Sunday, 11.18.2018, 02:59pm (GMT+6)
  Home
  FAQ
  RSS
  Links
  Site Map
  Contact
 
আবদুুল হাই মাশরেকী ছিলেন মূলসংস্কৃতির শিকড়ের আধুনিক কবি ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিল্পকলায় দুদিনব্যা ; লোককবি আবদুুল হাই মাশরেকীর ৯৭ তম জন্মজয়ন্তী আগামী ১ এপ্রিল ২০১৬ ; আল মুজাহিদী ; ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন
::| Keyword:       [Advance Search]
 
All News  
  গুণীজন সংবাদ
  বিপ্লবী
  ভাষা সৈনিক
  মুক্তিযোদ্ধা
  রাজনীতিবিদ
  কবি
  নাট্যকার
  লেখক
  ব্যাংকার
  ডাক্তার
  সংসদ সদস্য
  শিক্ষাবিদ
  আইনজীবি
  অর্থনীতিবিদ
  খেলোয়াড়
  গবেষক
  গণমাধ্যম
  সংগঠক
  অভিনেতা
  সঙ্গীত
  চিত্রশিল্পি
  কার্টুনিস্ট
  সাহিত্যকুঞ্জ
  ফটো গ্যাল্যারি
  কবিয়াল
  গুণীজন বচন
  তথ্য কর্ণার
  গুণীজন ফিড
  ফিউচার লিডার্স
  ::| Newsletter
Your Name:
Your Email:
 
 
 
অভিনেতা
 
সোহেল রানা




মাসুদ পারভেজ একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক। তিনি চলচ্চিত্রে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন সোহেল রানা নাম ধারণ করে। কিন্তু ১৯৭২ সালে মাসুদ পারভেজ নামে চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেন। তিনি রাজনৈতিক দলের (জাতীয় পার্টি) প্রেসিডিয়াম সদস্য মনোনীত হয়েছেন এবং দায়িত্ব পালন করছেন। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নির্বাচন বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব পেয়েছেন মাসুদ পারভেজ।

সংক্ষিপ্ত জীবনী
মাসুদ পারভেজ জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাজধানী ঢাকাতে। তাঁর জন্ম ঢাকাতে হলেও পৈতৃক বাসস্থান বরিশাল জেলায়। তাঁর স্ত্রী ডা. জিনাত পারভেজ এবং একমাত্র সন্তান পুত্র মাশরুর পারভেজ জীবরান। তিনি শিক্ষা জীবনে একজন ছাত্রনেতা ছিলেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ঝাপিয়ে পড়েছেন মুক্তিযুদ্ধে। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের সাথে যুক্ত হন, প্রযোজক ও পরিচালক হিসেবে মাসুদ পারভেজ এবং অভিনেতা হিসেবে সোহেল রানা নাম ধারণ করে।

চলচ্চিত্র জীবন
মাসুদ পারভেজ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পরপরই বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন। প্রযোজক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন পারভেজ ফিল্মস এবং এই প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে চাষী নজরুল ইসলাম এর পরিচালনায় নির্মাণ করেন বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ওরা ১১ জন। এটি মুক্তি পায় ১৯৭২-এ। এর পরে যে ২৯টি ছবি নির্মাণ করা হয়েছে এই প্রতিষ্ঠান থেকে সেগুলো হলো- ওরা ১১ জন, মাসুদ রানা, দস্যু বনহুর, গুনাহগার, জবাব, যাদুনগর, জীবন নৌকা, যুবরাজ, নাগর পূর্ণিমা, বিদ্রোহী, রক্তের বন্দী, লড়াকু, মাকরশা, বজ্রমুষ্টি, ঘেরাও, চোখের পানি, ঘরের শত্রু, গৃহযুদ্ধ, মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা, শত্রু সাবধান, খাইছি তোরে, ভালবাসার মূল্য কতো, অন্ধকারে চিতা, ভয়ংকর রাজা, ডালভাত, চারিদিকে অন্ধকার, রিটার্ন টিকিট ও মায়ের জন্য পাগল। অভিনেতা ও পরিচালক হিসেবে যাত্রা শুরু ১৯৭৩ সালে। কাজী আনোয়ার হোসেন এর বিখ্যাত কাল্পনিক চরিত্র মাসুদ রানা সিরিজের একটি গল্প অবলম্বনে মাসুদ রানা চলচ্চিত্রে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন সোহেল রানা নাম ধারণ করে এবং একই ছবির মাধ্যমে তিনি পরিচালক হিসেবে মাসুদ পারভেজ নামে। এই ছবিটি মুক্তির মাধ্যমে দর্শকরা তাঁকে পর্দায় দেখতে পান ১৯৭৪ সালে।

রাজনৈতিক জীবন
১৯৬১ সালে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন মাসুদ পারভেজ। তখন তিনি ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজের সভাপতি ছিলেন। ওই সময় দুটো রাজনৈতিক দল ছিল একটি ছাত্র ইউনিয়ন অপরটি ছাত্রলীগ। ১৯৬৫-তে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন বৃহত্তর ময়মনসিংহের।

১৯৬৬-তে ৬ দফা আন্দোলন শুরু হলো। আন্দোলনে তীব্রভাবে সক্রিয় ছিলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা হলো। বৃহত্তর ময়মনসিংহের ছাত্ররাজনীতি স্তব্ধ করার উদ্দেশ্যে এ কাজ করা হলো। মাসুদ পারভেজের বিরুদ্ধে হুলিয়াও জারি করা হয়। এনএসএফের গুন্ডারা তাকে আক্রমণ করে। প্রচন্ড মারধর করে তারা। তার আহত হওয়ার খবর ইত্তেফাক পত্রিকার প্রথম পাতায় ছাপে। পরিবারের চাপে তিনি অনেকগুলো মামলা মাথায় নিয়ে ঢাকায় চলে এলেন । ঢাকায় এলে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আরো বেশি সাহচর্যে আসার সুযোগ হয়। ওই সময়ের ঢাকার কায়েদে আযম কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করলেন। রাজ্জাক ভাই, বাকি ভাই আইন নিয়ে পড়ার পরামর্শ দিলেন। ল' নিয়ে ভর্তি হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সিট পেলেন ইকবাল হলে। ওই সময় ইকবাল হল ছিল ছাত্রলীগের দুর্গ। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা ওই হলেই থাকতেন। তিনি যে সময়টাতে ইকবাল হলে থাকা শুরু করলেন, ঠিক ওই সময়টাতেই বরিশাল থেকে সৈয়দ কামালউদ্দিন ফিলু ও মুন্সীগঞ্জ থেকে মহিউদ্দীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ইকবাল হলে থাকা শুরু করলেন।

'৬৯-এ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা শুরু হলে আন্দোলনের মাধ্যমে মাসুদ পারভেজসহ আরও অনেকে তাকে জেল থেকে বের করে আনেন। তারপর তারা প্রতিদিনই বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর বাড়িতে যেতেন। নিয়ে আসতেন দিকনির্দেশনা। মাসুদ পারভেজদের কাছ থেকে দিকনির্দেশনা পাওয়ার জন্য প্রচুর নেতাকর্মী ইকবাল হলের মাঠে বসে থাকত।

২৫ মার্চের রাতেই ইকবাল হল পাকসেনারা আক্রমণ করে রক্তনদী বইয়ে দেয়। ভাগ্যক্রমে মাসুদ পারভেজ ওই রাতে হলে ছিলেন না। গোপীবাগে তার এক আত্মীয়র বাসায় ছিলেন।

২৫ মার্চের পর গোটা দেশের ইতিহাস পাল্টে গেল। তিনি কয়েকদিন ঢাকায় অবস্থান করে বরিশালে চলে এলেন। অনেক কষ্ট করে নদী পার হয়ে পায়ে হেঁটে এলেন। বরিশাল থেকে বানারীপাড়ায় এলেন। এখানে এসে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করে বুদ্ধি-পরামর্শ দিলেন। এরপর আবার ঢাকায় এলেন। মোস্তফা মহসীন মন্টুর কমান্ডে যুদ্ধ করেছেন তিনি। তাদের এরিয়া ছিল সাভার-শ্রীপুর-কেরানীগঞ্জ। যুদ্ধকালীন অবস্থানে অনেকবার পাকশক্রর দ্বারা ধ্বংস হওয়ার অবস্থা থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি।

সভাপতি
১৩ আগস্ট ২০১১ সালে ঢাকার বিজয়নগরে সমিতির কার্যালয়ে প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির নির্বাচনে মাসুদ পারভেজ সভাপতি নির্বাচিত হন।

পুরস্কার
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-এ ভূষিত করেন। ১৯৯৬ সালে দিলীপ বিশ্বাস পরিচালিত অজান্তে ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা এবং ২০০৩ সালে মহাম্মদ হান্নান পরিচালিত সাহসী মানুষ চাই ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে এ পুরস্কার দেয়া হয়।


Comments (0)        Print        Tell friend        Top


Other Articles:
সিরাজুল হক মন্টু
আনোয়ার হোসেন
লিয়াকত আলী লাকী
বুলবুল আহমেদের সংক্ষিপ্ত জীবনী



 
  ::| Events
November 2018  
Su Mo Tu We Th Fr Sa
        1 2 3
4 5 6 7 8 9 10
11 12 13 14 15 16 17
18 19 20 21 22 23 24
25 26 27 28 29 30  
 
::| Hot News
বুলবুল আহমেদের সংক্ষিপ্ত জীবনী

Online News Powered by: WebSoft
[Top Page]