পী নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দল প্রতিষ্ঠা করে ব্যাপক সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড- পরিচালনা করেন। নবপর্যায়ে আবৃত্তি, পথ নাটক ও গণসংগীত প্রসারের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা তিনি। বাংলাদেশ আবৃত্তি ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক (১৯৮৩-১৯৮৭) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি আবৃত্তি আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। র‌্যাগ ডের পরিবর্তে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালনের তিনি অন্যতম সংগঠক। চিলড্রেন ও ইয়ুথ কমিটির সদস্য।

সমপ্রতি সিঙ্গাপুর আর্ট হাউজে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যামেচার থিয়েটার এসোসিয়েশন’ (আইয়াটা)-এর এশীয় অঞ্চলের থিয়েটার কংগ্রেস। এ কংগ্রেসে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ১৭টি দেশ অংশগ্রহণ করে। বিশ্বব্যাপী অ্যামেচার থিয়েটার ও শিশুনাট্যের চর্চা, উন্নয়ন ও বিকাশের লক্ষ্যে আইয়াটা বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছে। আগামী ৪ বছরের জন্য এই ফোরাম বাংলাদেশের বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব ও শিশুনাট্য আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব নাট্যজন লিয়াকত আলী লাকীকে এশীয় অঞ্চলের সভাপতি মনোনীত করেছে।

পিপলস লিটল থিয়েটার, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হয়ে লিয়াকত আলী লাকী জাতীয় সংস্কৃতিতে বিশেষমাত্রা যোগ করেছেন। বাংলাদেশের সব সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তি লিয়াকত আলী লাকী স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও সব গণআন্দোলনে সংস্কৃতি কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতে অন্যতম ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশের নবশিশু নাট্য আন্দোলনের প্রধান পুরুষ লিয়াকত আলী লাকীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে ১০০টিরও বেশি শিশু নাট্য দল সংগঠিত হয়ে নিয়মিত নাট্যচর্চা করে চলেছে।

পুরুস্কার এবং সম্মানা
শিশু ও যুব থিয়েটারে বিশেষ অবদান রাখার জন্য নাট্যজন ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীকে আন্তর্জাতিক নাট্য সংগঠন আসিটেজ ‘আর্টিস্টিক এক্সসেলেন্স ফর চিলড্রেন্স অ্যান্ড ইয়ুথ থিয়েটার’ সম্মাননা ২০১১ প্রদান করা হয়েছে। সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য লিয়াকত আলী লাকী ১৯৮৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্বর্ণপদক লাভ করেন। ১৯৯৮ সালে অজিত চট্টোপাধ্যায় স্মৃতি নাট্য পুরস্কার লাভ করেন। কিডস, চট্টগ্রাম কর্তৃক শ্রেষ্ঠ শিশু সংগঠক হিসেবে 'কিডস পদক' পান ১৯৯৯ সালে। একই সালে তিনি ইউনিক গ্রুপ কর্তৃক স্বর্ণ পদক পান। একই সঙ্গে থিয়েটার অ্যাম্বিশন বগুড়া 'শিশুবন্ধু' পদকে ভূষিত করে। শিশু কেন্দ্র, চট্টগ্রাম শিশু নাট্য কর্মকান্ডে অবদানের জন্য তাকে 'শ্রেষ্ঠ শিশু সংগঠক-২০০১' পদকে ভূষিত করে। এ বছর ২০০৩ সালে সুন্দরম, হবিগঞ্জ লিয়াকত আলী লাকীকে শিশু নাটকে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পদক প্রদান করেন।


Comments (0)        Print        Tell friend        Top


Other Articles:
বুলবুল আহমেদের সংক্ষিপ্ত জীবনী



 
  ::| Events
May 2019  
Su Mo Tu We Th Fr Sa
      1 2 3 4
5 6 7 8 9 10 11
12 13 14 15 16 17 18
19 20 21 22 23 24 25
26 27 28 29 30 31  
 
::| Hot News
বুলবুল আহমেদের সংক্ষিপ্ত জীবনী

Online News Powered by: WebSoft
[Top Page]